কুমিল্লার কালির বাজারে রাস্তা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাসীর ওপর হামলা,
নারীকে শ্লীলতাহানী ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ,
শাহাদাত কামাল শাকিল:- কুমিল্লা সদর উপজেলার ১নং কালির বাজার ইউনিয়নের সৈয়দপুর বেজবাড়ী কাজী বাড়ীতে রাস্তা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ০৭/০৭ ২০২৬ইং তারিখ দুপুর ১২ ঘটিকায় হামলা ভাংচুর ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত এক প্রবাসীসহ ২ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর বেজবাড়ী কাজী বাড়ীর মৃত কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে কাজী শাহ আলম, কাজী মিজানুর রহমান, কাজী মাকসুদুল হক ও কাজী মোস্তফার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামী করা হয়।
বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাইয়ের সম্পত্তি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে আসামীদের সাথে তাদের মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে ঘটনার দিন বাদী তার অসুস্থ মা আয়েশা আক্তারকে দেখতে পিত্রালয়ে যান। এসময় আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে বাদীর ভাই কাজী ওমর ফারুকের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ১নং আসামী কাজী শাহ আলম রড দিয়ে ওমর ফারুকের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ২নং আসামী গলা চেপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ৩নং ও ৪নং আসামী লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে।
এসময় বাদী এগিয়ে গেলে ২ ও ৪নং আসামী তাকে কিল-ঘুষি মারে এবং গলা থেকে ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। এছাড়া আসামীরা বাদীর কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। শোর-চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা বাদীর বসতঘরে ঢুকে আলমারী, শোকেসসহ প্রায় ১ লাখ টাকার মালামাল ভাংচুর করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় কাজী ওমর ফারুককে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ৫ মাস পূর্বে ছুটিতে দেশে আসেন।
এ ঘটনায় গত ১৯/০৭/২০২৬ইং তারিখে সে নিজে বাদী হয়ে ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৩৫৪/৩০৭/৪২৭/৫০৬/৩৪ ধারায় কোতয়ালী মডেল থানা আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার স্বাক্ষী হিসেবে কাজী ওমর ফারুক, কাজী মামুন, আয়েশা আক্তার, কাজী জুয়েল ও কাজী নুরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী বলেন, আদালতের নিকট আমি আমার মামলার সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি, এবং আসামীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি কামনা করছি।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার কালির বাজারে রাস্তা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাসীর ওপর হামলা,
নারীকে শ্লীলতাহানী ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ,
শাহাদাত কামাল শাকিল:- কুমিল্লা সদর উপজেলার ১নং কালির বাজার ইউনিয়নের সৈয়দপুর বেজবাড়ী কাজী বাড়ীতে রাস্তা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ০৭/০৭ ২০২৬ইং তারিখ দুপুর ১২ ঘটিকায় হামলা ভাংচুর ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত এক প্রবাসীসহ ২ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাদীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর বেজবাড়ী কাজী বাড়ীর মৃত কাজী খলিলুর রহমানের ছেলে কাজী শাহ আলম, কাজী মিজানুর রহমান, কাজী মাকসুদুল হক ও কাজী মোস্তফার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে আসামী করা হয়।
বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ভাইয়ের সম্পত্তি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে আসামীদের সাথে তাদের মনোমালিন্য চলছিল। এরই জেরে ঘটনার দিন বাদী তার অসুস্থ মা আয়েশা আক্তারকে দেখতে পিত্রালয়ে যান। এসময় আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে বাদীর ভাই কাজী ওমর ফারুকের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ১নং আসামী কাজী শাহ আলম রড দিয়ে ওমর ফারুকের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ২নং আসামী গলা চেপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ৩নং ও ৪নং আসামী লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাকে গুরুতর জখম করে।
এসময় বাদী এগিয়ে গেলে ২ ও ৪নং আসামী তাকে কিল-ঘুষি মারে এবং গলা থেকে ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। এছাড়া আসামীরা বাদীর কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। শোর-চিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা বাদীর বসতঘরে ঢুকে আলমারী, শোকেসসহ প্রায় ১ লাখ টাকার মালামাল ভাংচুর করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় কাজী ওমর ফারুককে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ৫ মাস পূর্বে ছুটিতে দেশে আসেন।
এ ঘটনায় গত ১৯/০৭/২০২৬ইং তারিখে সে নিজে বাদী হয়ে ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৭৯/৩৫৪/৩০৭/৪২৭/৫০৬/৩৪ ধারায় কোতয়ালী মডেল থানা আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার স্বাক্ষী হিসেবে কাজী ওমর ফারুক, কাজী মামুন, আয়েশা আক্তার, কাজী জুয়েল ও কাজী নুরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী বলেন, আদালতের নিকট আমি আমার মামলার সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি, এবং আসামীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন