শিবগঞ্জে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা নাজমুল হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:- চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও ভরাট কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে ছড়ানো হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7938]জানা গেছে, পদ্মা নদী থেকে বৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের একজন পেশকার কাম সায়রাত সহকারীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সে গিয়ে ২০০০০ চাঁদা চাই এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের একটি গাড়ির চালক বকুলকে অবৈধ মাটি উত্তোলনের সাথে জড়িত বলে, কয়েকজন ব্যক্তি ঘিরে ভিডিও ধারণ করে, বলতে থাকেন ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেছে,পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হয় যে, ঘটনার ৫ মিনিটের মধ্যেই সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে উপস্থিত।[TECHTARANGA-POST:7939]তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উভয়েই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলেন। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার অসঙ্গতি রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই এলাকার স্থানীয়রা বলেন বিষয় টা পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এই বিষয়ে তারা ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে জানান। [TECHTARANGA-POST:7940]প্রশাসনের দাবি, পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন ও ভরাট কার্যক্রমে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হলে,প্রভাবশালীরা প্রশাসনের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান করে সত্য তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।এদিকে, একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাটি ও ভরাট পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ভারী যানবাহনের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ধুলাবালুর কারণে বাড়িঘর পরিষ্কার রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।