ফুলবাড়ীতে ল-ম্পট কর্তৃক ১১ বছরের শিশুকে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা,ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা...
দিনাজপুর প্রতিনিধি মোঃ হারুনুর রশিদ:- দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর শিবনগর ইউপি'র দাদপুর মৌজার মালি পাড়ায় ৫৮ বছরের ল-ম্পট দয়াল ওরফে ভন্ডের লালসার শিকার হয়েছে ১১ বছরের এক শিশু।সে এখন ছয় মাসের অন্তঃসত্তা।সে নিজে শিশু হয়ে তার পেটে বহন করছে একটি শিশুকে।
চিকিৎসকরা বলছেন,এই অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির জীবন অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।অথচ এরকম একটি সেনসিটিভ ঘটনা দুই শতক জমি আর দেড় লাখ টাকা দেনমোহরে রফা-দফা করল স্থানীয়রা।অবশ্য এর বিনিময়ে মাতব্বররাও খেয়েছে দেড় লক্ষ টাকা।
শুধু কি তাই!শাকিব নামে একজন ব্যক্তি তাদের বিয়েও পড়িয়েছে।ঘটনাটির প্রায় অর্ধমাস অতিক্রান্ত হয়েছে।ভিকটিম ছদ্মনাম কণা'র সাথে কথা হলে সে জানায়,ওই ব্যক্তি(দয়াল)ওরফে ভন্ড ভয়-ভীতি দেখিয়ে সন্ধ্যায় তাকে ভুট্টা খেতে নিয়ে তার সাথে প্রথম খারাপ কাজ করে।এভাবে আরও ৩ বার চেতনা নাশক কিছু খাইয়ে ওই ভুট্টা খেতেই তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে।সে আরো জানায়,তার পেটের এই অনাগত সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর কালপিট দয়ালের সন্তান দয়ালকেই ফিরিয়ে দেবে।সে আক্ষেপ করে বলে,তার উপর যে অন্যায় হয়েছে এটার সে বিচার চেয়েও বিচার পায়নি।এজন্য সে আল্লাহর কাছে সব ছেড়ে দিয়েছে।
যত সময় যাচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির শারীরিক অবস্থার তত পরিবর্তন হচ্ছে।এই ভিকটিম শিশুর মা একজন চাতাল শ্রমিক-বাবা ভিক্ষুক।
মুঠো ফোনে কথা হয় এই অবৈধ বিয়ের কাজি শাকিবের সাথে,তিনি জানান-ওই এলাকায় আমি কাজ করি।তবে এই কাজটা আমি করেছি কিনা একটু দেখতে হবে।
এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে সরজমিনে ঘটনাটি জানতে কালপিট দয়ালের মুখোমুখি হতে গেলে সে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত নিলে তারা জানান,এই অন্তঃসত্ত্বা শিশুটিকে এখনই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলির হেফাজতে নেওয়া উচিত।সে একমাত্র সুস্থ থাকতে পারে উন্নত চিকিৎসা সেবায়।এই উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়ার সামর্থ্য এই ফকির পরিবারটির নেই।আল্লাহ না করুক এই ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিশুটি যদি মৃত্যুবরণ করে এর দায় রাষ্ট্রও এড়াতে পারে না।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ফুলবাড়ীতে ল-ম্পট কর্তৃক ১১ বছরের শিশুকে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা,ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা...
দিনাজপুর প্রতিনিধি মোঃ হারুনুর রশিদ:- দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর শিবনগর ইউপি'র দাদপুর মৌজার মালি পাড়ায় ৫৮ বছরের ল-ম্পট দয়াল ওরফে ভন্ডের লালসার শিকার হয়েছে ১১ বছরের এক শিশু।সে এখন ছয় মাসের অন্তঃসত্তা।সে নিজে শিশু হয়ে তার পেটে বহন করছে একটি শিশুকে।
চিকিৎসকরা বলছেন,এই অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির জীবন অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।অথচ এরকম একটি সেনসিটিভ ঘটনা দুই শতক জমি আর দেড় লাখ টাকা দেনমোহরে রফা-দফা করল স্থানীয়রা।অবশ্য এর বিনিময়ে মাতব্বররাও খেয়েছে দেড় লক্ষ টাকা।
শুধু কি তাই!শাকিব নামে একজন ব্যক্তি তাদের বিয়েও পড়িয়েছে।ঘটনাটির প্রায় অর্ধমাস অতিক্রান্ত হয়েছে।ভিকটিম ছদ্মনাম কণা'র সাথে কথা হলে সে জানায়,ওই ব্যক্তি(দয়াল)ওরফে ভন্ড ভয়-ভীতি দেখিয়ে সন্ধ্যায় তাকে ভুট্টা খেতে নিয়ে তার সাথে প্রথম খারাপ কাজ করে।এভাবে আরও ৩ বার চেতনা নাশক কিছু খাইয়ে ওই ভুট্টা খেতেই তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে।সে আরো জানায়,তার পেটের এই অনাগত সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর কালপিট দয়ালের সন্তান দয়ালকেই ফিরিয়ে দেবে।সে আক্ষেপ করে বলে,তার উপর যে অন্যায় হয়েছে এটার সে বিচার চেয়েও বিচার পায়নি।এজন্য সে আল্লাহর কাছে সব ছেড়ে দিয়েছে।
যত সময় যাচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির শারীরিক অবস্থার তত পরিবর্তন হচ্ছে।এই ভিকটিম শিশুর মা একজন চাতাল শ্রমিক-বাবা ভিক্ষুক।
মুঠো ফোনে কথা হয় এই অবৈধ বিয়ের কাজি শাকিবের সাথে,তিনি জানান-ওই এলাকায় আমি কাজ করি।তবে এই কাজটা আমি করেছি কিনা একটু দেখতে হবে।
এদিকে গতকাল বুধবার বিকেলে সরজমিনে ঘটনাটি জানতে কালপিট দয়ালের মুখোমুখি হতে গেলে সে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত নিলে তারা জানান,এই অন্তঃসত্ত্বা শিশুটিকে এখনই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলির হেফাজতে নেওয়া উচিত।সে একমাত্র সুস্থ থাকতে পারে উন্নত চিকিৎসা সেবায়।এই উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়ার সামর্থ্য এই ফকির পরিবারটির নেই।আল্লাহ না করুক এই ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিশুটি যদি মৃত্যুবরণ করে এর দায় রাষ্ট্রও এড়াতে পারে না।

আপনার মতামত লিখুন