ডেইলি বাংল সংবাদ
আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে জমি সংক্রান্ত ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলন।

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে জমি সংক্রান্ত ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে বেকার যুবকদের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে বেকার যুবকদের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

গোবিন্দগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবা ও ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ ৪ জন গ্রেফতার

গোবিন্দগঞ্জে পৃথক অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবা ও ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ ৪ জন গ্রেফতার

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার,সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত  শতবর্ষী লাইব্রেরীটিতে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার মূল্যবান বই

প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত শতবর্ষী লাইব্রেরীটিতে সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার মূল্যবান বই

শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে হাড়িভাসা ইউপির উদ্যোগ, ১৭ বিদ্যালয়ে ফ্লোর ম্যাট প্রদান

শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে হাড়িভাসা ইউপির উদ্যোগ, ১৭ বিদ্যালয়ে ফ্লোর ম্যাট প্রদান

কালবৈশাখীর ঝড়ে হেলে পড়া গাছে ঝুঁকিপূর্ণ কাইটাইল-ফতেপুর সড়ক, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা

কালবৈশাখীর ঝড়ে হেলে পড়া গাছে ঝুঁকিপূর্ণ কাইটাইল-ফতেপুর সড়ক, চরম দুর্ভোগে পথচারীরা

গাইবান্ধায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

গাইবান্ধায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

ছাতকের দুর্ধর্ষ হারুন গ্রেপ্তার র‍্যাবের জালে ফজল মিয়া হত্যার প্রধান আসামি ​

ছাতকের দুর্ধর্ষ হারুন গ্রেপ্তার র‍্যাবের জালে ফজল মিয়া হত্যার প্রধান আসামি  ​

ছাতকের দুর্ধর্ষ হারুন গ্রেপ্তার র‍্যাবের জালে ফজল মিয়া হত্যার প্রধান আসামি

সুমন আহমদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে চাঞ্চল্যকর সমাজসেবক ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি এবং এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত হারুন মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোর ৪টায় সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের রাজানগর বাজার এলাকায় এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল মঙ্গলবার রাত থেকেই গোয়াইনঘাটের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। সারা রাত দুর্গম পাহাড়ি ও জঙ্গলবেষ্টিত এলাকায় ওত পেতে থাকার পর বুধবার ভোরে হারুনকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে তারা। র‍্যাবের অতর্কিত হানায় পালানোর কোনো সুযোগ পায়নি এই দুর্ধর্ষ অপরাধী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মসজিদের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধের জেরে ছাতকের নোয়াকুট গ্রামের সমাজসেবক ফজল মিয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই ১ নম্বর আসামি হারুন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এই ঘটনায় ছাতক থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হারুন গত ২০ বছর ধরে এলাকায় খুনের রাজনীতি, ডাকাতি ও লুটতরাজের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তার অপরাধের খতিয়ান দীর্ঘ ​২০০১ সালে চুরির ঘটনায় এক আসামিকে গ্রামবাসীর হাত থেকে ছাড়িয়ে নিতে হারুন বাহিনীর হামলায় জমির আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। হারুন ছিল সেই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। ​একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় ২০১১ সালে আদালত তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। দীর্ঘ সাজা খেটে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে জামিনে বেরিয়ে এসে সে আবারও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে।

হারুন গ্রেপ্তার হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নোয়াকুটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে মিষ্টি বিতরণ ও স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ময়না মিয়া বলেন, হারুন ছিল পুরো এলাকার জন্য একটি অভিশাপ। আমরা চাই এবার যেন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হয় যাতে সে আর আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে না পারে।

​র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে হারুনকে সংশ্লিষ্ট ছাতক থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাহিম জানান, প্রধান আসামি হারুনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের ধরতেও আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান  জানান:- ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। প্রধান আসামি হারুন অত্যন্ত চতুর ও দুর্ধর্ষ প্রকৃতির হওয়ায় সে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাব-৯ এর সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হারুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পেয়েছি যা মামলার তদন্তে বড় ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


ছাতকের দুর্ধর্ষ হারুন গ্রেপ্তার র‍্যাবের জালে ফজল মিয়া হত্যার প্রধান আসামি ​

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ছাতকের দুর্ধর্ষ হারুন গ্রেপ্তার র‍্যাবের জালে ফজল মিয়া হত্যার প্রধান আসামি

সুমন আহমদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ছাতকে চাঞ্চল্যকর সমাজসেবক ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি এবং এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত হারুন মিয়াকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোর ৪টায় সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের রাজানগর বাজার এলাকায় এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল মঙ্গলবার রাত থেকেই গোয়াইনঘাটের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। সারা রাত দুর্গম পাহাড়ি ও জঙ্গলবেষ্টিত এলাকায় ওত পেতে থাকার পর বুধবার ভোরে হারুনকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে তারা। র‍্যাবের অতর্কিত হানায় পালানোর কোনো সুযোগ পায়নি এই দুর্ধর্ষ অপরাধী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মসজিদের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধের জেরে ছাতকের নোয়াকুট গ্রামের সমাজসেবক ফজল মিয়াকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই ১ নম্বর আসামি হারুন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এই ঘটনায় ছাতক থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

অনুসন্ধানে জানা যায়, হারুন গত ২০ বছর ধরে এলাকায় খুনের রাজনীতি, ডাকাতি ও লুটতরাজের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তার অপরাধের খতিয়ান দীর্ঘ ​২০০১ সালে চুরির ঘটনায় এক আসামিকে গ্রামবাসীর হাত থেকে ছাড়িয়ে নিতে হারুন বাহিনীর হামলায় জমির আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। হারুন ছিল সেই মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। ​একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় ২০১১ সালে আদালত তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। দীর্ঘ সাজা খেটে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে জামিনে বেরিয়ে এসে সে আবারও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে।

হারুন গ্রেপ্তার হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নোয়াকুটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে মিষ্টি বিতরণ ও স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ময়না মিয়া বলেন, হারুন ছিল পুরো এলাকার জন্য একটি অভিশাপ। আমরা চাই এবার যেন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হয় যাতে সে আর আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে না পারে।

​র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে হারুনকে সংশ্লিষ্ট ছাতক থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাহিম জানান, প্রধান আসামি হারুনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের ধরতেও আমাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান  জানান:- ফজল মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। প্রধান আসামি হারুন অত্যন্ত চতুর ও দুর্ধর্ষ প্রকৃতির হওয়ায় সে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাব-৯ এর সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হারুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পেয়েছি যা মামলার তদন্তে বড় ভূমিকা রাখবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ