ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন

মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন

বিজয়নগরে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

বিজয়নগরে দেশ রূপান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

ওসমানীনগরে অনৈতিক কাজে নারী সহ ২ যুবক আটক

ওসমানীনগরে অনৈতিক কাজে নারী সহ ২ যুবক আটক

মাহান্ত পাড়া পাওয়ার হিটার্স  টিমকে ক্রিকেট ব্যাট উপহার প্রবাসী আসাদুজ্জামান বাচ্চু

মাহান্ত পাড়া পাওয়ার হিটার্স টিমকে ক্রিকেট ব্যাট উপহার প্রবাসী আসাদুজ্জামান বাচ্চু

সরিষাবাড়ীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ

সরিষাবাড়ীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ

খালিয়াজুরীতে বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

খালিয়াজুরীতে বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

নবনিযুক্ত উপাধ্যক্ষকে আজিজুল হক কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

নবনিযুক্ত উপাধ্যক্ষকে আজিজুল হক কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

সাংবাদিক নির্যাতনকারী কুখ্যাত আওয়ামীলিগ নেতা হারুন আবারো বেপরোয়া! সাংবাদিক সুলতানকে প্রাণে হত্যার চেষ্টায় তার পরিবার  নিরাপত্তাহীনতায়- থানায় মামলা

সাংবাদিক নির্যাতনকারী কুখ্যাত আওয়ামীলিগ নেতা হারুন আবারো বেপরোয়া! সাংবাদিক সুলতানকে প্রাণে হত্যার চেষ্টায় তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায়- থানায় মামলা

১৯৮২ সালে ১৭ জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী হত্যার প্রতিবাদে- মানবতা বাঁচাও দিবস পালন করলো।।

১৯৮২ সালে ১৭ জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী হত্যার প্রতিবাদে- মানবতা বাঁচাও দিবস পালন করলো।।

১৯৮২ সালে ১৭ জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী হত্যার প্রতিবাদে- মানবতা বাঁচাও দিবস পালন করলো।।

আজ ৩০শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার, কলকাতার বিজন সেতু উপর আনন্দ মার্গ সন্ন্যাস ও সন্ন্যাসিনীরা  ১৯৮২ সালের ৩০ শে এপ্রিল সন্ন্যাসী হত্যার বিচার চাইতে ও মানবতা বাঁচানোর দাবীতে মৌন মিছিল করে শোভা করলেন ও ধিক্কার জানালেন। ৪৪ বছরেও সন্ন্যাসী হত্যার বিচার না পেয়ে। আজ বিজন সেতুর উপরে সেই ছাত্র জন নিরপরাধ সন্ন্যাসীর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন....... সপ্তদশ দধীচি লহ প্রণাম। ,১৭টি মাটির কলসে  পুষ্পস্তবক সাজিয়ে ১৭ জনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন। 

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সন্ন্যাস ও সন্ন্যাসিনী এবং হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা প্রত্যেকেই মঞ্চে তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। প্রত্যেকের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠে আসে, সিপিএম সরকারের ব্যভিচার, জ্যোতি বসু ও বুদ্ধবাবুর অত্যাচারের কথা, তাহারা হার্মাদ বাহিনী ও গুন্ডা দিয়ে কিভাবে কলকাতার বুকে দিনে দুপুরে বিজন সেতু ও বন্ডেল গেটের সংযোগস্থলে সাতেরো জন সন্ন্যাসী এবং সন্ন্যাসিনীকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। কেন এই ১৭ জনকে প্রাণ দিতে হয়েছিল, কারণ তাদের অপরাধ তারা আনন্দমার্গী। তাই তাহাদেরকে কুপিয়ে পিটিয়ে ও কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে মেরেছিলেন। 

তাহারা বলেন শুধু বিজন সেতুতেই নয়, ১৯৬৭ সালে ৫ই মার্চ পুরুলিয়ার আনন্দ নগরে আনন্দমার্গের পাঁচ জন সন্ন্যাসীকে এরা খুন করেছিল, ১৯৬৯ সালে কোচবিহারে রবি সরকারকে,  ১৯৯০ সালে ২রা এপ্রিল আনন্দনগরে কৃষিবিজ্ঞানী অসীমনন্দ অবধূত সহ ৫ জনকে খুন করেছিলেন সিপিএমের হার্মাদরা। যাহারা এই ধরনের নক্কর  জনক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন, আজও তাদের বিচার হয়নি, 

অনেকের প্রশ্ন জাগতে পারে বারবার আনন্দমার্গীদের উপর কেন সিপিএম আক্রমণ চালিয়েছিল, এর প্রধান কারণ হচ্ছে আনন্দমার্গের অর্থনৈতিক দর্শন প্রাউট। মানুষের সামাজিক অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য প্রাউড প্রবক্তা শ্রী শ্রী আনন্দ মূর্তিজি পুঁজিবাদী ও মার্কসবাদকে খণ্ডন করে দিয়েছেন প্রাউট তত্তে। 

কম্যুনিস্টরা বুঝেছিলেন শ্রী শ্রী আনন্দ মূর্তির এই প্রাউট দর্শনের কথা যদি সাধারণ মানুষের কানে যায় তাহলে তারা কমিউনিজমকে আস্তাকুরে  ছুঁড়ে ফেলে প্রাউটকে গ্রহণ করবে। যাতে আনন্দ মারগরা করতে না পারে, সেজন্য আনন্দমারকে সিআইয়ের দালাল ,সমাজবিরোধী, জমি দখল কারী বলে  ও  দু দুবার আনন্দ নগরে  দশজনকে, কোচবিহারে একজন কে হত্যা করে  যখন আনন্দমার্গের গতিকে স্তব্ধ করতে পারছিল না, তখন আনন্দমার্গের বিরুদ্ধে ছেলেধরা গুজবব রটিয়ে বিজন সেতুতে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। কিন্তু তাতেও স্তব্ধ করতে পারেনি, আজ ১৮২ টি দেশে আনন্দমার্গ পথচলা শুরু করেছে।। 

কিন্তু সেই সময় কলকাতার তদানীন্তন পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত ২৪ পরগনার এসপি হত্যাকাণ্ডের পরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন কোথাও কোন ছেলে হারায়নি, কোথাও কোন ছেলে ধরা রিপোর্ট নাই ,কমিউনিস্টদের এই অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা বিরামহীন সংগ্রাম চালিয়ে সাধারণ মানুষের মন থেকে অনেকাংশে  কমিউনিজমের মহাভঙ্গ করতে পেরেছি।

কিন্তু যারা এবং যাদের দ্বারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ,সেই কমিউনিস্ট পার্টি আসতে আসতে মুছে যাচ্ছে, যাহারা সন্ন্যাসীদের গায়ে হাত দেয়, সেই রাজনৈতিক দল ভালো থাকতে পারে না, আপনারা দেখছেন সিপিএম কমিউনিস্ট ও কংগ্রেস প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে এসেছে।। 

আজ ৪৪ বছর ধরে আমরা ছাত্র জনের অতি শ্রদ্ধা জানিয়ে  আসছি একই জায়গায়, বিচার পেলেও আমরা ভুলবো না। কাচাই প্রকৃত সত্যের উদঘাটন হোক। 

কিন্তু দেখা যাচ্ছে একের পর এক রাজনৈতিক দল সরকার গড়ছে কিন্তু সঠিক বিচার ব্যবস্থা আজও হচ্ছে না ভেঙে পড়ছে। আমরা আশাবাদী একদিন সত্যের জয় হবেই, 


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


১৯৮২ সালে ১৭ জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী হত্যার প্রতিবাদে- মানবতা বাঁচাও দিবস পালন করলো।।

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

১৯৮২ সালে ১৭ জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী হত্যার প্রতিবাদে- মানবতা বাঁচাও দিবস পালন করলো।।

আজ ৩০শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার, কলকাতার বিজন সেতু উপর আনন্দ মার্গ সন্ন্যাস ও সন্ন্যাসিনীরা  ১৯৮২ সালের ৩০ শে এপ্রিল সন্ন্যাসী হত্যার বিচার চাইতে ও মানবতা বাঁচানোর দাবীতে মৌন মিছিল করে শোভা করলেন ও ধিক্কার জানালেন। ৪৪ বছরেও সন্ন্যাসী হত্যার বিচার না পেয়ে। আজ বিজন সেতুর উপরে সেই ছাত্র জন নিরপরাধ সন্ন্যাসীর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন....... সপ্তদশ দধীচি লহ প্রণাম। ,১৭টি মাটির কলসে  পুষ্পস্তবক সাজিয়ে ১৭ জনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন। 

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সন্ন্যাস ও সন্ন্যাসিনী এবং হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা প্রত্যেকেই মঞ্চে তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। প্রত্যেকের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উঠে আসে, সিপিএম সরকারের ব্যভিচার, জ্যোতি বসু ও বুদ্ধবাবুর অত্যাচারের কথা, তাহারা হার্মাদ বাহিনী ও গুন্ডা দিয়ে কিভাবে কলকাতার বুকে দিনে দুপুরে বিজন সেতু ও বন্ডেল গেটের সংযোগস্থলে সাতেরো জন সন্ন্যাসী এবং সন্ন্যাসিনীকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। কেন এই ১৭ জনকে প্রাণ দিতে হয়েছিল, কারণ তাদের অপরাধ তারা আনন্দমার্গী। তাই তাহাদেরকে কুপিয়ে পিটিয়ে ও কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে মেরেছিলেন। 

তাহারা বলেন শুধু বিজন সেতুতেই নয়, ১৯৬৭ সালে ৫ই মার্চ পুরুলিয়ার আনন্দ নগরে আনন্দমার্গের পাঁচ জন সন্ন্যাসীকে এরা খুন করেছিল, ১৯৬৯ সালে কোচবিহারে রবি সরকারকে,  ১৯৯০ সালে ২রা এপ্রিল আনন্দনগরে কৃষিবিজ্ঞানী অসীমনন্দ অবধূত সহ ৫ জনকে খুন করেছিলেন সিপিএমের হার্মাদরা। যাহারা এই ধরনের নক্কর  জনক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন, আজও তাদের বিচার হয়নি, 

অনেকের প্রশ্ন জাগতে পারে বারবার আনন্দমার্গীদের উপর কেন সিপিএম আক্রমণ চালিয়েছিল, এর প্রধান কারণ হচ্ছে আনন্দমার্গের অর্থনৈতিক দর্শন প্রাউট। মানুষের সামাজিক অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য প্রাউড প্রবক্তা শ্রী শ্রী আনন্দ মূর্তিজি পুঁজিবাদী ও মার্কসবাদকে খণ্ডন করে দিয়েছেন প্রাউট তত্তে। 

কম্যুনিস্টরা বুঝেছিলেন শ্রী শ্রী আনন্দ মূর্তির এই প্রাউট দর্শনের কথা যদি সাধারণ মানুষের কানে যায় তাহলে তারা কমিউনিজমকে আস্তাকুরে  ছুঁড়ে ফেলে প্রাউটকে গ্রহণ করবে। যাতে আনন্দ মারগরা করতে না পারে, সেজন্য আনন্দমারকে সিআইয়ের দালাল ,সমাজবিরোধী, জমি দখল কারী বলে  ও  দু দুবার আনন্দ নগরে  দশজনকে, কোচবিহারে একজন কে হত্যা করে  যখন আনন্দমার্গের গতিকে স্তব্ধ করতে পারছিল না, তখন আনন্দমার্গের বিরুদ্ধে ছেলেধরা গুজবব রটিয়ে বিজন সেতুতে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। কিন্তু তাতেও স্তব্ধ করতে পারেনি, আজ ১৮২ টি দেশে আনন্দমার্গ পথচলা শুরু করেছে।। 

কিন্তু সেই সময় কলকাতার তদানীন্তন পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত ২৪ পরগনার এসপি হত্যাকাণ্ডের পরে সাংবাদিকদের বলেছিলেন কোথাও কোন ছেলে হারায়নি, কোথাও কোন ছেলে ধরা রিপোর্ট নাই ,কমিউনিস্টদের এই অপপ্রচার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা বিরামহীন সংগ্রাম চালিয়ে সাধারণ মানুষের মন থেকে অনেকাংশে  কমিউনিজমের মহাভঙ্গ করতে পেরেছি।

কিন্তু যারা এবং যাদের দ্বারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ,সেই কমিউনিস্ট পার্টি আসতে আসতে মুছে যাচ্ছে, যাহারা সন্ন্যাসীদের গায়ে হাত দেয়, সেই রাজনৈতিক দল ভালো থাকতে পারে না, আপনারা দেখছেন সিপিএম কমিউনিস্ট ও কংগ্রেস প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে এসেছে।। 

আজ ৪৪ বছর ধরে আমরা ছাত্র জনের অতি শ্রদ্ধা জানিয়ে  আসছি একই জায়গায়, বিচার পেলেও আমরা ভুলবো না। কাচাই প্রকৃত সত্যের উদঘাটন হোক। 

কিন্তু দেখা যাচ্ছে একের পর এক রাজনৈতিক দল সরকার গড়ছে কিন্তু সঠিক বিচার ব্যবস্থা আজও হচ্ছে না ভেঙে পড়ছে। আমরা আশাবাদী একদিন সত্যের জয় হবেই, 




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ