পটুয়াখালীতে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি: মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রুপা উদ্ধার
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বড় বিঘাই ইউনিয়নের কেওয়াবুনিয়া এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানের টিনের চাল কেটে চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনার মূল হোতা মোঃ সোহেল হাওলাদার এবং চোরাই মাল ক্রয়কারী মোঃ আজাহার আলীসহ মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ ও ৮২ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, গত ১২ মার্চ ২০২৬ দিবাগত রাতে কেওয়াবুনিয়া এলাকার ‘লোকনাথ জুয়েলার্স’ নামক দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র দোকানের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৫০ ভরি রুপার অলংকার এবং ক্যাশ বক্স থেকে নগদ ২৮,৭০০ টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় দোকানের মালিক সঞ্জয় কর্মকার বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিল পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ (বিপিএম সেবা)-এর দিকনির্দেশনায় সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গত ১ মে পটুয়াখালী এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ সোহেল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঢাকার কাফরুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই মাল ক্রয়কারী আসামি মোঃ আজাহার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে স্বর্ণের আংটি, কানের রিং, নাকফুল ও গলানো স্বর্ণসহ মোট ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ এবং ৮২ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বাংলা দা ও একটি হাত করাত জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, সংবাদ প্রাপ্তির পর থেকেই একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। প্রধান আসামি চুরির দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এই ঘটনার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সহায়তাকারী জড়িত আছে কিনা তা নিরূপণে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
পটুয়াখালীতে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি: মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ-রুপা উদ্ধার
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বড় বিঘাই ইউনিয়নের কেওয়াবুনিয়া এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানের টিনের চাল কেটে চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনার মূল হোতা মোঃ সোহেল হাওলাদার এবং চোরাই মাল ক্রয়কারী মোঃ আজাহার আলীসহ মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ ও ৮২ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, গত ১২ মার্চ ২০২৬ দিবাগত রাতে কেওয়াবুনিয়া এলাকার ‘লোকনাথ জুয়েলার্স’ নামক দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র দোকানের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, ১৫০ ভরি রুপার অলংকার এবং ক্যাশ বক্স থেকে নগদ ২৮,৭০০ টাকা নিয়ে যায়। এই ঘটনায় দোকানের মালিক সঞ্জয় কর্মকার বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিল পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ (বিপিএম সেবা)-এর দিকনির্দেশনায় সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে গত ১ মে পটুয়াখালী এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ সোহেল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঢাকার কাফরুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই মাল ক্রয়কারী আসামি মোঃ আজাহার আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে স্বর্ণের আংটি, কানের রিং, নাকফুল ও গলানো স্বর্ণসহ মোট ২ ভরি ৪ আনা স্বর্ণ এবং ৮২ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি বাংলা দা ও একটি হাত করাত জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম সজল বলেন, সংবাদ প্রাপ্তির পর থেকেই একাধিক টিম সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। প্রধান আসামি চুরির দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এই ঘটনার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সহায়তাকারী জড়িত আছে কিনা তা নিরূপণে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন