ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নবীগঞ্জে ৩সন্তানের জনক রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধূমড়জাল! নিহতের স্ত্রী সন্তান আত্মগোপনে!

নবীগঞ্জে ৩সন্তানের জনক রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধূমড়জাল! নিহতের স্ত্রী সন্তান আত্মগোপনে!

নবীগঞ্জে ৩সন্তানের জনক রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধূমড়জাল! নিহতের স্ত্রী সন্তান আত্মগোপনে!

 নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:- নবীগঞ্জ উপজেলার ৬নং কুর্শী ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামে দুলাল মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করা হলেও অভিযুক্ত কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। 

স্থানীয় সূত্র ও মৃত দুলাল মিয়ার স্ত্রী জানান, গত সোমবার দুলাল মিয়ার স্ত্রী তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে সাহায্যের জন্য গেলে বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। দুলাল মিয়া তাঁর ভাইয়ের স্ত্রী তসিবা বেগমের কাছে স্ত্রীর অবস্থান জানতে চাইলে তসিবা সঠিক বলে আমি জানিনা। একথা নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয় ঘটনা ঘটে।

এ হত্যা নিয়ে আরো অভিযোগ উঠেছে যে, এই ঘটনার জেরে ওই রাতেই তসিবা বেগমের স্বামী ও সন্তানরা ঘুমন্ত অবস্থায় দুলাল মিয়াকে বেধরক মারপিট করে। পরদিন মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুলাল মিয়ার কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তার আত্মীয় স্বজনরা ডাকাডাকি শুরু করে কোন সারাশব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে দুলাল মিয়ার ভাতিজারা ঘরের পেছনের টিন কেটে ঘরে ভেতরে ডুকে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ও প্রশাসনের মধ্যে ধূমড়জাল সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, পুলিশ আসার আগেই রহস্যজনক ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার মরাদেহ মাটিতে নামিয়ে দেয়! এ ঘটনার প্রশাসন সহ সচেতন মহলের লোকজনের মধ্যে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

এ ব্যাপারে নিহত দুলাল মিয়ার স্ত্রী তসিবা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে তাঁর ভাই ও ভাতিজারাই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। এ ঘটনার পর থেকে আমি আমার সন্তানদের নিয়ে প্রাণ ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছি। তবে, তসিবা বেগম ঝগড়া বা মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। নিহত দুলাল মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম এর পুত্র। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর তিন সন্তানের জনক।

এ ব্যাপারে পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোনায়েম মিয়ার নির্দেশে এসআই এ.কে.এম মনজুরুল এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। 

এ বিষয়ে থানার এসআই মনজুরুল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচন করা হবে। বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে বলেও তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


নবীগঞ্জে ৩সন্তানের জনক রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধূমড়জাল! নিহতের স্ত্রী সন্তান আত্মগোপনে!

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

নবীগঞ্জে ৩সন্তানের জনক রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে ধূমড়জাল! নিহতের স্ত্রী সন্তান আত্মগোপনে!

 নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:- নবীগঞ্জ উপজেলার ৬নং কুর্শী ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামে দুলাল মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করা হলেও অভিযুক্ত কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। 

স্থানীয় সূত্র ও মৃত দুলাল মিয়ার স্ত্রী জানান, গত সোমবার দুলাল মিয়ার স্ত্রী তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে সাহায্যের জন্য গেলে বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। দুলাল মিয়া তাঁর ভাইয়ের স্ত্রী তসিবা বেগমের কাছে স্ত্রীর অবস্থান জানতে চাইলে তসিবা সঠিক বলে আমি জানিনা। একথা নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয় ঘটনা ঘটে।

এ হত্যা নিয়ে আরো অভিযোগ উঠেছে যে, এই ঘটনার জেরে ওই রাতেই তসিবা বেগমের স্বামী ও সন্তানরা ঘুমন্ত অবস্থায় দুলাল মিয়াকে বেধরক মারপিট করে। পরদিন মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুলাল মিয়ার কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তার আত্মীয় স্বজনরা ডাকাডাকি শুরু করে কোন সারাশব্দ না পেয়ে এক পর্যায়ে দুলাল মিয়ার ভাতিজারা ঘরের পেছনের টিন কেটে ঘরে ভেতরে ডুকে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ও প্রশাসনের মধ্যে ধূমড়জাল সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, পুলিশ আসার আগেই রহস্যজনক ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার মরাদেহ মাটিতে নামিয়ে দেয়! এ ঘটনার প্রশাসন সহ সচেতন মহলের লোকজনের মধ্যে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

এ ব্যাপারে নিহত দুলাল মিয়ার স্ত্রী তসিবা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে তাঁর ভাই ও ভাতিজারাই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। এ ঘটনার পর থেকে আমি আমার সন্তানদের নিয়ে প্রাণ ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছি। তবে, তসিবা বেগম ঝগড়া বা মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। নিহত দুলাল মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের এনাতাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম এর পুত্র। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর তিন সন্তানের জনক।

এ ব্যাপারে পুলিশ সূত্রে জানাযায়, ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোনায়েম মিয়ার নির্দেশে এসআই এ.কে.এম মনজুরুল এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। 

এ বিষয়ে থানার এসআই মনজুরুল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর আসল রহস্য উন্মোচন করা হবে। বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে বলেও তিনি জানান।



ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ