ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

হেরোইনের মামলায় বেনাপোলের আবুল হোসেনের যাবজ্জীবন

হেরোইনের মামলায় বেনাপোলের আবুল হোসেনের যাবজ্জীবন

জাতীয় দৈনিক কালবেলার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি মহিন উদ্দিন রিপন ভাই কে অপহরণ করে নির্যাতন, চাঁদা দাবি ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জাতীয় দৈনিক কালবেলার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি মহিন উদ্দিন রিপন ভাই কে অপহরণ করে নির্যাতন, চাঁদা দাবি ও গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কুড়িগ্রামে কোচ-অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশুর মৃত‌্যু, গুরুত্বর আহত-৩

কুড়িগ্রামে কোচ-অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশুর মৃত‌্যু, গুরুত্বর আহত-৩

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন এমপি আশফাক

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন এমপি আশফাক

৩নং বারহাট্টা সদর ইউনিয়নে আবারও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আক্কাছ আলী, জনসেবার অঙ্গীকার

৩নং বারহাট্টা সদর ইউনিয়নে আবারও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আক্কাছ আলী, জনসেবার অঙ্গীকার

ওসমানীনগরে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির নিয়ে অনিশ্চয়তা, অনুমোদন জানেন না ইউএনও-স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

ওসমানীনগরে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির নিয়ে অনিশ্চয়তা, অনুমোদন জানেন না ইউএনও-স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

সরিষাবাড়ীতে চোরের দৌরাত্ব্য, গরুর মালিকসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম ৩ জনকে পাড়ী চাপা দেয়ার চেষ্টা

সরিষাবাড়ীতে চোরের দৌরাত্ব্য, গরুর মালিকসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম ৩ জনকে পাড়ী চাপা দেয়ার চেষ্টা

খানসামায় ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা

খানসামায় ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা

​২০০৫-এ যোগদান, পাসের সনদ ২০০৬-এর! পীরগাছায় জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর চিত্র

​২০০৫-এ যোগদান, পাসের সনদ ২০০৬-এর! পীরগাছায় জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর চিত্র

​২০০৫-এ যোগদান, পাসের সনদ ২০০৬-এর! পীরগাছায় জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর চিত্র

​রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া সনদের আশ্রয়ে এক সহকারী শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার পাঁয়তারার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। একই রোল নম্বর ও ক্রমিক নম্বর ব্যবহার করে দুই ধরণের ভিন্ন তথ্যসংবলিত সনদপত্র তৈরি করে এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে তথ্য মিলেছে।

​নিয়োগের সময়রেখা ও অনিয়মের চিত্র নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৪ সালের ৫ ডিসেম্বর ‘দৈনিক দাবানল’ পত্রিকায় সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর পরীক্ষা গ্রহণ শেষে ২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি রিপন কুমার বর্মনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তিনি ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

​সম্প্রতি বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ নাজমুল হক সুমনের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠান প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমান।

​একই সনদে দুই রকম তথ্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার পরীক্ষার একই ক্রমিক (০২৩১৯) ও রোল নম্বর (১০০৩২৮) সংবলিত দুটি পৃথক সনদপত্র ঘেঁটে চরম অসঙ্গতি পাওয়া গেছে—

​যোগদানকালীন সনদ: সেশন ২০০০-২০০১, পাসের সন ২০০৩ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ১৬ জুন ২০০৬। (যেখানে শিক্ষক ২০০৫ সালে যোগদান করার দেড় বছর পর সনদ ইস্যু দেখানো হয়েছে)।

​এমপিও আবেদনের সনদ: সেশন ২০০১-২০০২, পাসের সন ২০০৬ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ১৬ জুন ২০১২। (এখানে পাসের সন ২০০৬ দেখালেও তাকে চাকরি দেওয়া হয়েছে ২০০৫ সালে, যা অলৌকিক ও অসম্ভব)।

​পাসের আগেই নিয়োগ ও যোগদান দেখানোর এই প্রমাণ ব্যাকডেটে নিয়োগ এবং মোটা অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে নথিপত্র জালিয়াতির অভিযোগকে সরাসরি সমর্থন করে।

​অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমান শুরু থেকেই এই জালিয়াতির বিষয়ে অবগত ছিলেন। কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে বরং অসাধু উপায়ে নথি সংশোধন করে ফাইল এমপিওভুক্তির জন্য পাঠান তিনি।

​অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রিপন কুমার বর্মন বলেন, "সনদ সংক্রান্ত সব বিষয় প্রধান শিক্ষকই পরিচালনা করেছেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।"

​যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমানকে পাওয়া যায়নি।

​তবে বিষয়টি জানতে পেরে পীরগাছার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন জানান, "সনদ জালিয়াতির অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

​রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ও অসদুপায় বন্ধে অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাকে সহায়তাকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


​২০০৫-এ যোগদান, পাসের সনদ ২০০৬-এর! পীরগাছায় জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর চিত্র

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

​২০০৫-এ যোগদান, পাসের সনদ ২০০৬-এর! পীরগাছায় জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর চিত্র

​রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল-জালিয়াতি ও ভুয়া সনদের আশ্রয়ে এক সহকারী শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার পাঁয়তারার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। একই রোল নম্বর ও ক্রমিক নম্বর ব্যবহার করে দুই ধরণের ভিন্ন তথ্যসংবলিত সনদপত্র তৈরি করে এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে তথ্য মিলেছে।

​নিয়োগের সময়রেখা ও অনিয়মের চিত্র নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৪ সালের ৫ ডিসেম্বর ‘দৈনিক দাবানল’ পত্রিকায় সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর পরীক্ষা গ্রহণ শেষে ২০০৫ সালের ২০ জানুয়ারি রিপন কুমার বর্মনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তিনি ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

​সম্প্রতি বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হলে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ নাজমুল হক সুমনের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে ফাইলটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠান প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমান।

​একই সনদে দুই রকম তথ্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার পরীক্ষার একই ক্রমিক (০২৩১৯) ও রোল নম্বর (১০০৩২৮) সংবলিত দুটি পৃথক সনদপত্র ঘেঁটে চরম অসঙ্গতি পাওয়া গেছে—

​যোগদানকালীন সনদ: সেশন ২০০০-২০০১, পাসের সন ২০০৩ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ১৬ জুন ২০০৬। (যেখানে শিক্ষক ২০০৫ সালে যোগদান করার দেড় বছর পর সনদ ইস্যু দেখানো হয়েছে)।

​এমপিও আবেদনের সনদ: সেশন ২০০১-২০০২, পাসের সন ২০০৬ এবং সনদ ইস্যুর তারিখ ১৬ জুন ২০১২। (এখানে পাসের সন ২০০৬ দেখালেও তাকে চাকরি দেওয়া হয়েছে ২০০৫ সালে, যা অলৌকিক ও অসম্ভব)।

​পাসের আগেই নিয়োগ ও যোগদান দেখানোর এই প্রমাণ ব্যাকডেটে নিয়োগ এবং মোটা অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে নথিপত্র জালিয়াতির অভিযোগকে সরাসরি সমর্থন করে।

​অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমান শুরু থেকেই এই জালিয়াতির বিষয়ে অবগত ছিলেন। কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে বরং অসাধু উপায়ে নথি সংশোধন করে ফাইল এমপিওভুক্তির জন্য পাঠান তিনি।

​অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক রিপন কুমার বর্মন বলেন, "সনদ সংক্রান্ত সব বিষয় প্রধান শিক্ষকই পরিচালনা করেছেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।"

​যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রধান শিক্ষক মোঃ সহিদুর রহমানকে পাওয়া যায়নি।

​তবে বিষয়টি জানতে পেরে পীরগাছার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন জানান, "সনদ জালিয়াতির অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুতর। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

​রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ও অসদুপায় বন্ধে অভিযুক্ত শিক্ষক ও তাকে সহায়তাকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ