ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে হরিরামপুরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন।

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে হরিরামপুরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন।

জাতীয় যুব দিবস: তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়েই গড়তে হবে আগামীর বাংলাদেশ

জাতীয় যুব দিবস: তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়েই গড়তে হবে আগামীর বাংলাদেশ

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা

জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) নেত্রকোণা জেলা কমিটি ঘোষণা

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ - থানায় ভাইয়ের অভিযোগ

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ - থানায় ভাইয়ের অভিযোগ

চাঁদগ্রামে ফ্যাসিবাদী আ'লীগের দোসর গিয়াসউদ্দিন সোনার পুনর্বাসন ঠেকাতে এলাকাবাসীর হুঁশিয়ার

চাঁদগ্রামে ফ্যাসিবাদী আ'লীগের দোসর গিয়াসউদ্দিন সোনার পুনর্বাসন ঠেকাতে এলাকাবাসীর হুঁশিয়ার

পীরগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৬৫৭ রোগী

পীরগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৬৫৭ রোগী

রাষ্ট্রীয় আয়োজনহীন জন্মশতবার্ষিকী, রফিকনগরে তিন দিনের উৎসব।

রাষ্ট্রীয় আয়োজনহীন জন্মশতবার্ষিকী, রফিকনগরে তিন দিনের উৎসব।

তারাকান্দায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ২৯.০৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন

তারাকান্দায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ২৯.০৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ - থানায় ভাইয়ের অভিযোগ

পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ - থানায় ভাইয়ের অভিযোগ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:- গাইবান্ধা সদর উপজেলার রিফাইতপুরে স্বামীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় বোনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত ও ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর ভাই।

অভিযোগকারী: মোঃ আব্দুল মালেক (৪২), পিতা- মৃত আবুল হোসেন, সাং- রিফাইতপুর, মধ্যপাড়া মসজিদ সংলগ্ন বটতলা, থানা ও জেলা- গাইবান্ধা।ভুক্তভোগী:মোছাঃ মোর্শেদা বেগম (২৬), অভিযোগকারীর বোন।

অভিযুক্তরা: ১। মোছাঃ খাতেজা বেগম (৩৮), স্বামী- মোঃ শামীম মিয়া.  ২। মোঃ শাকিল মিয়া (২১), ৩। মোঃ খোকন মিয়া (১৯)উভয়ের পিতা- মোঃ শামীম মিয়া

৪।স্বামী  মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪০), পিতা- মোঃ নইজল হক, স্বামী- ভুক্তভোগী মোর্শেদা বেগম। সকলের সাং- রিফাইতপুর নারিকেলতলা , থানা ও জেলা- গাইবান্ধা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসামী খাতেজা বেগমের পূর্বের স্বামীকে তালাক দিয়ে, স্বামীর ছোট ভাই শামিম কে দ্বিতীয় বিয়ে করে, স্বামী প্রবাসে থাকেন। তিনি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একইভাবে তিনি ভুক্তভোগীর স্বামী শফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন, যিনি ঢাকায় গ্যারেজ মিস্ত্রির কাজ করেন। বোন মোর্শেদা বেগম বাধা দিলে খাতেজা বেগম তার উপর ক্ষিপ্ত হন।

গত ইংরেজি ২৮/১০/২০২৬ তারিখ সকাল বেলা শফিকুল ইসলাম ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে কিছু না বলেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরদিন ২৯/১০/২০২৬ তারিখ দুপুর ১২.৩০ মিনিটের সময় মোর্শেদা বেগম স্বামী শফিকুলকে খুঁজতে খাতেজা বেগমের বাড়ির উঠানে দেখতে পেয়ে উক্ত বাড়িতে যান।

এ সময় আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মোর্শেদা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে আসামী খাতেজা বেগম মারমুখী হয়ে এবং অন্যান্য আসামীরা তাকে আটক করে এলোপাতাড়ি মারপিট করে।

অভিযোগে বলা হয়, খাতেজা বেগম তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মোর্শেদার মুখে আঘাত করলে নাক ফেটে রক্তাক্ত ও নিচের ঠোঁট ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আসামী শাকিল মিয়া বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথা, পিঠ, পা ও কোমরে আঘাত করে ফুলা জখম করে। খোকন মিয়া চুল টেনে ছিঁড়ে ফুলা জখম করে এবং পরনের জামা টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। মাটিতে পড়ে গেলে আসামীরা তার দুই পায়ের উরুতে, কোমরে এলোপাতাড়ি লাথি মেরে ফুলা জখম করে।

পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে ভাই আব্দুল মালেকসহ সাক্ষী ১। মোঃ মোকছেদ আলী, ২। মোছাঃ মরিয়ম বেগম, ৩। মোছাঃ নুরভানু বেগম, ৪। মোছাঃ সুলতানা বেগম, ৫। মোছাঃ মিনি বেগম আসামী শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে বোনকে অসুস্থ অবস্থায় দেখে হাসপাতালে নিতে চাইলে আসামীরা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ খুন-জখমের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

বর্তমানে ভুক্তভোগী অসুস্থ অবস্থায় আসামী শফিকুল ইসলামের বাড়িতে আটক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পরিবার।

ভুক্তভোগীর ভাই জানান, ইউপি সদস্যকে জানালে বিষয় টি আমলে না নিয়ে এড়িয়ে যায়, পরে স্থানীয়ভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি থানায় এসে অভিযোগ করেছেন। তিনি তার বোনকে উদ্ধারপূর্বক সুচিকিৎসা এবং আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ - থানায় ভাইয়ের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:- গাইবান্ধা সদর উপজেলার রিফাইতপুরে স্বামীর পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় বোনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত ও ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর ভাই।

অভিযোগকারী: মোঃ আব্দুল মালেক (৪২), পিতা- মৃত আবুল হোসেন, সাং- রিফাইতপুর, মধ্যপাড়া মসজিদ সংলগ্ন বটতলা, থানা ও জেলা- গাইবান্ধা।ভুক্তভোগী:মোছাঃ মোর্শেদা বেগম (২৬), অভিযোগকারীর বোন।

অভিযুক্তরা: ১। মোছাঃ খাতেজা বেগম (৩৮), স্বামী- মোঃ শামীম মিয়া.  ২। মোঃ শাকিল মিয়া (২১), ৩। মোঃ খোকন মিয়া (১৯)উভয়ের পিতা- মোঃ শামীম মিয়া

৪।স্বামী  মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪০), পিতা- মোঃ নইজল হক, স্বামী- ভুক্তভোগী মোর্শেদা বেগম। সকলের সাং- রিফাইতপুর নারিকেলতলা , থানা ও জেলা- গাইবান্ধা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসামী খাতেজা বেগমের পূর্বের স্বামীকে তালাক দিয়ে, স্বামীর ছোট ভাই শামিম কে দ্বিতীয় বিয়ে করে, স্বামী প্রবাসে থাকেন। তিনি মোবাইল ফোনে বিভিন্ন লোকের সাথে কথা বলে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একইভাবে তিনি ভুক্তভোগীর স্বামী শফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন, যিনি ঢাকায় গ্যারেজ মিস্ত্রির কাজ করেন। বোন মোর্শেদা বেগম বাধা দিলে খাতেজা বেগম তার উপর ক্ষিপ্ত হন।

গত ইংরেজি ২৮/১০/২০২৬ তারিখ সকাল বেলা শফিকুল ইসলাম ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে স্ত্রীকে কিছু না বলেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরদিন ২৯/১০/২০২৬ তারিখ দুপুর ১২.৩০ মিনিটের সময় মোর্শেদা বেগম স্বামী শফিকুলকে খুঁজতে খাতেজা বেগমের বাড়ির উঠানে দেখতে পেয়ে উক্ত বাড়িতে যান।

এ সময় আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মোর্শেদা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে আসামী খাতেজা বেগম মারমুখী হয়ে এবং অন্যান্য আসামীরা তাকে আটক করে এলোপাতাড়ি মারপিট করে।

অভিযোগে বলা হয়, খাতেজা বেগম তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মোর্শেদার মুখে আঘাত করলে নাক ফেটে রক্তাক্ত ও নিচের ঠোঁট ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। আসামী শাকিল মিয়া বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথা, পিঠ, পা ও কোমরে আঘাত করে ফুলা জখম করে। খোকন মিয়া চুল টেনে ছিঁড়ে ফুলা জখম করে এবং পরনের জামা টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। মাটিতে পড়ে গেলে আসামীরা তার দুই পায়ের উরুতে, কোমরে এলোপাতাড়ি লাথি মেরে ফুলা জখম করে।

পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে ভাই আব্দুল মালেকসহ সাক্ষী ১। মোঃ মোকছেদ আলী, ২। মোছাঃ মরিয়ম বেগম, ৩। মোছাঃ নুরভানু বেগম, ৪। মোছাঃ সুলতানা বেগম, ৫। মোছাঃ মিনি বেগম আসামী শফিকুলের বাড়িতে গিয়ে বোনকে অসুস্থ অবস্থায় দেখে হাসপাতালে নিতে চাইলে আসামীরা তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ খুন-জখমের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

বর্তমানে ভুক্তভোগী অসুস্থ অবস্থায় আসামী শফিকুল ইসলামের বাড়িতে আটক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পরিবার।

ভুক্তভোগীর ভাই জানান, ইউপি সদস্যকে জানালে বিষয় টি আমলে না নিয়ে এড়িয়ে যায়, পরে স্থানীয়ভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি থানায় এসে অভিযোগ করেছেন। তিনি তার বোনকে উদ্ধারপূর্বক সুচিকিৎসা এবং আসামীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ