পীরগাছায় দিনমজুরের ঘরে ফুটল তিন ফুল সুমাইয়া-সুরভী-মাইশা বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তার আকুল আবেদন
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের আউলিয়া পাড়া (বড় হাত খাঁ) গ্রামের দিনমজুর মোঃ সৌর মিয়ার ঘরে ফুটেছে তিনটি নতুন ফুল। তার স্ত্রী মোছাঃ হাসি বেগম সম্প্রতি জন্ম দিয়েছেন তিন ফুটফুটে কন্যাসন্তান—মোছাঃ সুমাইয়া, মোছাঃ সুরভী ও মোছাঃ মাইশা। ঘরে থাকা পাঁচ বছরের প্রথম কন্যাসন্তানের পর নতুন এই তিন নবজাতকের আগমনে পরিবারে আনন্দের বার্তা নিয়ে এলেও, চরম আর্থিক অনটন ও সীমাহীন অভাবের মুখে সেই আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহিমের ছেলে মোঃ সৌর মিয়া পেশায় একজন সাধারণ শ্রমজীবী। নুন আনতে পান্তা ফুরানো এই পরিবারের একার উপার্জনে দিন চালানোই ছিল দায়। তার ওপর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় পুরো পরিবার এখন দিশেহারা। প্রসূতি মা মোছাঃ হাসি বেগম প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উপযুক্ত পুষ্টিকর খাবারের অভাবে যেমন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তেমনি তিন নবজাতক সুমাইয়া, সুরভী ও মাইশার জন্য প্রয়োজনীয় দুধ, ডায়াপার, ওষুধ ও পোশাকের জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন দিনমজুর পিতা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চার চারজন কন্যাসন্তানকে নিয়ে সৌর-হাসি দম্পতির এক অনিশ্চিত জীবনের সংগ্রাম শুরু হয়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
অশ্রুসজল চোখে পিতা সৌর মিয়া ও মা হাসি বেগম বলেন, "সন্তান আল্লাহর নেয়ামত, কিন্তু আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই দুর্বল যে সন্তানদের দৈনন্দিন ন্যূনতম চাহিদা মেটাতে পারছি না। সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যের অভাবে ছোট ছোট নিষ্পাপ শিশুগুলোর কষ্ট সহ্য করা যাচ্ছে না। সরকার বা সমাজের কোনো বিত্তবান ব্যক্তি যদি আমাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন, তবে হয়তো এই অবোধ শিশুগুলো সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পেত।"
ইটাকুমারী ইউনিয়নের স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারটি অত্যন্ত অসহায় ও চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই মুহূর্তে পীরগাছা উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে কোনো সরকারি ভাতা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা বা মানবিক সাহায্য পাওয়া গেলে পরিবারটির জন্য অনেক বড় উপকারে আসত।
একই সাথে, দেশের হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছেও মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি।
সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা ও যোগাযোগ: মোঃ সৌর মিয়া গ্রাম: আউলিয়া পাড়া (বড় হাত খাঁ), ইটাকুমারী ইউনিয়ন, পীরগাছা, রংপুর।বিকাশ / নগদ (সহযোগিতার নম্বর): ০১৯০৮৬৬৯৪৭০

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পীরগাছায় দিনমজুরের ঘরে ফুটল তিন ফুল সুমাইয়া-সুরভী-মাইশা বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তার আকুল আবেদন
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের আউলিয়া পাড়া (বড় হাত খাঁ) গ্রামের দিনমজুর মোঃ সৌর মিয়ার ঘরে ফুটেছে তিনটি নতুন ফুল। তার স্ত্রী মোছাঃ হাসি বেগম সম্প্রতি জন্ম দিয়েছেন তিন ফুটফুটে কন্যাসন্তান—মোছাঃ সুমাইয়া, মোছাঃ সুরভী ও মোছাঃ মাইশা। ঘরে থাকা পাঁচ বছরের প্রথম কন্যাসন্তানের পর নতুন এই তিন নবজাতকের আগমনে পরিবারে আনন্দের বার্তা নিয়ে এলেও, চরম আর্থিক অনটন ও সীমাহীন অভাবের মুখে সেই আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহিমের ছেলে মোঃ সৌর মিয়া পেশায় একজন সাধারণ শ্রমজীবী। নুন আনতে পান্তা ফুরানো এই পরিবারের একার উপার্জনে দিন চালানোই ছিল দায়। তার ওপর একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় পুরো পরিবার এখন দিশেহারা। প্রসূতি মা মোছাঃ হাসি বেগম প্রয়োজনীয় ওষুধ ও উপযুক্ত পুষ্টিকর খাবারের অভাবে যেমন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তেমনি তিন নবজাতক সুমাইয়া, সুরভী ও মাইশার জন্য প্রয়োজনীয় দুধ, ডায়াপার, ওষুধ ও পোশাকের জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন দিনমজুর পিতা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চার চারজন কন্যাসন্তানকে নিয়ে সৌর-হাসি দম্পতির এক অনিশ্চিত জীবনের সংগ্রাম শুরু হয়েছে। অর্থাভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য ও পরিচর্যা নিশ্চিত করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
অশ্রুসজল চোখে পিতা সৌর মিয়া ও মা হাসি বেগম বলেন, "সন্তান আল্লাহর নেয়ামত, কিন্তু আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এতটাই দুর্বল যে সন্তানদের দৈনন্দিন ন্যূনতম চাহিদা মেটাতে পারছি না। সঠিক চিকিৎসা ও খাদ্যের অভাবে ছোট ছোট নিষ্পাপ শিশুগুলোর কষ্ট সহ্য করা যাচ্ছে না। সরকার বা সমাজের কোনো বিত্তবান ব্যক্তি যদি আমাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন, তবে হয়তো এই অবোধ শিশুগুলো সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পেত।"
ইটাকুমারী ইউনিয়নের স্থানীয় সচেতন মহল ও প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারটি অত্যন্ত অসহায় ও চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই মুহূর্তে পীরগাছা উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে কোনো সরকারি ভাতা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা বা মানবিক সাহায্য পাওয়া গেলে পরিবারটির জন্য অনেক বড় উপকারে আসত।
একই সাথে, দেশের হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছেও মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছে পরিবারটি।
সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা ও যোগাযোগ: মোঃ সৌর মিয়া গ্রাম: আউলিয়া পাড়া (বড় হাত খাঁ), ইটাকুমারী ইউনিয়ন, পীরগাছা, রংপুর।বিকাশ / নগদ (সহযোগিতার নম্বর): ০১৯০৮৬৬৯৪৭০

আপনার মতামত লিখুন