সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করেছে
মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহ বিভাগের চলতি বোরো সংগ্রহ/২০২৫-২৬ মৌসুমে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও সর্বশেষ অগ্রগতি বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (০৫ মে) বিভাগীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপনন অধিদপ্তর এবং আঞ্চলিক তথ্য অফিস এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: আশরাফুল আলম চলমান ২০২৫-২৬ মৌসুমে ময়মনসিংহ বিভাগের ধান, চাল ও গমের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাধারণ কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ময়মনসিংহের চার জেলায় মোট ৭০ হাজার ৭৪৩ মেট্রিক টন ধান এবং ১ লাখ ৯৪ হাজার ১৬৫ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছ। এছাড়াও ৫৫৩ মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। চাল সংগ্রহের সময়সীমা হাওর অঞ্চলে ০৩ মে থেকে এবং অন্যান্য অঞ্চলসমূহে ১৫মে ২০২৬ খ্রি: থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি: পর্যন্ত। ধান এবং গম সংগ্রহ ০৩ মে থেকে শুরু হয়েছে। এতে ধানের সংগ্রহ মূল্য প্রতি কেজি ৩৬ (ছত্রিশ) টাকা, সিদ্ধ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৯ ( ঊনপঞ্চাশ) টাকা এবং গম ৩৬ (ছত্রিশ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৩টি উপজেলায় 'কৃষকের অ্যাপ' এর মাধ্যমে ধান ক্রয় করা হবে। পাশাপাশি 'ডিজিটাল চালকল ব্যবস্থাপনা' এর মাধ্যমে নির্বাচিত উপজেলাসমূহ যেমন ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলপুর, নেত্রকোনা সদর, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর, মদন, জামালপুর সদর, শেরপুর সদর ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় সফটওয়্যারের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা হবে।
সভাপতি বলেন, ধান উৎপাদনে সারাদেশে প্রথম স্থানে ময়মনসিংহ। ধান, চাল ও গম সংগ্রহে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী যাতে শতভাগ অর্জন করা যায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে স্বচ্ছতার সহিত ধান চাল সংগ্রহ করুন। 'কৃষকের অ্যাপ ও ডিজিটাল চালকল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার' ব্যবহার সম্পর্কে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ কৃষকরা যাতে সিন্ডিকেট ও হয়রানির শিকার না হয়। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করেছে
মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহ বিভাগের চলতি বোরো সংগ্রহ/২০২৫-২৬ মৌসুমে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও সর্বশেষ অগ্রগতি বিষয়ে আজ মঙ্গলবার (০৫ মে) বিভাগীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপনন অধিদপ্তর এবং আঞ্চলিক তথ্য অফিস এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: আশরাফুল আলম চলমান ২০২৫-২৬ মৌসুমে ময়মনসিংহ বিভাগের ধান, চাল ও গমের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাধারণ কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ শুরু করেছে। চলতি বোরো মৌসুমে ময়মনসিংহের চার জেলায় মোট ৭০ হাজার ৭৪৩ মেট্রিক টন ধান এবং ১ লাখ ৯৪ হাজার ১৬৫ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছ। এছাড়াও ৫৫৩ মেট্রিক টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। চাল সংগ্রহের সময়সীমা হাওর অঞ্চলে ০৩ মে থেকে এবং অন্যান্য অঞ্চলসমূহে ১৫মে ২০২৬ খ্রি: থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি: পর্যন্ত। ধান এবং গম সংগ্রহ ০৩ মে থেকে শুরু হয়েছে। এতে ধানের সংগ্রহ মূল্য প্রতি কেজি ৩৬ (ছত্রিশ) টাকা, সিদ্ধ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৯ ( ঊনপঞ্চাশ) টাকা এবং গম ৩৬ (ছত্রিশ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৩টি উপজেলায় 'কৃষকের অ্যাপ' এর মাধ্যমে ধান ক্রয় করা হবে। পাশাপাশি 'ডিজিটাল চালকল ব্যবস্থাপনা' এর মাধ্যমে নির্বাচিত উপজেলাসমূহ যেমন ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলপুর, নেত্রকোনা সদর, মোহনগঞ্জ, দুর্গাপুর, মদন, জামালপুর সদর, শেরপুর সদর ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় সফটওয়্যারের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা হবে।
সভাপতি বলেন, ধান উৎপাদনে সারাদেশে প্রথম স্থানে ময়মনসিংহ। ধান, চাল ও গম সংগ্রহে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী যাতে শতভাগ অর্জন করা যায় সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে স্বচ্ছতার সহিত ধান চাল সংগ্রহ করুন। 'কৃষকের অ্যাপ ও ডিজিটাল চালকল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার' ব্যবহার সম্পর্কে কৃষকদের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সাধারণ কৃষকরা যাতে সিন্ডিকেট ও হয়রানির শিকার না হয়। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন