ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

১৫–২০ বার অনুরোধের পরও সাড়া মেলেনি: পীরগাছায় আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

১৫–২০ বার অনুরোধের পরও সাড়া মেলেনি: পীরগাছায় আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

১৫–২০ বার অনুরোধের পরও সাড়া মেলেনি: পীরগাছায় আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পবিত্র ঝাড় হাজির পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার সকালেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান ও সবুর ইসলামের পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, ফ্রিজ, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, একটি মোটরসাইকেলসহ প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি ছাগল ও হাঁস-মুরগি ভস্মীভূত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তারা ফায়ার সার্ভিসে ১৫ থেকে ২০ বার ফোন করলেও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা ঘটনাস্থলে যেতে “আটকে পড়ে” এবং যোগাযোগ সমস্যার কারণে বিলম্ব ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলছেন, এমন জরুরি মুহূর্তে একাধিকবার যোগাযোগের পরও দেরিতে সাড়া দেওয়া কতটা গ্রহণযোগ্য এবং এটি সেবার মান ও দায়িত্বশীলতার বড় প্রশ্ন তুলে ধরছে।

এদিকে আগুনে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, পুনর্বাসন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬


১৫–২০ বার অনুরোধের পরও সাড়া মেলেনি: পীরগাছায় আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

১৫–২০ বার অনুরোধের পরও সাড়া মেলেনি: পীরগাছায় আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই, ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পবিত্র ঝাড় হাজির পাড়া এলাকায় মঙ্গলবার সকালেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান ও সবুর ইসলামের পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, ফ্রিজ, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, একটি মোটরসাইকেলসহ প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি ছাগল ও হাঁস-মুরগি ভস্মীভূত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তারা ফায়ার সার্ভিসে ১৫ থেকে ২০ বার ফোন করলেও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা ঘটনাস্থলে যেতে “আটকে পড়ে” এবং যোগাযোগ সমস্যার কারণে বিলম্ব ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলছেন, এমন জরুরি মুহূর্তে একাধিকবার যোগাযোগের পরও দেরিতে সাড়া দেওয়া কতটা গ্রহণযোগ্য এবং এটি সেবার মান ও দায়িত্বশীলতার বড় প্রশ্ন তুলে ধরছে।

এদিকে আগুনে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা, পুনর্বাসন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।





ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ