স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা।কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিগত আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা ও হামলার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের বিতর্কিত ব্যক্তি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন বামনপাড়া গ্রামের হাজী গিয়াস উদ্দিন সোনা, এখন খোলস পাল্টে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভোল পাল্টে এবার তিনি বিএনপির কাঁধে ভর করে আসন্ন চেয়ারম্যান পদে বসার স্বপ্ন দেখছে এমন গুঞ্জনে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী সরকারের ক্ষমতার ছাঁয়ায় থেকে হাজী গিয়াস উদ্দিন সোনা চাঁদগ্রাম ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার প্রত্যক্ষ অর্থায়ন ও মদদে জাসদ ও আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনী এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই সময়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হামলা চালিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত করে তুলেছিলেন তিনি। অনেক নেতাকর্মী ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য হন, এমনকি নিজের ঘরেও ঘুমানোর অধিকার ছিল না তাদের।
কোদালিয়াপাড়া এলাকার রহিমা নামের এক মহিলাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, ওই নারী তাকে ‘মামা’ বলে ডাকতেন এবং তার বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং পরবর্তীতে নাটকীয় পরিস্থিতিতে নিকাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত আইনি মামলাটি এখনও আদালতে চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট উচ্চারণ, ক্ষমতার খোলস পাল্টাতে বেশি সময় লাগে না; যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, তখন সেই দলের কাঁধে চড়েই নিজের ক্ষমতার দাপট দেখান এই ব্যক্তি।
সাধারণ মানুষের অভিমত, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের এই দোসর যদি কোনোভাবে আগামীতে চেয়ারম্যান পদে জিতে, তবে চাঁদগ্রাম ইউনিয়নে শান্তি ও শৃঙ্খলা সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হবে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নেতাকর্মীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই চাঁদগ্রামের মাটিতে আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না। তারা অনতিবিলম্বে এই বিতর্কিত ব্যক্তির অপতৎপরতা বন্ধ এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে হাজী গিয়াসউদ্দিন সোনার বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা।কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বিগত আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা ও হামলার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের বিতর্কিত ব্যক্তি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন বামনপাড়া গ্রামের হাজী গিয়াস উদ্দিন সোনা, এখন খোলস পাল্টে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভোল পাল্টে এবার তিনি বিএনপির কাঁধে ভর করে আসন্ন চেয়ারম্যান পদে বসার স্বপ্ন দেখছে এমন গুঞ্জনে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী সরকারের ক্ষমতার ছাঁয়ায় থেকে হাজী গিয়াস উদ্দিন সোনা চাঁদগ্রাম ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার প্রত্যক্ষ অর্থায়ন ও মদদে জাসদ ও আওয়ামী লীগের চিহ্নিত ক্যাডার বাহিনী এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো। ওই সময়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হামলা চালিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত করে তুলেছিলেন তিনি। অনেক নেতাকর্মী ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য হন, এমনকি নিজের ঘরেও ঘুমানোর অধিকার ছিল না তাদের।
কোদালিয়াপাড়া এলাকার রহিমা নামের এক মহিলাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। জানা যায়, ওই নারী তাকে ‘মামা’ বলে ডাকতেন এবং তার বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং পরবর্তীতে নাটকীয় পরিস্থিতিতে নিকাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত আইনি মামলাটি এখনও আদালতে চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর স্পষ্ট উচ্চারণ, ক্ষমতার খোলস পাল্টাতে বেশি সময় লাগে না; যখন যে দল ক্ষমতায় আসে, তখন সেই দলের কাঁধে চড়েই নিজের ক্ষমতার দাপট দেখান এই ব্যক্তি।
সাধারণ মানুষের অভিমত, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের এই দোসর যদি কোনোভাবে আগামীতে চেয়ারম্যান পদে জিতে, তবে চাঁদগ্রাম ইউনিয়নে শান্তি ও শৃঙ্খলা সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হবে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নেতাকর্মীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই চাঁদগ্রামের মাটিতে আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না। তারা অনতিবিলম্বে এই বিতর্কিত ব্যক্তির অপতৎপরতা বন্ধ এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে হাজী গিয়াসউদ্দিন সোনার বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন