১২নং সুলতানপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট জামে মসজিদ ও ঈদগাহ সংলগ্ন খাস জমি দখলের চেষ্টা ভূমিধূসর বিএনপির ৩নেতা
ছাব্বির হোসেন বাপ্পি,রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:- রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক বরাবর অনলিপি প্রধান, স্বাক্ষরকারীগণ আপনার জেলাধীন সদর উপজেলার ১২ নং সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর খেয়া ঘাট এলাকার বাসিন্দা।
সুলতানপুর খেয়াঘাট এলাকার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত সুলতানপুর খেয়াঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও ঈদগাহ সংলগ্ন ২১৯ নং মৌজার ০৪নং খাস খতিয়ানের ৮১৩ নং দাগের জমিটি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ মসজিদের দখলে আছে জনগণ মসজিদ মুসল্লি। ওই জমির একাংশ (পশ্চিম পার্শ্ব) দিয়ে জনগণের যাতায়াতের জন্য ১২ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা সরকারিভাবে বরাদ্দ রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে এই জমিটি মসজিদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মসজিদ কমিটির কাছ থেকে গত ২৪ ইং সালের নভেম্বর- ডিসেম্বর মাসে একাধিক কিস্তিতে মোট ১,৫০,০০০ ( এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি এখনো মসজিদের নামে বরাদ্দ পাইয়ে দিতে টালবাহানা করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে এলাকার কিছু প্রভাবশালী দুষ্কৃতী ভূমিদসর বিএনপি'র কুলঙ্গার নেতা এই জমির উপরে নজর পরে। তারা হলেন, চরশ্যামনগরের সাবেক মেম্বার তাকে জনগণ একই নামে চিনে গমছালাম মেম্বার দেখাযায় ভদ্রবলে শয়তানের হাত বাক্স, সুলতানপুরের ভূমিদসর অকারণে জনগণের কাছে থেকে নগদ টাকা হাতিয়ে নিতেন।
গমছালাম মেম্বারের ভাই একজন পাগল ছিলেন নাম ছিলতার কালাম ভাইটি মারা যাওয়ার পরে প্রতি বছরে সিন্নি করতেন ভাইয়ের নামকরণ উপর অনেক চাউল নগদ টাকা অনেকের কাছ থেকে ধান্দামি করে মেরে দিতেন তার আরো অনেক পরিচয় রয়েছে ইউনিয়নের জনগণ ভালো বলতে পারবে।
সুলতানপুরের সাবেক মেম্বার বাবলু , জনাব আলী পি ক্যাডেট এর প্রতিষ্ঠাতা হাফিজুর এদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পূরণ। ৩জন্য ব্যক্তি ও ভূমিদস্য মসজিদের এই পবিত্র খালি জায়গাটি দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে বাণিজ্যিক প্ল্যট তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে ৯টি রুমের।
তারা সাধারণ মুসুল্লিদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করছে। এমত অবস্থায় এলাকাবাসী ও মুসুল্লিদের মধ্য চরম অশান্তি উত্তেজনা বিরাজ করেছে। জনগণের ও মসজিদের মুসুল্লিদের দাবী দুষ্কৃতী বিএনপির নেতাদের আইনের আওতায় আনা হোক।
ইউনিয়ন থেকে ধান্দাবাজি কমে যাক চিটার বাটপার প্রতারক শাস্তি হোক আল্লাহর ঘরের জায়গা দখল করে ইনকাম করতে চায় আল্লাহ এদেরকে বিচার করবে। ইউনিয়ন পরিষদে মুসুল্লিরা যখন অভিযোগ নিয়ে যায় সুলতানপুর ইউনিয়নের প্রশাসক খায়রুদ্দিন আহমেদ তাদেরকে আশ্বাস দেন বিষয়টি দেখব।
ইউনেন সচিব গ্রাম্য ভাষায় সেক্রেটারি বলে জনগণ লিটন বলেন , আমার কাছ থেকে একটি ৩,৩০০ টাকার রশিদ মেমু নিয়েছিলেন আজ পর্যন্ত টাকা ব্যাংকে জমা পড়েনি। আইনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
১২নং সুলতানপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট জামে মসজিদ ও ঈদগাহ সংলগ্ন খাস জমি দখলের চেষ্টা ভূমিধূসর বিএনপির ৩নেতা
ছাব্বির হোসেন বাপ্পি,রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:- রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক বরাবর অনলিপি প্রধান, স্বাক্ষরকারীগণ আপনার জেলাধীন সদর উপজেলার ১২ নং সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর খেয়া ঘাট এলাকার বাসিন্দা।
সুলতানপুর খেয়াঘাট এলাকার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত সুলতানপুর খেয়াঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও ঈদগাহ সংলগ্ন ২১৯ নং মৌজার ০৪নং খাস খতিয়ানের ৮১৩ নং দাগের জমিটি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ মসজিদের দখলে আছে জনগণ মসজিদ মুসল্লি। ওই জমির একাংশ (পশ্চিম পার্শ্ব) দিয়ে জনগণের যাতায়াতের জন্য ১২ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা সরকারিভাবে বরাদ্দ রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে এই জমিটি মসজিদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মসজিদ কমিটির কাছ থেকে গত ২৪ ইং সালের নভেম্বর- ডিসেম্বর মাসে একাধিক কিস্তিতে মোট ১,৫০,০০০ ( এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি এখনো মসজিদের নামে বরাদ্দ পাইয়ে দিতে টালবাহানা করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে এলাকার কিছু প্রভাবশালী দুষ্কৃতী ভূমিদসর বিএনপি'র কুলঙ্গার নেতা এই জমির উপরে নজর পরে। তারা হলেন, চরশ্যামনগরের সাবেক মেম্বার তাকে জনগণ একই নামে চিনে গমছালাম মেম্বার দেখাযায় ভদ্রবলে শয়তানের হাত বাক্স, সুলতানপুরের ভূমিদসর অকারণে জনগণের কাছে থেকে নগদ টাকা হাতিয়ে নিতেন।
গমছালাম মেম্বারের ভাই একজন পাগল ছিলেন নাম ছিলতার কালাম ভাইটি মারা যাওয়ার পরে প্রতি বছরে সিন্নি করতেন ভাইয়ের নামকরণ উপর অনেক চাউল নগদ টাকা অনেকের কাছ থেকে ধান্দামি করে মেরে দিতেন তার আরো অনেক পরিচয় রয়েছে ইউনিয়নের জনগণ ভালো বলতে পারবে।
সুলতানপুরের সাবেক মেম্বার বাবলু , জনাব আলী পি ক্যাডেট এর প্রতিষ্ঠাতা হাফিজুর এদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ পূরণ। ৩জন্য ব্যক্তি ও ভূমিদস্য মসজিদের এই পবিত্র খালি জায়গাটি দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে বাণিজ্যিক প্ল্যট তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে ৯টি রুমের।
তারা সাধারণ মুসুল্লিদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করছে। এমত অবস্থায় এলাকাবাসী ও মুসুল্লিদের মধ্য চরম অশান্তি উত্তেজনা বিরাজ করেছে। জনগণের ও মসজিদের মুসুল্লিদের দাবী দুষ্কৃতী বিএনপির নেতাদের আইনের আওতায় আনা হোক।
ইউনিয়ন থেকে ধান্দাবাজি কমে যাক চিটার বাটপার প্রতারক শাস্তি হোক আল্লাহর ঘরের জায়গা দখল করে ইনকাম করতে চায় আল্লাহ এদেরকে বিচার করবে। ইউনিয়ন পরিষদে মুসুল্লিরা যখন অভিযোগ নিয়ে যায় সুলতানপুর ইউনিয়নের প্রশাসক খায়রুদ্দিন আহমেদ তাদেরকে আশ্বাস দেন বিষয়টি দেখব।
ইউনেন সচিব গ্রাম্য ভাষায় সেক্রেটারি বলে জনগণ লিটন বলেন , আমার কাছ থেকে একটি ৩,৩০০ টাকার রশিদ মেমু নিয়েছিলেন আজ পর্যন্ত টাকা ব্যাংকে জমা পড়েনি। আইনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

আপনার মতামত লিখুন