মির্জাগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্যানিটারি কাজকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ ইলিয়াস হোসেনকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী ইলিয়াস হোসেন।
সোমবার (২৫ মে) দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল মৃধার বাড়িতে স্যানিটারি কাজ করার জন্য ওইদিন যাওয়ার কথা ছিল ইলিয়াস হোসেনের চাচা ও স্যানিটারি মিস্ত্রি মোঃ ইউনুস সিকদারের। তবে অন্য একটি বাড়ির কাজ শেষ না হওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ে সেখানে যেতে পারেননি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে নাজমুল মৃধা তার ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকে ইউনুস সিকদারকে কল দিয়ে কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ইউনুস সিকদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করেন।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে ইলিয়াস হোসেন নাজমুল মৃধাকে ফোন করে তার চাচাকে গালিগালাজ করার কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল মৃধা তাকেও ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিডিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের এমন আচরণ ও হুমকির কারণে ইলিয়াস হোসেন ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ কারণে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এবিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মৃধার যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাকারিয়া আহমেদ জানান, নাজমুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেওয়া হয়েছে। জিডিটি গ্রহণ করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
মির্জাগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্যানিটারি কাজকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ ইলিয়াস হোসেনকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী ইলিয়াস হোসেন।
সোমবার (২৫ মে) দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল মৃধার বাড়িতে স্যানিটারি কাজ করার জন্য ওইদিন যাওয়ার কথা ছিল ইলিয়াস হোসেনের চাচা ও স্যানিটারি মিস্ত্রি মোঃ ইউনুস সিকদারের। তবে অন্য একটি বাড়ির কাজ শেষ না হওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ে সেখানে যেতে পারেননি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে নাজমুল মৃধা তার ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকে ইউনুস সিকদারকে কল দিয়ে কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ইউনুস সিকদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করেন।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে ইলিয়াস হোসেন নাজমুল মৃধাকে ফোন করে তার চাচাকে গালিগালাজ করার কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল মৃধা তাকেও ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জিডিতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তের এমন আচরণ ও হুমকির কারণে ইলিয়াস হোসেন ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ কারণে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এবিষয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মৃধার যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাকারিয়া আহমেদ জানান, নাজমুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেওয়া হয়েছে। জিডিটি গ্রহণ করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন