ডেইলি বাংল সংবাদ
Post Ads 1
প্রকাশ : সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

Post Ads 2

বাঁশখালীতে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে এনসিপির মানববন্ধন

বাঁশখালীতে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে এনসিপির মানববন্ধন
Post Ads 3

বাঁশখালীতে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে এনসিপির মানববন্ধন

Middle Post Content 1

মোনতাহারুল হক আমিন : বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালী প্রধান সড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, পরিবহন নৈরাজ্য ও তীব্র যানজটের প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

Middle Post Content 2

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম-বাঁশখালী রুটে চলাচলকারী যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রী হয়রানি, গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে তীব্র যানজট এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো বন্ধের দাবিতে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সামনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টি বাঁশখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মী, সচেতন ছাত্রসমাজ এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

Middle Post Content 3

মানববন্ধনে এনসিপির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য জাওয়াদুল করিম বলেন, "ঈদ এলেই বাঁশখালী রুটের পরিবহন সেক্টরে এক চরম নৈরাজ্য তৈরি হয়। অসাধু সিন্ডিকেট সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে। এর পাশাপাশি চাঁনপুর, গুনাগরি, মিয়ারবাজার এবং চাম্বল বাজারে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা করানোর কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র যানজট লেগে থাকে। ট্রাফিক ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিনি আরোও হুঁশিয়ারি দেন যে, ঈদে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এবং ফিটনেসবিহীন লক্কর-ঝক্কর গাড়ি নামিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।"

Middle Post Content 1

এসময় মানববন্ধনে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বাঁশখালী শাখার সভাপতি এইচ এম আব্বাস খাঁন বলেন, আমি সাংবাদিক ভাইদেরকে একটি তথ্য দিতে চাই। আমি যখন গতকালকে চট্টগ্রাম শহর থেকে আসছিলাম, তখন কিছুক্ষণ সময় নতুন ব্রীজ ও মইজ্জারটেক এলাকায় অবস্থান করি। তখন আমি সেখানে অবস্থানকালে দেখতে পাই, প্রশাসন কর্তৃক মইজ্জারটেক ও শহরকেন্দ্রিক যে সমস্ত সিএনজিগুলো রয়েছে, তাদের কাছ থেকে মাসিক টোকেন বাণিজ্য করে তাদেরকে যাত্রী নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং বাঁশখালী থেকে যে সমস্ত সিএনজি মইজ্জারটেকে যায়, তাদেরকে আইন দেখিয়ে আটক করে মামলা দেওয়া হয়।

Middle Post Content 1

আব্বাস খাঁন বলেন, আপনারা যদি বাঁশখালীর গাড়িগুলোকে মইজ্জারটেক আসতে না দেন, তাহলে আমার বাঁশখালীর মানুষগুলো কীভাবে শহর-গ্রামে আসাযাওয়া করবে? আর বাঁশখালীর মানুষগুলো যখন শহরে যায়, তখন মইজ্জারটেক ও শহরকেন্দ্রিক গাড়িগুলো কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করে। মইজ্জারটেকে বাঁশখালীর সিএনজি চালকরা হয়রানির শিকার হওয়ার কারণে গাড়ি না থাকায় যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। প্রশাসনকে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।

Middle Post Content 1

 মানববন্ধনে জাতীয় নাগরিক পার্টি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী মাশফিকুর রহমান বলেন, "ভাড়ার নামে এই প্রকাশ্য ডাকাতি এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের এই নীরব শাস্তি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনকে এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।" 

Middle Post Content 1

এনসিপির বাঁশখালী শাখার প্রধান সমন্বয়ক সাকিবুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের অন্যান্য উপজেলার বাসিন্দারা যখন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা আনন্দের সাথে পালন করে, তখন বাঁশখালীর মানুষরা বাড়ি আসে বুকভরা বেদনা নিয়ে। এর একমাত্র কারণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি। বাঁশখালীর মানুষ যে আনন্দ নিয়ে ঘরমুখো হয়ে শহর থেকে বের হয়, স্টেশনে আসার পর তাদের সেই আনন্দ কমে যায়। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বাঁশখালীবাসীর জন্য মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাঁশখালীতে নেতৃত্বের পরিবর্তন হচ্ছে। সরকার আসছে, সরকার যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিকার মিলছে না।

Middle Post Content 1

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনসিপির সংগঠক মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম ও বাঁশখালী উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আব্দুল আলীম, উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।

Middle Post Content 1

উক্ত মানববন্ধনে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির বাঁশখালী উপজেলার প্রতিনিধি দল বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রহুল আমিন এবং বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল হক বরাবর একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। স্মারকলিপিতে প্রতিটি স্টেশনে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন, তৈলারদ্বীপ সেতুতে সার্বক্ষণিক স্পেশাল মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, গুনাগরি-মিয়ারবাজার-চাম্বল বাজারে নির্দিষ্ট 'পিক-অ্যান্ড-ড্রপ জোন' নির্ধারণ, বিশেষ ট্রাফিক স্কোয়াড গঠন এবং বেপরোয়া ওভারটেকিং ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়।

Middle Post Content 1

​উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ স্মারকলিপিটি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং ঈদের এই সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


বাঁশখালীতে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে এনসিপির মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬

featured Image

বাঁশখালীতে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে এনসিপির মানববন্ধন

মোনতাহারুল হক আমিন : বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালী প্রধান সড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, পরিবহন নৈরাজ্য ও তীব্র যানজটের প্রতিবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম-বাঁশখালী রুটে চলাচলকারী যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রী হয়রানি, গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতে তীব্র যানজট এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো বন্ধের দাবিতে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সামনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টি বাঁশখালী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মী, সচেতন ছাত্রসমাজ এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

মানববন্ধনে এনসিপির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির সদস্য জাওয়াদুল করিম বলেন, "ঈদ এলেই বাঁশখালী রুটের পরিবহন সেক্টরে এক চরম নৈরাজ্য তৈরি হয়। অসাধু সিন্ডিকেট সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দুই থেকে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে। এর পাশাপাশি চাঁনপুর, গুনাগরি, মিয়ারবাজার এবং চাম্বল বাজারে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা করানোর কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তীব্র যানজট লেগে থাকে। ট্রাফিক ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক নজরদারির অভাবে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিনি আরোও হুঁশিয়ারি দেন যে, ঈদে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো এবং ফিটনেসবিহীন লক্কর-ঝক্কর গাড়ি নামিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।"

এসময় মানববন্ধনে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন বাঁশখালী শাখার সভাপতি এইচ এম আব্বাস খাঁন বলেন, আমি সাংবাদিক ভাইদেরকে একটি তথ্য দিতে চাই। আমি যখন গতকালকে চট্টগ্রাম শহর থেকে আসছিলাম, তখন কিছুক্ষণ সময় নতুন ব্রীজ ও মইজ্জারটেক এলাকায় অবস্থান করি। তখন আমি সেখানে অবস্থানকালে দেখতে পাই, প্রশাসন কর্তৃক মইজ্জারটেক ও শহরকেন্দ্রিক যে সমস্ত সিএনজিগুলো রয়েছে, তাদের কাছ থেকে মাসিক টোকেন বাণিজ্য করে তাদেরকে যাত্রী নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয় এবং বাঁশখালী থেকে যে সমস্ত সিএনজি মইজ্জারটেকে যায়, তাদেরকে আইন দেখিয়ে আটক করে মামলা দেওয়া হয়।

আব্বাস খাঁন বলেন, আপনারা যদি বাঁশখালীর গাড়িগুলোকে মইজ্জারটেক আসতে না দেন, তাহলে আমার বাঁশখালীর মানুষগুলো কীভাবে শহর-গ্রামে আসাযাওয়া করবে? আর বাঁশখালীর মানুষগুলো যখন শহরে যায়, তখন মইজ্জারটেক ও শহরকেন্দ্রিক গাড়িগুলো কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করে। মইজ্জারটেকে বাঁশখালীর সিএনজি চালকরা হয়রানির শিকার হওয়ার কারণে গাড়ি না থাকায় যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। প্রশাসনকে এই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।

 মানববন্ধনে জাতীয় নাগরিক পার্টি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী মাশফিকুর রহমান বলেন, "ভাড়ার নামে এই প্রকাশ্য ডাকাতি এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটের এই নীরব শাস্তি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনকে এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।" 

এনসিপির বাঁশখালী শাখার প্রধান সমন্বয়ক সাকিবুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের অন্যান্য উপজেলার বাসিন্দারা যখন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা আনন্দের সাথে পালন করে, তখন বাঁশখালীর মানুষরা বাড়ি আসে বুকভরা বেদনা নিয়ে। এর একমাত্র কারণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি। বাঁশখালীর মানুষ যে আনন্দ নিয়ে ঘরমুখো হয়ে শহর থেকে বের হয়, স্টেশনে আসার পর তাদের সেই আনন্দ কমে যায়। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বাঁশখালীবাসীর জন্য মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাঁশখালীতে নেতৃত্বের পরিবর্তন হচ্ছে। সরকার আসছে, সরকার যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিকার মিলছে না।

মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এনসিপির সংগঠক মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম ও বাঁশখালী উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আব্দুল আলীম, উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধনে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির বাঁশখালী উপজেলার প্রতিনিধি দল বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রহুল আমিন এবং বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল হক বরাবর একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। স্মারকলিপিতে প্রতিটি স্টেশনে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন, তৈলারদ্বীপ সেতুতে সার্বক্ষণিক স্পেশাল মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, গুনাগরি-মিয়ারবাজার-চাম্বল বাজারে নির্দিষ্ট 'পিক-অ্যান্ড-ড্রপ জোন' নির্ধারণ, বিশেষ ট্রাফিক স্কোয়াড গঠন এবং বেপরোয়া ওভারটেকিং ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়।

​উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ স্মারকলিপিটি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং ঈদের এই সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ