ডেইলি বাংল সংবাদ
Post Ads 1
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

কুড়িগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

Post Ads 7
বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

বারবার আবেদন, তবুও সংস্কার হয়নি রাস্তা: চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

ভেড়ামারায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ঠেকাতে মাঠে রয়েছেন বিএনপি

ভেড়ামারায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ঠেকাতে মাঠে রয়েছেন বিএনপি

আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন

আমতলীতে ডিজিটাল ভূমি জরিপে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, শতাধিক কৃষকের মানববন্ধন

মানিকগঞ্জে মাহিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন।

মানিকগঞ্জে মাহিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন।

দক্ষিণ রাউজানে প্রথমবারের মতো শ্রীশ্রী মা গঙ্গা পূজা ২৪ জুন  আগামীকাল

দক্ষিণ রাউজানে প্রথমবারের মতো শ্রীশ্রী মা গঙ্গা পূজা ২৪ জুন আগামীকাল

পঞ্চগড়ে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির মাতৃত্বকালীন ভাতা  ব্যাপক অনিয়ম  স্বজনপ্রীতি

পঞ্চগড়ে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির মাতৃত্বকালীন ভাতা ব্যাপক অনিয়ম স্বজনপ্রীতি

নবীনগরে জনদুর্ভোগ ও সামাজিক অবক্ষয় তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান -- ক্যাপ্টেন আহাদ

নবীনগরে জনদুর্ভোগ ও সামাজিক অবক্ষয় তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান -- ক্যাপ্টেন আহাদ

Post Ads 2

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো: গ্রামবাংলার সোনালি স্মৃতির ফিরে দেখা

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো: গ্রামবাংলার সোনালি স্মৃতির ফিরে দেখা
Post Ads 3

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো: গ্রামবাংলার সোনালি স্মৃতির ফিরে দেখা

Middle Post Content 1

মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন:গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: সময়ের স্রোতে ভেসে বদলে গেছে গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপ। প্রযুক্তি ও নগরায়নের প্রবল ঢেউয়ে আজকের গ্রাম যেন আর আগের সেই সহজ-সরল, প্রাণচঞ্চল গ্রাম নেই। মাত্র এক-দুই দশক আগেও যে গ্রামীণ জীবন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, আন্তরিকতা আর পারস্পরিক নির্ভরতায় ভরপুর—আজ তা অনেকটাই স্মৃতির পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।

Middle Post Content 2

একসময় ভোরের সূচনা হতো পাখির কলতান, মোরগের ডাকে আর গৃহস্থালির ব্যস্ততায়। কৃষকরা লাঙল-গরু নিয়ে মাঠে যেতেন, আর বাড়ির আঙিনায় চলতো ধান ভানা, চাল কুটা কিংবা শাকসবজি প্রস্তুতের কাজ। জীবন ছিল কষ্টসাধ্য, কিন্তু তাতে ছিল এক ধরনের প্রশান্তি ও তৃপ্তি—যা আজকের যান্ত্রিক জীবনে অনেকটাই অনুপস্থিত।

Middle Post Content 3

গ্রামের শৈশব ছিল নিখাদ আনন্দে ভরা। বিকেলের মাঠ মানেই ছিল প্রাণের উচ্ছ্বাস—হাডুডু, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, কানামাছি কিংবা লাঠিখেলা। আবার অনেকেই স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে গিয়ে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলায় মেতে উঠতো। হৈচৈ, দৌড়ঝাঁপ আর হাসির রোল যেন গ্রামজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে মা-বাবার বকুনি বা শিক্ষকের শাসন—সেই সময়ের শাসনও আজ মধুর স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে।

Middle Post Content 1

গ্রামীণ সংস্কৃতির আরেকটি অনন্য আকর্ষণ ছিল যাত্রাপালা—যা শুধু বিনোদন নয়, ছিল মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও সামাজিক মিলনের এক বিশাল ক্ষেত্র। গ্রামের খোলা মাঠে, বড় বটগাছের নিচে কিংবা হাটের পাশে মাঝে মাঝেই বসতো যাত্রার জমজমাট আসর। সন্ধ্যা গড়াতেই চারপাশের গ্রাম থেকে দল বেঁধে মানুষ ছুটে আসতো সেই আসরে। কারো হাতে লণ্ঠন, কারো হাতে কেরোসিনের বাতি—আলো-আঁধারের মধ্যে তৈরি হতো এক অন্যরকম আবহ।

Middle Post Content 1

অনেক কিশোর-যুবক আবার পরিবারের চোখ এড়িয়ে, চুপিচুপি যাত্রা দেখতে চলে যেত—কখনো বন্ধুদের সঙ্গে, কখনো একাই। গভীর রাত পর্যন্ত নাটকের সংলাপ, গান আর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে থাকতো তারা। যাত্রা শেষে কুয়াশা ভেজা ভোরে বা রাতের নিস্তব্ধতায় সবাই দল বেঁধে বাড়ির পথে হাঁটতো—মাঝে মাঝে হাসাহাসি, গল্প আর সেই রাতের স্মৃতি নিয়ে।

Middle Post Content 1

কিন্তু বাড়ি পৌঁছানোর পরই শুরু হতো আরেক দৃশ্য—অপেক্ষা করতো মা-বাবার বকুনি, কখনো দরজা বন্ধ পেয়ে বাইরে বসে থাকা, আবার কখনো নানা অজুহাত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা।

Middle Post Content 1

 তবুও এসবের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল এক অপূর্ব আনন্দ, এক নির্মল শৈশব, যা আজকের প্রজন্ম কেবল গল্পেই শুনে।পূর্বপুরুষদের জীবনধারা ছিল আরও সরল, কিন্তু গভীর মূল্যবোধে ভরা। তারা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতেন, পরিশ্রমকে জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতেন এবং একে অপরের প্রতি ছিল অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। 

Middle Post Content 1

গ্রামের কোনো সমস্যা মানেই সবাই মিলে সমাধান—কোনো পরিবার কষ্টে থাকলে অন্যরা এগিয়ে আসতো নিঃস্বার্থভাবে। মুরব্বিদের কথা ছিল অমূল্য, তাদের সিদ্ধান্তই ছিল সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

Middle Post Content 1

সন্ধ্যা নামলেই উঠোনভরা আড্ডা, গল্প বলা, লোককথা শোনা কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে জীবনের শিক্ষা নেওয়ার এক অপূর্ব পরিবেশ তৈরি হতো। কেরোসিনের বাতি বা হারিকেনের আলোয় চলতো পড়াশোনা—যেখানে স্বপ্ন ছিল বড়, কিন্তু চাওয়া ছিল সীমিত।

Middle Post Content 1

গ্রামের হাট-বাজার ছিল প্রাণের স্পন্দন। সপ্তাহে একদিন বসা সেই হাট ছিল শুধু কেনাবেচার স্থান নয়—ছিল সম্পর্ক গড়ে তোলার কেন্দ্র। কৃষিপণ্য, তাজা মাছ, দুধ, ঘি কিংবা হাতে তৈরি জিনিস—সবকিছুতেই ছিল দেশীয়তার গন্ধ।

Middle Post Content 1

তবে বর্তমান বাস্তবতা ভিন্ন। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে সহজ করলেও কেড়ে নিয়েছে অনেকটা সামাজিকতা। এখনকার শিশুরা মাঠের খেলায় নয়, বরং স্ক্রিনে ব্যস্ত। উঠোনভরা আড্ডা হারিয়ে গেছে, কমে গেছে প্রতিবেশীর সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক।

Middle Post Content 1

পরিবর্তন অনিবার্য—এটাই সময়ের দাবি। তবে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রায় যদি আমরা পূর্বপুরুষদের সেই মূল্যবোধ, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ঐতিহ্যকে ধারণ করতে পারি, তবেই গড়ে উঠবে একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ। 

Middle Post Content 1

গ্রামবাংলার সেই সোনালি দিনগুলো ফিরে না এলেও, তার শিক্ষা ও সৌন্দর্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬


হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো: গ্রামবাংলার সোনালি স্মৃতির ফিরে দেখা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো: গ্রামবাংলার সোনালি স্মৃতির ফিরে দেখা

মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন:গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: সময়ের স্রোতে ভেসে বদলে গেছে গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপ। প্রযুক্তি ও নগরায়নের প্রবল ঢেউয়ে আজকের গ্রাম যেন আর আগের সেই সহজ-সরল, প্রাণচঞ্চল গ্রাম নেই। মাত্র এক-দুই দশক আগেও যে গ্রামীণ জীবন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত, আন্তরিকতা আর পারস্পরিক নির্ভরতায় ভরপুর—আজ তা অনেকটাই স্মৃতির পাতায় ঠাঁই নিয়েছে।

একসময় ভোরের সূচনা হতো পাখির কলতান, মোরগের ডাকে আর গৃহস্থালির ব্যস্ততায়। কৃষকরা লাঙল-গরু নিয়ে মাঠে যেতেন, আর বাড়ির আঙিনায় চলতো ধান ভানা, চাল কুটা কিংবা শাকসবজি প্রস্তুতের কাজ। জীবন ছিল কষ্টসাধ্য, কিন্তু তাতে ছিল এক ধরনের প্রশান্তি ও তৃপ্তি—যা আজকের যান্ত্রিক জীবনে অনেকটাই অনুপস্থিত।

গ্রামের শৈশব ছিল নিখাদ আনন্দে ভরা। বিকেলের মাঠ মানেই ছিল প্রাণের উচ্ছ্বাস—হাডুডু, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, কানামাছি কিংবা লাঠিখেলা। আবার অনেকেই স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে গিয়ে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলায় মেতে উঠতো। হৈচৈ, দৌড়ঝাঁপ আর হাসির রোল যেন গ্রামজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে মা-বাবার বকুনি বা শিক্ষকের শাসন—সেই সময়ের শাসনও আজ মধুর স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে।

গ্রামীণ সংস্কৃতির আরেকটি অনন্য আকর্ষণ ছিল যাত্রাপালা—যা শুধু বিনোদন নয়, ছিল মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য ও সামাজিক মিলনের এক বিশাল ক্ষেত্র। গ্রামের খোলা মাঠে, বড় বটগাছের নিচে কিংবা হাটের পাশে মাঝে মাঝেই বসতো যাত্রার জমজমাট আসর। সন্ধ্যা গড়াতেই চারপাশের গ্রাম থেকে দল বেঁধে মানুষ ছুটে আসতো সেই আসরে। কারো হাতে লণ্ঠন, কারো হাতে কেরোসিনের বাতি—আলো-আঁধারের মধ্যে তৈরি হতো এক অন্যরকম আবহ।

অনেক কিশোর-যুবক আবার পরিবারের চোখ এড়িয়ে, চুপিচুপি যাত্রা দেখতে চলে যেত—কখনো বন্ধুদের সঙ্গে, কখনো একাই। গভীর রাত পর্যন্ত নাটকের সংলাপ, গান আর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে থাকতো তারা। যাত্রা শেষে কুয়াশা ভেজা ভোরে বা রাতের নিস্তব্ধতায় সবাই দল বেঁধে বাড়ির পথে হাঁটতো—মাঝে মাঝে হাসাহাসি, গল্প আর সেই রাতের স্মৃতি নিয়ে।

কিন্তু বাড়ি পৌঁছানোর পরই শুরু হতো আরেক দৃশ্য—অপেক্ষা করতো মা-বাবার বকুনি, কখনো দরজা বন্ধ পেয়ে বাইরে বসে থাকা, আবার কখনো নানা অজুহাত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা।

 তবুও এসবের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল এক অপূর্ব আনন্দ, এক নির্মল শৈশব, যা আজকের প্রজন্ম কেবল গল্পেই শুনে।পূর্বপুরুষদের জীবনধারা ছিল আরও সরল, কিন্তু গভীর মূল্যবোধে ভরা। তারা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতেন, পরিশ্রমকে জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতেন এবং একে অপরের প্রতি ছিল অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। 

গ্রামের কোনো সমস্যা মানেই সবাই মিলে সমাধান—কোনো পরিবার কষ্টে থাকলে অন্যরা এগিয়ে আসতো নিঃস্বার্থভাবে। মুরব্বিদের কথা ছিল অমূল্য, তাদের সিদ্ধান্তই ছিল সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

সন্ধ্যা নামলেই উঠোনভরা আড্ডা, গল্প বলা, লোককথা শোনা কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছ থেকে জীবনের শিক্ষা নেওয়ার এক অপূর্ব পরিবেশ তৈরি হতো। কেরোসিনের বাতি বা হারিকেনের আলোয় চলতো পড়াশোনা—যেখানে স্বপ্ন ছিল বড়, কিন্তু চাওয়া ছিল সীমিত।

গ্রামের হাট-বাজার ছিল প্রাণের স্পন্দন। সপ্তাহে একদিন বসা সেই হাট ছিল শুধু কেনাবেচার স্থান নয়—ছিল সম্পর্ক গড়ে তোলার কেন্দ্র। কৃষিপণ্য, তাজা মাছ, দুধ, ঘি কিংবা হাতে তৈরি জিনিস—সবকিছুতেই ছিল দেশীয়তার গন্ধ।

তবে বর্তমান বাস্তবতা ভিন্ন। স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে সহজ করলেও কেড়ে নিয়েছে অনেকটা সামাজিকতা। এখনকার শিশুরা মাঠের খেলায় নয়, বরং স্ক্রিনে ব্যস্ত। উঠোনভরা আড্ডা হারিয়ে গেছে, কমে গেছে প্রতিবেশীর সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক।

পরিবর্তন অনিবার্য—এটাই সময়ের দাবি। তবে উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রায় যদি আমরা পূর্বপুরুষদের সেই মূল্যবোধ, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ঐতিহ্যকে ধারণ করতে পারি, তবেই গড়ে উঠবে একটি সুস্থ ও মানবিক সমাজ। 

গ্রামবাংলার সেই সোনালি দিনগুলো ফিরে না এলেও, তার শিক্ষা ও সৌন্দর্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ