৩৬ ঘণ্টাতেও মেলেনি সমাধান: রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে শিশুসহ ৬ নেয় নি কোনো দেশ
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:১৫ জুন ২৬ ইং।কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের ১০৬০/১-এস নম্বর পিলারের শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) পুশইন করা শিশুসহ ছয়জনকে নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিরসন হয়নি। আন্তর্জাতিক সীমানার এই শূন্য রেখায় আটকে থাকা নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো দেশই গ্রহণ করেনি। ফলে চরম মানবেতর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে সীমান্তের কাঁটাতারের পাশে দিন কাটছে তাঁদের।
স্থানীয় সূত্র ও সীমান্ত পরিস্থিতি থেকে জানা যায়, গয়টাপাড়া সীমান্তের ১০৬০/১-এস নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে তাঁদের পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া) চেষ্টা করা হয়। আটকে পড়া এই ছয়জনের মধ্যে নিরীহ শিশু ও নারীও রয়েছেন।
সীমান্তের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে এই নিয়ে পতাকা বৈঠক ও যোগাযোগ করা হলেও কোনো পক্ষই তাঁদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মাঝখানে পড়ে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন তাঁরা। খোলা আকাশের নিচে খাবার, পানি ও নিরাপত্তার চরম সংকটে পড়েছেন শিশুসহ আটকে থাকা এই ব্যক্তিরা।
এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ওই সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মানবিক সংকটের দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
৩৬ ঘণ্টাতেও মেলেনি সমাধান: রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে শিশুসহ ৬ নেয় নি কোনো দেশ
মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:১৫ জুন ২৬ ইং।কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের ১০৬০/১-এস নম্বর পিলারের শূন্যরেখায় (নো-ম্যানস ল্যান্ড) পুশইন করা শিশুসহ ছয়জনকে নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা ৩৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নিরসন হয়নি। আন্তর্জাতিক সীমানার এই শূন্য রেখায় আটকে থাকা নাগরিকদের এখন পর্যন্ত কোনো দেশই গ্রহণ করেনি। ফলে চরম মানবেতর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে সীমান্তের কাঁটাতারের পাশে দিন কাটছে তাঁদের।
স্থানীয় সূত্র ও সীমান্ত পরিস্থিতি থেকে জানা যায়, গয়টাপাড়া সীমান্তের ১০৬০/১-এস নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে তাঁদের পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া) চেষ্টা করা হয়। আটকে পড়া এই ছয়জনের মধ্যে নিরীহ শিশু ও নারীও রয়েছেন।
সীমান্তের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে এই নিয়ে পতাকা বৈঠক ও যোগাযোগ করা হলেও কোনো পক্ষই তাঁদের নিজেদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মাঝখানে পড়ে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন তাঁরা। খোলা আকাশের নিচে খাবার, পানি ও নিরাপত্তার চরম সংকটে পড়েছেন শিশুসহ আটকে থাকা এই ব্যক্তিরা।
এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ওই সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মানবিক সংকটের দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন