জীবন্ত ফলদ বৃক্ষ ন্যাড়া করার অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর কৃষ্ণপুর বাজার সড়কের পাশে চর হরিপুর ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় চারটি জীবন্ত জাম গাছের ডাল পালা কেটে ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গাছের মালিক পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের উক্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চর হরিপুর গ্রামের মৃত বশির উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে সুলতান মন্ডল নামের এক ব্যক্তি চারটি পরিপক্ক ফলদ জাম গাছের ডালপালা কেটে গাছগুলো প্রায় ন্যাড়া করে দেন। এতে গাছগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গাছের মালিক মরহুম খোকা মিয়া (বিডিআর) গাছ গুলো লাগিয়েছিলেন। মরহুম খোকা মিয়া (বিডিআর) এর ছেলে রবিউল ইসলাম, সোহাগ ও সুমনের পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খোকা মিয়া ষ্টগাছগুলো পরিচর্যা করে আসছিলেন। এসব গাছ শুধু ফলের উৎসই নয়, এলাকায় ছায়া প্রদান ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। হঠাৎ করে গাছের অধিকাংশ ডালপালা গাছের মালিকের নিকট থেকে অনুমতি ছাড়াই প্রভাব খাটিয়া গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলার ঘটনায় তারা আর্থিক ও পরিবেশগতভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফলদ ও পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ নির্বিচারে কর্তন বা ন্যাড়া করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে পরিবেশের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। ফলে পরিবেশ রক্ষা এবং বৃক্ষ সংরক্ষণে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুলতান মন্ডলের মোবাইল ফোনে ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া বক্তব্য নেয়ার সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি )মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি ।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের অনেকেই জানান, একটি পূর্ণবয়স্ক ফলদ গাছ গড়ে উঠতে বহু বছর সময় লাগে। তাই ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে জীবন্ত গাছের ক্ষতি করা শুধু সম্পত্তির ক্ষতিই নয়, পরিবেশের প্রতিও এক ধরনের অবহেলা। তারা ফলদ ও বনজ বৃক্ষ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
জীবন্ত ফলদ বৃক্ষ ন্যাড়া করার অভিযোগ, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী
সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের চর কৃষ্ণপুর বাজার সড়কের পাশে চর হরিপুর ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় চারটি জীবন্ত জাম গাছের ডাল পালা কেটে ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গাছের মালিক পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের উক্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত চর হরিপুর গ্রামের মৃত বশির উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে সুলতান মন্ডল নামের এক ব্যক্তি চারটি পরিপক্ক ফলদ জাম গাছের ডালপালা কেটে গাছগুলো প্রায় ন্যাড়া করে দেন। এতে গাছগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গাছের মালিক মরহুম খোকা মিয়া (বিডিআর) গাছ গুলো লাগিয়েছিলেন। মরহুম খোকা মিয়া (বিডিআর) এর ছেলে রবিউল ইসলাম, সোহাগ ও সুমনের পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খোকা মিয়া ষ্টগাছগুলো পরিচর্যা করে আসছিলেন। এসব গাছ শুধু ফলের উৎসই নয়, এলাকায় ছায়া প্রদান ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। হঠাৎ করে গাছের অধিকাংশ ডালপালা গাছের মালিকের নিকট থেকে অনুমতি ছাড়াই প্রভাব খাটিয়া গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলার ঘটনায় তারা আর্থিক ও পরিবেশগতভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফলদ ও পরিবেশবান্ধব বৃক্ষ নির্বিচারে কর্তন বা ন্যাড়া করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে পরিবেশের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। ফলে পরিবেশ রক্ষা এবং বৃক্ষ সংরক্ষণে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুলতান মন্ডলের মোবাইল ফোনে ফোন করলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া বক্তব্য নেয়ার সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি )মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি ।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সচেতন মহলের অনেকেই জানান, একটি পূর্ণবয়স্ক ফলদ গাছ গড়ে উঠতে বহু বছর সময় লাগে। তাই ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে জীবন্ত গাছের ক্ষতি করা শুধু সম্পত্তির ক্ষতিই নয়, পরিবেশের প্রতিও এক ধরনের অবহেলা। তারা ফলদ ও বনজ বৃক্ষ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন