ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ০৩ মে ২০২৬

পীরগঞ্জের মাছ ধরার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ও জরিমানা।

পীরগঞ্জের মাছ ধরার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ও জরিমানা।

গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের আয়োজনে  চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বরে পরিবেশ সচেতনতায় লিফলেট ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের আয়োজনে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বরে পরিবেশ সচেতনতায় লিফলেট ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

হাটহাজারীতে এলজিইডির ১ সড়ক প্রকল্পেই ভূমি মালিকের ২০ লাখ টাকার ক্ষতি!

হাটহাজারীতে এলজিইডির ১ সড়ক প্রকল্পেই ভূমি মালিকের ২০ লাখ টাকার ক্ষতি!

বিশ্বনাথে সিডস অব সাদাকাহ’র দুই শেল্টার প্রজেক্টের উদ্বোধন।

বিশ্বনাথে সিডস অব সাদাকাহ’র দুই শেল্টার প্রজেক্টের উদ্বোধন।

প্রথম দিনে পরীক্ষা শেষে জয়পাড়া কলেজ গেটে অভিভাবকদের ভিড়, সড়কে প্রকট যানজট

প্রথম দিনে পরীক্ষা শেষে জয়পাড়া কলেজ গেটে অভিভাবকদের ভিড়, সড়কে প্রকট যানজট

পটুয়াখালী বিএনপিকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বার্তা: গ্রুপিংয়ের অবসান ঘটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হোন

পটুয়াখালী বিএনপিকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বার্তা: গ্রুপিংয়ের অবসান ঘটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হোন

আশ্রাফপুরে চেয়ারম্যান পদের দৌড়ে আলোচনায় শিক্ষিত মুখ এম. আবু ফয়েজ

আশ্রাফপুরে চেয়ারম্যান পদের দৌড়ে আলোচনায় শিক্ষিত মুখ এম. আবু ফয়েজ

কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান: ঢাকা থেকে চুরি হওয়া পর্যটন বোট পটুয়াখালীতে উদ্ধার

কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযান: ঢাকা থেকে চুরি হওয়া পর্যটন বোট পটুয়াখালীতে উদ্ধার

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বুক চিরে এক সময় যে স্বচ্ছ জলধারা বয়ে যেত, আজ তা দুর্গন্ধ আর বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের প্রাণ হিসেবে পরিচিত আলাই নদ এখন এলাকাবাসীর জন্য ‘মরণফাঁদ’।

জেলা -উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ২০  কিলোমিটার দীর্ঘ আলাই নদ একসময় যমুনার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল। কাটাখালী নদীর সঙ্গে মিলে এই জনপদকে শীতল ও সজীব রাখত। কিন্তু গত এক দশকে সংস্কারের অভাবে নদের অস্তিত্ব আজ বিপন্ন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, নদের দুই পাড়ের সব ড্রেনের ময়লা ও বর্জ্য সরাসরি নদে গিয়ে পড়ছে। পানির রং কালচে, দুর্গন্ধ এত তীব্র যে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও দায়। দুই পাড়ের হাজারো বাসিন্দা জানান, দুর্গন্ধে ঘরে টেকা যাচ্ছে না। ব্যবহারের তো প্রশ্নই ওঠে না।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ বছর ধরে কচুরিপানায় নদীটি সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। এক বিন্দু ফাঁকা পানি দেখার উপায় নেই। জমে থাকা এই কচুরিপানাই হয়ে উঠেছে মশার প্রজননক্ষেত্র। দিনদুপুরেও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ শিশু থেকে বৃদ্ধ। 

বাদিয়াখালী বাজারের ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, “ঘরে ঘরে জ্বর, ডেঙ্গুর ভয়। কর্তৃপক্ষ না ছিটায় মশার ওষুধ, না পরিষ্কার করে কচুরিপানা। আমরা কোথায় যাব?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল সংস্কার ও পরিষ্কারের জন্য প্রতি বছর বরাদ্দ আসে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় যায়, কেউ জানে না। নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের প্রশ্ন— যাদের সেবার জন্য প্রশাসন, তারা কেন নীরব?”

 ইউপি সদস্য মোঃ জবেদ আলী বলেন, আলাই নদ বাঁচলে বাদিয়াখালী বাঁচবে। এটি শুধু জলাধার নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের মূল মাধ্যম।”এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে নদ পুনঃখনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, কচুরিপানা ও সকল আবর্জনা অপসারণ, জরুরি ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম চালু  

দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শুধু নাম থাকবে কিন্তু নদী থাকবেনা, এক সময়ের শান্ত-শীতল এই নদী কেবল দুর্গন্ধময় ড্রেন হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে— এমনটাই আশঙ্কা করছেন বাদিয়াখালীবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

মরণফাঁদে পরিণত বাদিয়াখালীর আলাই নদ,প্রাণ থেকে মরণফাঁদ, বাঁচাবে কে?

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বুক চিরে এক সময় যে স্বচ্ছ জলধারা বয়ে যেত, আজ তা দুর্গন্ধ আর বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের প্রাণ হিসেবে পরিচিত আলাই নদ এখন এলাকাবাসীর জন্য ‘মরণফাঁদ’।

জেলা -উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ২০  কিলোমিটার দীর্ঘ আলাই নদ একসময় যমুনার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল। কাটাখালী নদীর সঙ্গে মিলে এই জনপদকে শীতল ও সজীব রাখত। কিন্তু গত এক দশকে সংস্কারের অভাবে নদের অস্তিত্ব আজ বিপন্ন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, নদের দুই পাড়ের সব ড্রেনের ময়লা ও বর্জ্য সরাসরি নদে গিয়ে পড়ছে। পানির রং কালচে, দুর্গন্ধ এত তীব্র যে পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়াও দায়। দুই পাড়ের হাজারো বাসিন্দা জানান, দুর্গন্ধে ঘরে টেকা যাচ্ছে না। ব্যবহারের তো প্রশ্নই ওঠে না।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ বছর ধরে কচুরিপানায় নদীটি সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। এক বিন্দু ফাঁকা পানি দেখার উপায় নেই। জমে থাকা এই কচুরিপানাই হয়ে উঠেছে মশার প্রজননক্ষেত্র। দিনদুপুরেও মশার কামড়ে অতিষ্ঠ শিশু থেকে বৃদ্ধ। 

বাদিয়াখালী বাজারের ব্যবসায়ী আনারুল ইসলাম বলেন, “ঘরে ঘরে জ্বর, ডেঙ্গুর ভয়। কর্তৃপক্ষ না ছিটায় মশার ওষুধ, না পরিষ্কার করে কচুরিপানা। আমরা কোথায় যাব?

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল সংস্কার ও পরিষ্কারের জন্য প্রতি বছর বরাদ্দ আসে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় যায়, কেউ জানে না। নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের প্রশ্ন— যাদের সেবার জন্য প্রশাসন, তারা কেন নীরব?”

 ইউপি সদস্য মোঃ জবেদ আলী বলেন, আলাই নদ বাঁচলে বাদিয়াখালী বাঁচবে। এটি শুধু জলাধার নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের মূল মাধ্যম।”এলাকাবাসীর দাবি অবিলম্বে নদ পুনঃখনন করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা, কচুরিপানা ও সকল আবর্জনা অপসারণ, জরুরি ভিত্তিতে মশক নিধন কার্যক্রম চালু  

দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে শুধু নাম থাকবে কিন্তু নদী থাকবেনা, এক সময়ের শান্ত-শীতল এই নদী কেবল দুর্গন্ধময় ড্রেন হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় থেকে যাবে— এমনটাই আশঙ্কা করছেন বাদিয়াখালীবাসী।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ