সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
সিলেট প্রতিনিধি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে সিলেট মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গলের উদ্যোগে এবং সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছায় রক্তদাতা অংশগ্রহণ করেন। মানবসেবার অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে রক্তদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খান, সেফটি সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন মুহিবুর রহমান শুয়াইব, মুক্তার হোসেন মান্না, নবজাগরণ স্বেচ্ছাসেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, খানুয়া ব্লাড সংস্থার সভাপতি শাহজাহান আহমদ শাহান, জাবেদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাবেদ আহমদ, সেফটি সোশ্যাল অর্গানাইজেশনর কাউসার আহমদ, ইব্রাহিম নীল, সহানুভূতি স্থাপত্য ফাউন্ডেশনর সভাপতি এস এম শরীফ, নবপ্রজন্ম ব্লাড ফাউন্ডেশনর প্রতিনিধি মাইশা মালিহা, ফ্রেন্ডস ব্লাড ডোনেশনর প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হাসান নাঈমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খান বলেন, “স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক ইবাদত। একজন রক্তদাতার কয়েক মিনিটের সময় ও এক ব্যাগ রক্ত একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে। তাই সমাজের প্রতিটি সুস্থ মানুষকে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে।”
মুহিবুর রহমান শুয়াইব বলেন, “রক্তের কোনো কৃত্রিম বিকল্প নেই। নিরাপদ রক্ত নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ভূমিকা অপরিসীম। তরুণদের মানবতার কল্যাণে এগিয়ে এসে নিয়মিত রক্তদানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল মানবসেবার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, নিরাপদ রক্ত সংগ্রহে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
সিলেট প্রতিনিধি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে সিলেট মুজিব জাহান রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গলের উদ্যোগে এবং সিলেট স্বেচ্ছাসেবী প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সংলগ্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছায় রক্তদাতা অংশগ্রহণ করেন। মানবসেবার অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে রক্তদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খান, সেফটি সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন মুহিবুর রহমান শুয়াইব, মুক্তার হোসেন মান্না, নবজাগরণ স্বেচ্ছাসেবা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, খানুয়া ব্লাড সংস্থার সভাপতি শাহজাহান আহমদ শাহান, জাবেদ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাবেদ আহমদ, সেফটি সোশ্যাল অর্গানাইজেশনর কাউসার আহমদ, ইব্রাহিম নীল, সহানুভূতি স্থাপত্য ফাউন্ডেশনর সভাপতি এস এম শরীফ, নবপ্রজন্ম ব্লাড ফাউন্ডেশনর প্রতিনিধি মাইশা মালিহা, ফ্রেন্ডস ব্লাড ডোনেশনর প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হাসান নাঈমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে মাওলানা মুফতী ছালিম আহমদ খান বলেন, “স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক ইবাদত। একজন রক্তদাতার কয়েক মিনিটের সময় ও এক ব্যাগ রক্ত একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে। তাই সমাজের প্রতিটি সুস্থ মানুষকে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে।”
মুহিবুর রহমান শুয়াইব বলেন, “রক্তের কোনো কৃত্রিম বিকল্প নেই। নিরাপদ রক্ত নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ভূমিকা অপরিসীম। তরুণদের মানবতার কল্যাণে এগিয়ে এসে নিয়মিত রক্তদানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল মানবসেবার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া, নিরাপদ রক্ত সংগ্রহে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

আপনার মতামত লিখুন