কদমতলীতে এতিম পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ রাতের আঁধারে রাস্তা নির্মাণ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা।
বিশেষ প্রতিনিধি:- রাজধানীর কদমতলী থানার মাতুয়াইল মেডিকেল সংলগ্ন শামীমবাগ এলাকায় একটি এতিম পরিবারের মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল তাদের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ তিন দিন আগে রাতের অন্ধকারে জমির ওপর রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
পরিবারটির অভিযোগ, এর আগেও গত ৫ আগস্টের পূর্বে অর্থের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের পক্ষ নিয়ে একই জমিতে জোর করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বর্তমানে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পলাতক পেট কাটা শামীমের সহযোগিতায় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী এ দখল কার্যক্রমে অংশ নেন।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ নাজিম আহসান খান রাব্বি বলেন, "আমরা বাবা-মা হারানো এতিম। এই জমিটুকুই আমাদের শেষ সম্বল। এটি রক্ষার জন্য আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অসহায় মানুষের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অভিযোগে যার নাম এসেছে, সেই পেট কাটা শামীমের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তিনি পলাতক থাকায় তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখিত অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা কতটুকু প্রমাণিত হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
কদমতলীতে এতিম পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ রাতের আঁধারে রাস্তা নির্মাণ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা।
বিশেষ প্রতিনিধি:- রাজধানীর কদমতলী থানার মাতুয়াইল মেডিকেল সংলগ্ন শামীমবাগ এলাকায় একটি এতিম পরিবারের মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল তাদের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ তিন দিন আগে রাতের অন্ধকারে জমির ওপর রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
পরিবারটির অভিযোগ, এর আগেও গত ৫ আগস্টের পূর্বে অর্থের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের পক্ষ নিয়ে একই জমিতে জোর করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বর্তমানে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পলাতক পেট কাটা শামীমের সহযোগিতায় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী এ দখল কার্যক্রমে অংশ নেন।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ নাজিম আহসান খান রাব্বি বলেন, "আমরা বাবা-মা হারানো এতিম। এই জমিটুকুই আমাদের শেষ সম্বল। এটি রক্ষার জন্য আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, অসহায় মানুষের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অভিযোগে যার নাম এসেছে, সেই পেট কাটা শামীমের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তিনি পলাতক থাকায় তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখিত অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা কতটুকু প্রমাণিত হয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

আপনার মতামত লিখুন