ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সাভারে শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাভারে শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে প্রবাসীর বাড়িতে গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: গৃহকর্তা আহত, আটক ২

ধামরাইয়ে প্রবাসীর বাড়িতে গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: গৃহকর্তা আহত, আটক ২

প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের

প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের

একটি সড়কের জন্য থমকে আছে হাজারো মানুষের জীবনযাত্রা নরসিংপুর-রগারপাড় বালিউরা সড়ক পিচ উঠে জেগেছে গর্ত, বৃষ্টি হলেই মরণফাঁদ'

একটি সড়কের জন্য থমকে আছে হাজারো মানুষের জীবনযাত্রা নরসিংপুর-রগারপাড় বালিউরা সড়ক পিচ উঠে জেগেছে গর্ত, বৃষ্টি হলেই মরণফাঁদ'

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে পঞ্চগড়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে পঞ্চগড়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে,  পৌরসভা হচ্ছে  বারহাট্টা উপজেলা

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে, পৌরসভা হচ্ছে বারহাট্টা উপজেলা

কটিয়াদীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কটিয়াদীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বোদায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, উপকৃত ৫ হাজার ৮৯০ কৃষক

বোদায় ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, উপকৃত ৫ হাজার ৮৯০ কৃষক

পঞ্চগড়ে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মাওলানা আরাফাতের সংবাদ সম্মেলন

পঞ্চগড়ে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মাওলানা আরাফাতের সংবাদ সম্মেলন

পঞ্চগড়ে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মাওলানা আরাফাতের সংবাদ সম্মেলন

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:- পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার খোলাফায়ে রাশেদীন ও আটোয়ারী উপজেলার কালমেঘ জান্নাতবাগ মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ আরাফাত সরকারের বিরুদ্ধে হজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে বোদা পৌর এলাকার খোলাফায়ে রাশেদীন মাদ্রাসার অফিস কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আরাফাত সরকার বাদী মোঃ হাসিবুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের গত সোমবার (১৮ মে) বোদা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রচারিত ‘অসত্য তথ্যের’ জবাব দেন।

উল্লেখ্য, আরাফাত সরকার বেশ কয়েকটি সেবামূলক ফাউন্ডেশন ও প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক, দায়িত্বশীল ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত সরকার স্পষ্ট জানান, তিনি কোনো মোয়াল্লেম নন। গত বছর মার্চে (২০১৫ সালের মার্চ) হাসিবুল ইসলাম ও জমির আলী ওমরাহ করার পরামর্শ নিতে এলে তিনি শুধু পরামর্শ দেন যে টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে এজেন্সির অ্যাকাউন্টে জমা দিতে, যেন প্রমাণ থাকে।

আরাফাত সরকার জানান, তার পরামর্শ অনুযায়ী আনোয়ার হোসেন (আল-হেরা এন্টারপ্রাইজ) ১ লাখ টাকা সরাসরি সফিকস ওভারসিজের ইসলামী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করেন (TID: ৭১২৫০৩১৫০০৪০০৯, তারিখ: ১৭/০৩/২০২৫)। পরবর্তীতে আরও টাকা পাঠানো হয় (TID: ৭১২৫০৩১৭০০৬৯৫৭; দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট নম্বর: A/e N=20501790106342415)। তবে টাকা নেওয়ার পর সফিকস ওভারসিজ টিকিট প্রসেসিংয়ে টালবাহানা করলে এবং রমজানে বায়োমেটিক না হওয়ায় টিকিট না পেয়ে তিনি হাজী খালিদ হাসানের মাধ্যমে হজ পরিচালক পর্যন্ত বিষয়টি পৌঁছান। হজ পরিচালকের তলব পড়ে এজেন্সির ‘টনক নড়ে’ এবং তারা ১৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে টিকিট প্রেরণ করে।টিকিট পাওয়ার পর হাসিবুল ইসলাম আরাফাত সরকারকে জানান, তিনি নিজ উদ্যোগে হজের টাকা জমা দিয়েছিলেন। তাই তিনি ওমরাহ না করে হজে যেতে চান। আরাফাত সরকার তাকে বারবার ওমরাহ করতেও বলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। সে কারণে আরাফাত সরকার হাফেজ মোঃ আজিজুর রহমানকে হাসিবুল ইসলামের জায়গায় ওমরাহ করতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এজন্য এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে টিকিটের নাম পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। 

আজিজুর রহমান সফলভাবে ওমরাহ পালন করেন। আরাফাত সরকার জানান, পরবর্তীতে তিনি কৌশলে এজেন্সির কাছে থাকে বাদীর দেওয়া টাকা বাদীর ছেলে বাবুলের হাতে নগদ ১ লাখ টাকা ফেরত দেন। সাক্ষী হিসেবে মাসুম বিল্লাহ উপস্থিত আছেন। বাকি ৬০ হাজার টাকা আদালতের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। তিনি আরো বলেন,  “আমি ওই টাকার একটাও পয়সা খাইনি, আত্মসাৎও করিনি। অথচ বাদী মিথ্যা মামলা করে একজন আলেমকে হয়রানি করছেন। তার কাছে একটি কাগজের প্রমাণও নেই যে তিনি আমাকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন। আরাফাত সরকার অভিযোগ করেন, ১৮ মে বোদা প্রেসক্লাবে বাদী হাসিবুল ইসলাম দাবি করেন যে তিনি টাকা আমার বাসায় জমা দিয়েছেন।

 অথচ প্রকৃতপক্ষে টাকা দেওয়া হয় বোদা বাজারের আলমগীর আহম্মেদের দোকানে, যেখানে সাক্ষী ও দোকান মালিক এখনো জীবিত। বাদীর ছেলে রুবেল ইসলাম ওই সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত সরকারকে ‘কমিশনভোগী এজেন্ট হিসেবে কাজ করা দালাল’ বলে অভিহিত করেন। আরাফাত সরকার এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে বলেন, “আমি কখনো কমিশন গ্রহণ করিনি বা দালালি করিনি। এটি আমার চরিত্রহানির অপচেষ্টা।” হাজী আব্দুল ওয়াহহাব ভাইয়ের নামে অপপ্রচার প্রসঙ্গে আরাফাত সরকার বলেন, “ওয়াহহাব ভাই আমার বিরুদ্ধে কিছু বলেননি; বরং তিনি আমাকে ‘ভালো মানুষ’ বলেছেন। তিনি সুকৌশলে অন্যদের কথার প্রসঙ্গ তুলে যা বলেছেন, তা মূলত তার ভুল বোঝাবুঝি।

 পরে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি আমাকে প্রতিপক্ষের ধোকাবাজি সম্পর্কে অবগত করেন।” তিনি আরও জানান, বোদার ইত্তেহাদুল উলামার কাছে ওয়াহহাব ভাই ফোন করে স্পষ্ট বলেছেন, “আরাফাত একজন ভালো মানুষ, বিরোধী দল পেছনে লেগে তার প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে চায়।” ওয়াহহাব ভাইয়ের ছেলের কাছে এ বিষয়ে কল রেকর্ড আছে বলে দাবি করেন আরাফাত সরকার। তিনি মিথ্যাচার কারীদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার পরামর্শ দেন। সংবাদ সম্মেলনের শেষে আরাফাত সরকার তিনটি দাবি জানান: তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে, সফিকস ওভারসিজের মালিক সফিকুল ইসলামকে দ্রুত আইনের আওয়তায় আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


পঞ্চগড়ে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মাওলানা আরাফাতের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মাওলানা আরাফাতের সংবাদ সম্মেলন

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:- পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার খোলাফায়ে রাশেদীন ও আটোয়ারী উপজেলার কালমেঘ জান্নাতবাগ মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ আরাফাত সরকারের বিরুদ্ধে হজের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে বোদা পৌর এলাকার খোলাফায়ে রাশেদীন মাদ্রাসার অফিস কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আরাফাত সরকার বাদী মোঃ হাসিবুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের গত সোমবার (১৮ মে) বোদা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রচারিত ‘অসত্য তথ্যের’ জবাব দেন।

উল্লেখ্য, আরাফাত সরকার বেশ কয়েকটি সেবামূলক ফাউন্ডেশন ও প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক, দায়িত্বশীল ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত সরকার স্পষ্ট জানান, তিনি কোনো মোয়াল্লেম নন। গত বছর মার্চে (২০১৫ সালের মার্চ) হাসিবুল ইসলাম ও জমির আলী ওমরাহ করার পরামর্শ নিতে এলে তিনি শুধু পরামর্শ দেন যে টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে এজেন্সির অ্যাকাউন্টে জমা দিতে, যেন প্রমাণ থাকে।

আরাফাত সরকার জানান, তার পরামর্শ অনুযায়ী আনোয়ার হোসেন (আল-হেরা এন্টারপ্রাইজ) ১ লাখ টাকা সরাসরি সফিকস ওভারসিজের ইসলামী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ করেন (TID: ৭১২৫০৩১৫০০৪০০৯, তারিখ: ১৭/০৩/২০২৫)। পরবর্তীতে আরও টাকা পাঠানো হয় (TID: ৭১২৫০৩১৭০০৬৯৫৭; দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট নম্বর: A/e N=20501790106342415)। তবে টাকা নেওয়ার পর সফিকস ওভারসিজ টিকিট প্রসেসিংয়ে টালবাহানা করলে এবং রমজানে বায়োমেটিক না হওয়ায় টিকিট না পেয়ে তিনি হাজী খালিদ হাসানের মাধ্যমে হজ পরিচালক পর্যন্ত বিষয়টি পৌঁছান। হজ পরিচালকের তলব পড়ে এজেন্সির ‘টনক নড়ে’ এবং তারা ১৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে টিকিট প্রেরণ করে।টিকিট পাওয়ার পর হাসিবুল ইসলাম আরাফাত সরকারকে জানান, তিনি নিজ উদ্যোগে হজের টাকা জমা দিয়েছিলেন। তাই তিনি ওমরাহ না করে হজে যেতে চান। আরাফাত সরকার তাকে বারবার ওমরাহ করতেও বলেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। সে কারণে আরাফাত সরকার হাফেজ মোঃ আজিজুর রহমানকে হাসিবুল ইসলামের জায়গায় ওমরাহ করতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এজন্য এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে টিকিটের নাম পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। 

আজিজুর রহমান সফলভাবে ওমরাহ পালন করেন। আরাফাত সরকার জানান, পরবর্তীতে তিনি কৌশলে এজেন্সির কাছে থাকে বাদীর দেওয়া টাকা বাদীর ছেলে বাবুলের হাতে নগদ ১ লাখ টাকা ফেরত দেন। সাক্ষী হিসেবে মাসুম বিল্লাহ উপস্থিত আছেন। বাকি ৬০ হাজার টাকা আদালতের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। তিনি আরো বলেন,  “আমি ওই টাকার একটাও পয়সা খাইনি, আত্মসাৎও করিনি। অথচ বাদী মিথ্যা মামলা করে একজন আলেমকে হয়রানি করছেন। তার কাছে একটি কাগজের প্রমাণও নেই যে তিনি আমাকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন। আরাফাত সরকার অভিযোগ করেন, ১৮ মে বোদা প্রেসক্লাবে বাদী হাসিবুল ইসলাম দাবি করেন যে তিনি টাকা আমার বাসায় জমা দিয়েছেন।

 অথচ প্রকৃতপক্ষে টাকা দেওয়া হয় বোদা বাজারের আলমগীর আহম্মেদের দোকানে, যেখানে সাক্ষী ও দোকান মালিক এখনো জীবিত। বাদীর ছেলে রুবেল ইসলাম ওই সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত সরকারকে ‘কমিশনভোগী এজেন্ট হিসেবে কাজ করা দালাল’ বলে অভিহিত করেন। আরাফাত সরকার এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে বলেন, “আমি কখনো কমিশন গ্রহণ করিনি বা দালালি করিনি। এটি আমার চরিত্রহানির অপচেষ্টা।” হাজী আব্দুল ওয়াহহাব ভাইয়ের নামে অপপ্রচার প্রসঙ্গে আরাফাত সরকার বলেন, “ওয়াহহাব ভাই আমার বিরুদ্ধে কিছু বলেননি; বরং তিনি আমাকে ‘ভালো মানুষ’ বলেছেন। তিনি সুকৌশলে অন্যদের কথার প্রসঙ্গ তুলে যা বলেছেন, তা মূলত তার ভুল বোঝাবুঝি।

 পরে তার সঙ্গে কথা হলে তিনি আমাকে প্রতিপক্ষের ধোকাবাজি সম্পর্কে অবগত করেন।” তিনি আরও জানান, বোদার ইত্তেহাদুল উলামার কাছে ওয়াহহাব ভাই ফোন করে স্পষ্ট বলেছেন, “আরাফাত একজন ভালো মানুষ, বিরোধী দল পেছনে লেগে তার প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে চায়।” ওয়াহহাব ভাইয়ের ছেলের কাছে এ বিষয়ে কল রেকর্ড আছে বলে দাবি করেন আরাফাত সরকার। তিনি মিথ্যাচার কারীদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার পরামর্শ দেন। সংবাদ সম্মেলনের শেষে আরাফাত সরকার তিনটি দাবি জানান: তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে, সফিকস ওভারসিজের মালিক সফিকুল ইসলামকে দ্রুত আইনের আওয়তায় আনতে হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ