বিয়ের প্রলোভনে ধোঁকা ও নির্যাতনের শিকার লতা খাতুন, থানায় লিখিত অভিযোগে।
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, শারীরিক নির্যাতন এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক নারী। আজ সোমবার বিকেল ৪:০০ টায় ভেড়ামারাস্থ ‘দৈনিক লালন কণ্ঠ’ পত্রিকা কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোছাঃ লতা খাতুন (৩০), যিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার বহলবাড়িয়া গ্রামের মৃত ওমর প্রামানিকের কন্যা।
লিখিত অভিযোগে লতা খাতুন জানান, গত কয়েক মাস পূর্বে কুষ্টিয়ার চণ্ডীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম (৪৫) (পিতা: মোঃ মজনু) এর সাথে পরিচয় ও বিয়ের কথাবার্তা শুরু হয়। একপর্যায়ে গত ১৬ আগস্ট বিবাদী সেলিম তাকে সাতবাড়িয়া গোহাট এলাকার একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
পরবর্তীতে বিয়ের তাগিদ দিলে সেলিম ও তার ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা লতা খাতুনকে আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। শুধু তাই নয়, নির্যাতনকারীরা জোরপূর্বক লতা খাতুনের গলা থেকে প্রায় ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যের ১৩ আনা ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
ভুক্তভোগী নারী আরও জানান, এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি ভেড়ামারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ দায়েরের পর থেকে বিবাদী পক্ষ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে, যার ফলে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভেড়ামারায় কর্মরত স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লতা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং দোষী সলিম মল্লিকসহ তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার ও চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিয়ের প্রলোভনে ধোঁকা ও নির্যাতনের শিকার লতা খাতুন, থানায় লিখিত অভিযোগে।
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, শারীরিক নির্যাতন এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক নারী। আজ সোমবার বিকেল ৪:০০ টায় ভেড়ামারাস্থ ‘দৈনিক লালন কণ্ঠ’ পত্রিকা কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোছাঃ লতা খাতুন (৩০), যিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার বহলবাড়িয়া গ্রামের মৃত ওমর প্রামানিকের কন্যা।
লিখিত অভিযোগে লতা খাতুন জানান, গত কয়েক মাস পূর্বে কুষ্টিয়ার চণ্ডীপুর গ্রামের মোঃ সেলিম (৪৫) (পিতা: মোঃ মজনু) এর সাথে পরিচয় ও বিয়ের কথাবার্তা শুরু হয়। একপর্যায়ে গত ১৬ আগস্ট বিবাদী সেলিম তাকে সাতবাড়িয়া গোহাট এলাকার একটি বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
পরবর্তীতে বিয়ের তাগিদ দিলে সেলিম ও তার ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা লতা খাতুনকে আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। শুধু তাই নয়, নির্যাতনকারীরা জোরপূর্বক লতা খাতুনের গলা থেকে প্রায় ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যের ১৩ আনা ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।
ভুক্তভোগী নারী আরও জানান, এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে তিনি ভেড়ামারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে অভিযোগ দায়েরের পর থেকে বিবাদী পক্ষ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে, যার ফলে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভেড়ামারায় কর্মরত স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লতা খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং দোষী সলিম মল্লিকসহ তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতার ও চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন