ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১৭ মে ২০২৬

চবিতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জাতীয় স্বার্থ ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যের ডাক

চবিতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জাতীয় স্বার্থ ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যের ডাক

আজ আমার আদ্রিয়ান খান (আদনান) এর প্রথম  শুভ জন্মদিন।

আজ আমার আদ্রিয়ান খান (আদনান) এর প্রথম শুভ জন্মদিন।

মদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

মদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার

হাওড়ার লিলুয়ায় মনসা কলোনিতে অবৈধ মদ ও বিয়ার উদ্ধার আটক টারজেন।

হাওড়ার লিলুয়ায় মনসা কলোনিতে অবৈধ মদ ও বিয়ার উদ্ধার আটক টারজেন।

পীরগাছায় চলাচলের পথ বন্ধ: অবরুদ্ধ পরিবারের পাশে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি

পীরগাছায় চলাচলের পথ বন্ধ: অবরুদ্ধ পরিবারের পাশে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি

যশোরের কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’

যশোরের কেশবপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’

বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আহমেদ পারভেজকে সংবর্ধনা।

বিশ্বনাথ মডেল প্রেসক্লাবে সাবেক কোষাধ্যক্ষ আহমেদ পারভেজকে সংবর্ধনা।

সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

**জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :** ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়কের ধুপাখোলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের ধীরগতির কাজের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘ তিন বছরেও ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত ৭টি ইউনিয়নের মানুষের জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৫টি ব্রিজসহ পুরো সড়কের কাজ শেষ হলেও ধুপাখোলা ব্রিজটির নির্মাণ কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ব্রিজটির প্রায় ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় পাশের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট বেহাল বিকল্প রাস্তা দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। শুষ্ক মৌসুমে ওই স্থানে ছিল বালুর স্তূপ, আর বর্ষা শুরু হওয়ার পর সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে কাদায় একাকার হয়ে পড়ছে পুরো রাস্তা। এতে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ছে এবং প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত পাঁচ মাসে কয়েকবার নামমাত্র বালু ও কংক্রিট ফেলে রাস্তাটি সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করা হয়নি। নিম্নমানের কার্পেটিং ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ ইতোমধ্যে ভাঙতে শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্তমান কাজের গতি অব্যাহত থাকলে ব্রিজটির অবশিষ্ট কাজ শেষ হতে আরও কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। এদিকে ব্রিজ নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই সড়কটি আবারও সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন গণমাধ্যম একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসীর দাবি, ব্রিজ নির্মাণে যত সময়ই লাগুক না কেন, অন্তত জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ২৫০-৩০০ ফুট ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি কার্পেটিং করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদার সাগরে পরিণত হচ্ছে সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়ক

**জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :** ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়কের ধুপাখোলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের ধীরগতির কাজের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘ তিন বছরেও ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত ৭টি ইউনিয়নের মানুষের জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৫টি ব্রিজসহ পুরো সড়কের কাজ শেষ হলেও ধুপাখোলা ব্রিজটির নির্মাণ কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ব্রিজটির প্রায় ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় পাশের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট বেহাল বিকল্প রাস্তা দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। শুষ্ক মৌসুমে ওই স্থানে ছিল বালুর স্তূপ, আর বর্ষা শুরু হওয়ার পর সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে কাদায় একাকার হয়ে পড়ছে পুরো রাস্তা। এতে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ছে এবং প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত পাঁচ মাসে কয়েকবার নামমাত্র বালু ও কংক্রিট ফেলে রাস্তাটি সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করা হয়নি। নিম্নমানের কার্পেটিং ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ ইতোমধ্যে ভাঙতে শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্তমান কাজের গতি অব্যাহত থাকলে ব্রিজটির অবশিষ্ট কাজ শেষ হতে আরও কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। এদিকে ব্রিজ নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই সড়কটি আবারও সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন গণমাধ্যম একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসীর দাবি, ব্রিজ নির্মাণে যত সময়ই লাগুক না কেন, অন্তত জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ২৫০-৩০০ ফুট ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি কার্পেটিং করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ