ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের  আগমন উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

উন্নয়ন, শিক্ষা, পরিবেশ ও বিনিয়োগ সম্ভাবনায় ব্যস্ত দিন কাটালেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

উন্নয়ন, শিক্ষা, পরিবেশ ও বিনিয়োগ সম্ভাবনায় ব্যস্ত দিন কাটালেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিটি পোস্টের সঙ্গে একটি করে বৃক্ষ রোপণের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিটি পোস্টের সঙ্গে একটি করে বৃক্ষ রোপণের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

২৪ জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের স্মরণে লালমাইয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

২৪ জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের স্মরণে লালমাইয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ -খ্রিষ্টান কল্যান ফ্রন্ট ময়মনসিংহ দঃ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ হিন্দু -বৌদ্ধ -খ্রিষ্টান কল্যান ফ্রন্ট ময়মনসিংহ দঃ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মনপুরায় দখলকৃত পৈতৃক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

মনপুরায় দখলকৃত পৈতৃক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

মাদক নয়, খেলাই হোক তরুণদের পরিচয়, বেলকুচি ইয়াং স্টার ক্লাবের শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্ট

মাদক নয়, খেলাই হোক তরুণদের পরিচয়, বেলকুচি ইয়াং স্টার ক্লাবের শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্ট

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ,বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ,বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ,বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। শুরুতে তীব্র তাপদাহের কারণে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও সোমবার (২৫ মে) কেশবপুর বড় পশুর হাটে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে পুরো হাটজুড়ে বিরাজ করছে কোরবানির উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলার কেশবপুর বড় হাট, সরসকাটি, সাতবাড়িয়া, বগা, শুড়িঘাটা, ভান্ডারখোলা ও মঙ্গলকোট পশুর হাটে এখন চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচার ব্যস্ততা। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি যশোর, খুলনা, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা গরু ও ছাগল নিয়ে আসছেন। একইভাবে দূর-দূরান্তের ক্রেতারাও ভিড় করছেন এসব হাটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের গরু বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এছাড়া ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা দামের ছাগলও রয়েছে পর্যাপ্ত। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অনেক খামারি তাদের পশুর ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয় নামও রেখেছেন।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় কোরবানির উপযোগী গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৩১টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৯টি এবং ছাগল, ভেড়া ও মহিষ রয়েছে ১০ হাজার ৮৬৪টি। উপজেলার চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৬৫৯টি পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

তবে পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এ অবস্থায় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কায় অনেক খামারি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।হাসানপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান এবং বাউশলা গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, “এবার স্থানীয় জাতের গরু-ছাগলের সরবরাহ ভালো। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে দাম কিছুটা কম। তবে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ কম থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন।”

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, “উপজেলায় অসংখ্য ছোট-বড় খামারি সারা বছর ধরে কোরবানির পশু লালন-পালন করেন। তারা যদি ন্যায্যমূল্য না পান, তাহলে ভবিষ্যতে পশুপালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।”

তিনি আরও বলেন, “এ বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ সন্তোষজনক। ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ না থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন। কেশবপুরের বড় পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসছেন। হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬


কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ,বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

কেশবপুরের পশুর হাটে কোরবানির আমেজ,বিক্রির অপেক্ষায় ১৪ হাজারের বেশি পশু, ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

ইমরান হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। শুরুতে তীব্র তাপদাহের কারণে হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও সোমবার (২৫ মে) কেশবপুর বড় পশুর হাটে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে পুরো হাটজুড়ে বিরাজ করছে কোরবানির উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলার কেশবপুর বড় হাট, সরসকাটি, সাতবাড়িয়া, বগা, শুড়িঘাটা, ভান্ডারখোলা ও মঙ্গলকোট পশুর হাটে এখন চলছে কোরবানির পশু কেনাবেচার ব্যস্ততা। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি যশোর, খুলনা, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা গরু ও ছাগল নিয়ে আসছেন। একইভাবে দূর-দূরান্তের ক্রেতারাও ভিড় করছেন এসব হাটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের গরু বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। এছাড়া ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা দামের ছাগলও রয়েছে পর্যাপ্ত। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে অনেক খামারি তাদের পশুর ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয় নামও রেখেছেন।

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় কোরবানির উপযোগী গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৩১টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৩ হাজার ৪৫৯টি এবং ছাগল, ভেড়া ও মহিষ রয়েছে ১০ হাজার ৮৬৪টি। উপজেলার চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৬৫৯টি পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

তবে পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এ অবস্থায় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কায় অনেক খামারি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।হাসানপুর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান এবং বাউশলা গ্রামের ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, “এবার স্থানীয় জাতের গরু-ছাগলের সরবরাহ ভালো। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে দাম কিছুটা কম। তবে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ কম থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন।”

কেশবপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, “উপজেলায় অসংখ্য ছোট-বড় খামারি সারা বছর ধরে কোরবানির পশু লালন-পালন করেন। তারা যদি ন্যায্যমূল্য না পান, তাহলে ভবিষ্যতে পশুপালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন।”

তিনি আরও বলেন, “এ বছর কোরবানির পশুর সরবরাহ সন্তোষজনক। ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ না থাকায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন। কেশবপুরের বড় পশুর হাটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসছেন। হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।”


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ