বন্ধ ঘরে ঝুলন্ত মরদেহ, দরজা ভেঙে উদ্ধার করল পুলিশ
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রেজওয়ান ওরফে হীরা (৩৫) নামে এক যুবকের ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁসী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হীরা ওই গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফা গনির ছেলে।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার(১ জুন ) রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে তিনি একই গ্রামের পাশের বাড়ির সৌদি প্রবাসী আপন মিয়ার পাকা বাড়ির একটি কক্ষে রাত্রী যাপনের জন্য প্রবেশ করেন এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে হীরাকে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি সরিষাবাড়ী থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে সরিষাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম, এসআই সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় হীরার মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার সময় নিহতের স্ত্রী, মা, বোনসহ স্বজনরা আপত্তি জানান। একপর্যায়ে তারা মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কিছুক্ষন পর কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির এক পর্যায়ে লাশ নিহতের বাড়িতে নিয়ে যায় । পরে ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ পুনঃরায় নিহতের বাড়ি থেকে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বন্ধ ঘরে ঝুলন্ত মরদেহ, দরজা ভেঙে উদ্ধার করল পুলিশ
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রেজওয়ান ওরফে হীরা (৩৫) নামে এক যুবকের ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁসী ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত হীরা ওই গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফা গনির ছেলে।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার(১ জুন ) রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে তিনি একই গ্রামের পাশের বাড়ির সৌদি প্রবাসী আপন মিয়ার পাকা বাড়ির একটি কক্ষে রাত্রী যাপনের জন্য প্রবেশ করেন এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে হীরাকে বারবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি সরিষাবাড়ী থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে সরিষাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম, এসআই সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। সেখানে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় হীরার মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার সময় নিহতের স্ত্রী, মা, বোনসহ স্বজনরা আপত্তি জানান। একপর্যায়ে তারা মরদেহ নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং কিছুক্ষন পর কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির এক পর্যায়ে লাশ নিহতের বাড়িতে নিয়ে যায় । পরে ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ পুনঃরায় নিহতের বাড়ি থেকে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন