পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় : প্রধানমন্ত্রীর
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- জাপানের রাজধানী টোকিওর পরিচ্ছন্ন রাস্তা দেখে ঢাকার চিত্র বদলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করা, পরিবেশদূষণ কমানো, আবর্জনামুক্ত নগরী গড়ে তোলা এবং খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মধ্যেই তিনি প্রকৃত সংস্কারের প্রতিফলন দেখতে চান। একই সঙ্গে দেশের প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
টোকিওর হোটেল নিউ ওতানিতে বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে টোকিওর পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের রাস্তাঘাটের পরিচ্ছন্নতা তাকে ঢাকাসহ বাংলাদেশের শহরগুলোকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা আরও জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
সফরসঙ্গীদের একজনকে এমন প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। জবাবে ওই ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, টোকিওর রাস্তায় কোনো ময়লা দেখেননি। অথচ ঢাকায় চারদিকে অনেক ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ঢাকাসহ সারাদেশকে পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকা, বায়ুদূষণ এবং পরিবেশের অবনতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। দূষণ কমানো, বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগানো এবং পরিবেশকে আরও বাসযোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ দূষিত হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। চারদিকে আবর্জনা জমতে থাকলে সেখান থেকে জীবাণু ও নানা রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়। মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করা এবং আবর্জনা যথাযথভাবে অপসারণ করা জরুরি।
রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা, বায়ুদূষণ কমানো এবং মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোও সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই বড় সংস্কার।
তিনি বলেন, জাপানের মতো পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হলে তা দেশের মানুষের জন্য বড় অর্জন হবে। সরকারের কোনো পদক্ষেপের ফলে দেশের সন্তান, নারী-পুরুষ ও সাধারণ মানুষ সুস্থ থাকলে সেটিকেই তিনি বড় সংস্কার হিসেবে বিবেচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রিকশাচালক, সিএনজিচালক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, চাকরিজীবী কিংবা ব্যবসায়ী—পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়ন হলে প্রত্যেকেই উপকৃত হবেন। সংস্কারের সুফল কত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তার কাছে অগ্রাধিকার হলো এমন উদ্যোগ, যার সুবিধা সরাসরি প্রান্তিক মানুষ পাবে। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক মানুষের উপকারে আসবে- এমন সংস্কার যাতে বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করতে না পারে, সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ ও তাদের সন্তানরা উপকৃত হবে। তাই দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এসব উদ্যোগের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, তিনি জনগণের কাছে সরাসরি ভোট চাওয়ার কথা বলছেন না; বরং মানুষের কল্যাণে নেওয়া কাজগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সমর্থন চাইছেন। সরকারের উদ্যোগগুলো যথাযথ হলে সেগুলো বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত প্রবাসীরা করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কারের লক্ষ্য হতে হবে সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও ভালো করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়ন থেকে সমাজের সব শ্রেণির মানুষ উপকৃত হতে পারেন। তবে কোন উদ্যোগে কত মানুষ সরাসরি সুবিধা পাবে, তা বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ সফল করতে সবার সহযোগিতা দরকার। দেশের গণতান্ত্রিক মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এজন্য ধৈর্য, পরিশ্রম ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসীদের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানি ভাষা শিক্ষা, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান নিয়ে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় : প্রধানমন্ত্রীর
মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- জাপানের রাজধানী টোকিওর পরিচ্ছন্ন রাস্তা দেখে ঢাকার চিত্র বদলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করা, পরিবেশদূষণ কমানো, আবর্জনামুক্ত নগরী গড়ে তোলা এবং খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মধ্যেই তিনি প্রকৃত সংস্কারের প্রতিফলন দেখতে চান। একই সঙ্গে দেশের প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ বাস্তবায়নে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
টোকিওর হোটেল নিউ ওতানিতে বাংলাদেশ কমিউনিটির আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে টোকিওর পরিচ্ছন্নতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের রাস্তাঘাটের পরিচ্ছন্নতা তাকে ঢাকাসহ বাংলাদেশের শহরগুলোকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা আরও জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
সফরসঙ্গীদের একজনকে এমন প্রশ্ন করেছিলেন তিনি। জবাবে ওই ব্যক্তি জানিয়েছিলেন, টোকিওর রাস্তায় কোনো ময়লা দেখেননি। অথচ ঢাকায় চারদিকে অনেক ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ঢাকাসহ সারাদেশকে পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা জমে থাকা, বায়ুদূষণ এবং পরিবেশের অবনতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। দূষণ কমানো, বিভিন্ন স্থানে গাছ লাগানো এবং পরিবেশকে আরও বাসযোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ দূষিত হলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। চারদিকে আবর্জনা জমতে থাকলে সেখান থেকে জীবাণু ও নানা রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়। মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করা এবং আবর্জনা যথাযথভাবে অপসারণ করা জরুরি।
রাজনৈতিক সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা, বায়ুদূষণ কমানো এবং মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোও সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই বড় সংস্কার।
তিনি বলেন, জাপানের মতো পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হলে তা দেশের মানুষের জন্য বড় অর্জন হবে। সরকারের কোনো পদক্ষেপের ফলে দেশের সন্তান, নারী-পুরুষ ও সাধারণ মানুষ সুস্থ থাকলে সেটিকেই তিনি বড় সংস্কার হিসেবে বিবেচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রিকশাচালক, সিএনজিচালক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, চাকরিজীবী কিংবা ব্যবসায়ী—পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়ন হলে প্রত্যেকেই উপকৃত হবেন। সংস্কারের সুফল কত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তার কাছে অগ্রাধিকার হলো এমন উদ্যোগ, যার সুবিধা সরাসরি প্রান্তিক মানুষ পাবে। খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক মানুষের উপকারে আসবে- এমন সংস্কার যাতে বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করতে না পারে, সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ ও তাদের সন্তানরা উপকৃত হবে। তাই দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এসব উদ্যোগের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, তিনি জনগণের কাছে সরাসরি ভোট চাওয়ার কথা বলছেন না; বরং মানুষের কল্যাণে নেওয়া কাজগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সমর্থন চাইছেন। সরকারের উদ্যোগগুলো যথাযথ হলে সেগুলো বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত প্রবাসীরা করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কারের লক্ষ্য হতে হবে সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও ভালো করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়ন থেকে সমাজের সব শ্রেণির মানুষ উপকৃত হতে পারেন। তবে কোন উদ্যোগে কত মানুষ সরাসরি সুবিধা পাবে, তা বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ সফল করতে সবার সহযোগিতা দরকার। দেশের গণতান্ত্রিক মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এজন্য ধৈর্য, পরিশ্রম ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসীদের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানি ভাষা শিক্ষা, শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান নিয়ে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন