উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, হর ঘর তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও তিরঙ্গা উৎসব পালিত হল।
আজ ১৪ই আগস্ট শুক্রবার, ঠিক বিকেল চারটায়, কলকাতার ক্রেতা সুরক্ষা ভবনে অনুষ্ঠিত হলো, উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও হর ঘর তিরঙ্গা উৎসব। উদ্বোধন হলো উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের , মানুষকে সচেতন করার জন্য একটি ট্যাবলো। এই এই ট্যাবলো বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবে প্রতিদিন।
যাহাতে ক্রেতা নিজে না ঠকে, আর অন্য কেউ ঠকতে না দেয়, সকলকে সচেতনত রাখায় হলো সুরক্ষিত উপভোক্তা, যাহাতে কোনো সাধারণ মানুষ কোন কিছু কিনতে গিয়ে ঠকে না যায়। এবং ঠকার আগে বেশ কিছু তথ্য ও নিয়ম জেনে রাখা দরকার। এবং কোন কিছু কিনতে গেলে অতি অবশ্যই বিলটি সংগ্রহ করতে হবে।
আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খান, উপস্থিত ছিলেন কেতা সুরক্ষা দপ্তরের অফিসারগণেরা,
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিত্য মধ্য দিয়ে আজকের এই শোভাযাত্রার শুভ সূচনা হয়। পর সম্মানীয় অতিথিদের বরণ করে নেন।
বিভিন্ন স্কুল থেকে কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী আজকের এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে একটি করে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়া হয় এবং তাদের গায়ে একটি করে গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয়, ক্রেতা সুরক্ষার তরফ থেকে, সাধারণ মানুষ ও দোকানদারদের সচেতন করতেই ক্রেতা সুরক্ষাদপ্তর থেকে শোভাযাত্রা মির্জা গালিফ ট্রিট হয়ে, জাদুঘরের সামনে দিয়ে নিউমার্কেট হয়ে পুনরায় ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে শেষ করেন। এবং জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান সমাপ্তি করেন।
মাননীয় মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খান বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জী এবং মাননীয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা সারা ভারতবর্ষে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন, এবং ঘরে ঘরে যেন তিরঙ্গা পতাকা থাকে, এই প্রথম হর ঘর তিরঙ্গা সব পালিত হল, যাহা আগের সরকারের ১৫ বছরের রাজত্বে হয়নি, সারা বাংলার মানুষ এই তিরঙ্গা যাত্রায় সামিল হয়েছেন।, আমাদের পাশে থেকেছেন, 100 দিনের সরকার, প্রমাণ করে দিয়েছেন, আর পাঁচ বছর সরকারের হাতে রয়েছে, আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে যা যা কথা দিয়েছিলেন এগুলি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছেন, তবুও হয়তো কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি ঘটছে, আগামী দিনে সেগুলি নিশ্চয়ই সঠিক পথে চালিত হবে, সাধারণ মানুষ নিশ্চয়ই পাবেন।
আর ধন্যবাদ জানাবো বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের, যাহারা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে করে আজকের এই অনুষ্ঠানে এনেছেন, অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য করেছেন, ধন্যবাদ জানাবো মিডিয়া বন্ধুদের যাহারা আজকের অনুষ্ঠানটিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আগামী দিনে আরো নতুন কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই করবেন। সাধারণ মানুষ এই ভাবেই আগামী দিনেও এগিয়ে আসবেন।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, হর ঘর তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও তিরঙ্গা উৎসব পালিত হল।
আজ ১৪ই আগস্ট শুক্রবার, ঠিক বিকেল চারটায়, কলকাতার ক্রেতা সুরক্ষা ভবনে অনুষ্ঠিত হলো, উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও হর ঘর তিরঙ্গা উৎসব। উদ্বোধন হলো উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের , মানুষকে সচেতন করার জন্য একটি ট্যাবলো। এই এই ট্যাবলো বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবে প্রতিদিন।
যাহাতে ক্রেতা নিজে না ঠকে, আর অন্য কেউ ঠকতে না দেয়, সকলকে সচেতনত রাখায় হলো সুরক্ষিত উপভোক্তা, যাহাতে কোনো সাধারণ মানুষ কোন কিছু কিনতে গিয়ে ঠকে না যায়। এবং ঠকার আগে বেশ কিছু তথ্য ও নিয়ম জেনে রাখা দরকার। এবং কোন কিছু কিনতে গেলে অতি অবশ্যই বিলটি সংগ্রহ করতে হবে।
আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খান, উপস্থিত ছিলেন কেতা সুরক্ষা দপ্তরের অফিসারগণেরা,
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিত্য মধ্য দিয়ে আজকের এই শোভাযাত্রার শুভ সূচনা হয়। পর সম্মানীয় অতিথিদের বরণ করে নেন।
বিভিন্ন স্কুল থেকে কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী আজকের এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন, প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে একটি করে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়া হয় এবং তাদের গায়ে একটি করে গেঞ্জি তুলে দেওয়া হয়, ক্রেতা সুরক্ষার তরফ থেকে, সাধারণ মানুষ ও দোকানদারদের সচেতন করতেই ক্রেতা সুরক্ষাদপ্তর থেকে শোভাযাত্রা মির্জা গালিফ ট্রিট হয়ে, জাদুঘরের সামনে দিয়ে নিউমার্কেট হয়ে পুনরায় ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরে শেষ করেন। এবং জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান সমাপ্তি করেন।
মাননীয় মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খান বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জী এবং মাননীয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা সারা ভারতবর্ষে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন, এবং ঘরে ঘরে যেন তিরঙ্গা পতাকা থাকে, এই প্রথম হর ঘর তিরঙ্গা সব পালিত হল, যাহা আগের সরকারের ১৫ বছরের রাজত্বে হয়নি, সারা বাংলার মানুষ এই তিরঙ্গা যাত্রায় সামিল হয়েছেন।, আমাদের পাশে থেকেছেন, 100 দিনের সরকার, প্রমাণ করে দিয়েছেন, আর পাঁচ বছর সরকারের হাতে রয়েছে, আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, সাধারণ মানুষের পাশে থেকে যা যা কথা দিয়েছিলেন এগুলি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছেন, তবুও হয়তো কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি ঘটছে, আগামী দিনে সেগুলি নিশ্চয়ই সঠিক পথে চালিত হবে, সাধারণ মানুষ নিশ্চয়ই পাবেন।
আর ধন্যবাদ জানাবো বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের, যাহারা ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে করে আজকের এই অনুষ্ঠানে এনেছেন, অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য করেছেন, ধন্যবাদ জানাবো মিডিয়া বন্ধুদের যাহারা আজকের অনুষ্ঠানটিকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আগামী দিনে আরো নতুন কিছু গড়ে তোলার চেষ্টা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই করবেন। সাধারণ মানুষ এই ভাবেই আগামী দিনেও এগিয়ে আসবেন।

আপনার মতামত লিখুন