নিকলীতে ৪ সন্তানের জননীর রহস্যজনক আত্মহত্যা
শফিকুল ইসলাম, নিকলী( কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের বড়কান্দা উত্তর হাটি গ্রামে চার সন্তানের জননী এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহকে আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের বড়কান্দা গ্রামের উত্তর হাটি এলাকায়। নিহত জোসনা বেগম (৪০) প্রবাসী গিয়াস উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরণ করার পর তিনি পারিবারিকভাবে কটিয়াদী উপজেলায় জোসনা বেগমকে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রীর ঘরে থাকা দুই কন্যা সন্তানের বিয়েও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনে জোসনা বেগমের সংসারে দুই ছেলে ও দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এলাকাবাসীর দাবি, বাহ্যিকভাবে তাদের সংসার জীবন স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ বলেই মনে হতো।
তবে কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের মতে, প্রায় তিন বছর আগে গিয়াস উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল জানান, “খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ আব্দুল মোতালিবকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ঘরের ধরণার সাথে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় জোসনা বেগমের মরদেহ রয়েছে। পরে থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।”
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমির হামজা জানান, মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে জেলা সদরে প্রেরন করেছেন। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।ঘটনাটি এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নিকলীতে ৪ সন্তানের জননীর রহস্যজনক আত্মহত্যা
শফিকুল ইসলাম, নিকলী( কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের বড়কান্দা উত্তর হাটি গ্রামে চার সন্তানের জননী এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহকে আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের বড়কান্দা গ্রামের উত্তর হাটি এলাকায়। নিহত জোসনা বেগম (৪০) প্রবাসী গিয়াস উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের প্রথম স্ত্রী মৃত্যুবরণ করার পর তিনি পারিবারিকভাবে কটিয়াদী উপজেলায় জোসনা বেগমকে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রীর ঘরে থাকা দুই কন্যা সন্তানের বিয়েও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনে জোসনা বেগমের সংসারে দুই ছেলে ও দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এলাকাবাসীর দাবি, বাহ্যিকভাবে তাদের সংসার জীবন স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ বলেই মনে হতো।
তবে কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের মতে, প্রায় তিন বছর আগে গিয়াস উদ্দিন বিদেশ থেকে দেশে ফিরে আসেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল জানান, “খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ আব্দুল মোতালিবকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ঘরের ধরণার সাথে গলায় উড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় জোসনা বেগমের মরদেহ রয়েছে। পরে থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।”
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমির হামজা জানান, মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে জেলা সদরে প্রেরন করেছেন। রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জের ধরেই এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।ঘটনাটি এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন