ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গণপিটুনির শিকার, পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা’ দাবি অভিযুক্তের।
জিসান কবিরাজ,খুলনা। খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এক পক্ষ তার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। তবে অভিযুক্ত নেতা ও তার সমর্থকদের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাবুসা এলাকার ভ্যানচালক মান্নান মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বাড়িতে একা থাকা তার পুত্রবধূর সঙ্গে অসদাচরণের চেষ্টা করেন কাজী ইব্রাহিম। অভিযোগের পর মান্নান মিয়ার পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অন্যদিকে কাজী ইব্রাহিম অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মান্নান মিয়ার পরিবারের সঙ্গে কাজী ইব্রাহিমের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাজী ইব্রাহিমের মৎস্যঘের থেকে মাছ চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
প্রতিবেশীদের একটি অংশ কাজী ইব্রাহিমের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিশুদের কোরআন শিক্ষা দিয়ে আসছেন এবং ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে পরিচিত।
তবে অভিযোগকারী পক্ষ প্রতিবেশীদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি করছে, অন্য পক্ষ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মির জানিয়েছেন, উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের দাবি সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে অনুসন্ধান চলছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গণপিটুনির শিকার, পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা’ দাবি অভিযুক্তের।
জিসান কবিরাজ,খুলনা। খুলনার রূপসা উপজেলার জাবুসা এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এক পক্ষ তার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। তবে অভিযুক্ত নেতা ও তার সমর্থকদের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাবুসা এলাকার ভ্যানচালক মান্নান মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বাড়িতে একা থাকা তার পুত্রবধূর সঙ্গে অসদাচরণের চেষ্টা করেন কাজী ইব্রাহিম। অভিযোগের পর মান্নান মিয়ার পরিবারের সদস্যরা তাকে আটক করে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অন্যদিকে কাজী ইব্রাহিম অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মান্নান মিয়ার পরিবারের সঙ্গে কাজী ইব্রাহিমের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কাজী ইব্রাহিমের মৎস্যঘের থেকে মাছ চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
প্রতিবেশীদের একটি অংশ কাজী ইব্রাহিমের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। তাদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিশুদের কোরআন শিক্ষা দিয়ে আসছেন এবং ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে পরিচিত।
তবে অভিযোগকারী পক্ষ প্রতিবেশীদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি করছে, অন্য পক্ষ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মির জানিয়েছেন, উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের দাবি সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে অনুসন্ধান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন