নবীগঞ্জে কারখানা সরাসরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির লাঠি পেটায় এক ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী! গণমাধ্যমকর্মী'র সাথে খারাপ আচরণ
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কারখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী সুয়েব মিয়ার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর অভিভাবক নূর মিয়া নবীগঞ্জ থানায় রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ঐ স্কুলের বহু অপকর্মের হুতা সাংবাদিকের সাথে খারাপ অভিযোগ উঠেছে ওই স্কুলের দপ্তরির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (গত ১৪ জুন) বিদ্যালয়ের বারান্দায় গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন দপ্তরি কাম প্রহরী সুয়েব মিয়া! এতে শিশুটির পিঠ, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত গুরুত্ব আঘাত পায়। পরে তাকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবহতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অভিযুক্ত সুয়েব মিয়া সাংবাদিকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সুয়েব মিয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ নতুন নয়! তিনি প্রায়ই বিভিন্ন কোমলমতি শিক্ষার্থীর সাথে দুর্ব্যবহার ও মারধরের ঘটনা এটা নতুন কিছু নয়! এ বিষয়টি নিয়ে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও এমন নেক্কারজনক আচরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও সে এসবের কোন তোয়াক্কা না করে তার অপর্কম করেই যাচ্ছে।
স্থানীয়দের কাছে থেকে আরো জানাযায়, স্থানীয় কিছু সমাজ বিরুদ্ধ ও ক্ষমতার আাহাদুরি দেখিয়ে সরকারি স্কুলের দপ্তরিকে আড়াল থেকে একটি কু-চক্রি মহলে আড়ালে থেকে ইন্দন দিয়ে দিচ্ছে বলেও গোপন সংবাদের সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার সাথে কথা হলে তিনি জানান, “গতকালের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে এলে তাদের সাথে যে ধরনের আচরণ করা হয়েছে, এতে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত বোধ করছি।
এদিকে, বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত দপ্তরি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন! ছোট- খাটো বিষয়েও।সে শিশুদের মারধর করেন বলে তারা অভিযোগ করের। এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী নূর মিয়া বলেন, আমি দিন মজুর, আমি কর্ম করে আমার সন্তাদের লেখা পড়া করাইতেছি। আজ নিম্ন বৃত্ত হওয়ার কারণে দপ্তরে আমার ছেলেকে দিয়ে কিভাবে কাজ কাম করার? এবং মারধর করে? আমরা আত্ম বিশ্বাস নিয়ে আমাদের সন্তানদের স্কুলের শিক্ষল শিক্ষার কাছে দেই লেখা পড়া করার জন্য। কিন্তু শিক্ষক বা শিক্ষিকা। তার কোন অপারাধের জন্য মারেননি। দপ্তরে মেরেছে তার কথা জাক না করায়! আমার সন্তান বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। তারা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন আচরণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে হুমকির মূখে পড়ছে।সচেনত নাগরিকদের একটাই দাবী নবীগঞ্জ যতটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে সকল প্রতিষ্ঠানের দপ্তরী ও সহ শিক্ষক শিক্ষিকাদের আরো দিন নির্দেশনা মূলক পরামর্শ দেয়ার জোর দাবী জানান।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
নবীগঞ্জে কারখানা সরাসরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির লাঠি পেটায় এক ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী! গণমাধ্যমকর্মী'র সাথে খারাপ আচরণ
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কারখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী সুয়েব মিয়ার বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর অভিভাবক নূর মিয়া নবীগঞ্জ থানায় রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ঐ স্কুলের বহু অপকর্মের হুতা সাংবাদিকের সাথে খারাপ অভিযোগ উঠেছে ওই স্কুলের দপ্তরির বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (গত ১৪ জুন) বিদ্যালয়ের বারান্দায় গাছের ডাল দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন দপ্তরি কাম প্রহরী সুয়েব মিয়া! এতে শিশুটির পিঠ, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত গুরুত্ব আঘাত পায়। পরে তাকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবহতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অভিযুক্ত সুয়েব মিয়া সাংবাদিকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সুয়েব মিয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ নতুন নয়! তিনি প্রায়ই বিভিন্ন কোমলমতি শিক্ষার্থীর সাথে দুর্ব্যবহার ও মারধরের ঘটনা এটা নতুন কিছু নয়! এ বিষয়টি নিয়ে তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও এমন নেক্কারজনক আচরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও সে এসবের কোন তোয়াক্কা না করে তার অপর্কম করেই যাচ্ছে।
স্থানীয়দের কাছে থেকে আরো জানাযায়, স্থানীয় কিছু সমাজ বিরুদ্ধ ও ক্ষমতার আাহাদুরি দেখিয়ে সরকারি স্কুলের দপ্তরিকে আড়াল থেকে একটি কু-চক্রি মহলে আড়ালে থেকে ইন্দন দিয়ে দিচ্ছে বলেও গোপন সংবাদের সূত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার সাথে কথা হলে তিনি জানান, “গতকালের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে এলে তাদের সাথে যে ধরনের আচরণ করা হয়েছে, এতে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত ও লজ্জিত বোধ করছি।
এদিকে, বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত দপ্তরি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন! ছোট- খাটো বিষয়েও।সে শিশুদের মারধর করেন বলে তারা অভিযোগ করের। এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী নূর মিয়া বলেন, আমি দিন মজুর, আমি কর্ম করে আমার সন্তাদের লেখা পড়া করাইতেছি। আজ নিম্ন বৃত্ত হওয়ার কারণে দপ্তরে আমার ছেলেকে দিয়ে কিভাবে কাজ কাম করার? এবং মারধর করে? আমরা আত্ম বিশ্বাস নিয়ে আমাদের সন্তানদের স্কুলের শিক্ষল শিক্ষার কাছে দেই লেখা পড়া করার জন্য। কিন্তু শিক্ষক বা শিক্ষিকা। তার কোন অপারাধের জন্য মারেননি। দপ্তরে মেরেছে তার কথা জাক না করায়! আমার সন্তান বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। তারা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন আচরণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে হুমকির মূখে পড়ছে।সচেনত নাগরিকদের একটাই দাবী নবীগঞ্জ যতটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে সকল প্রতিষ্ঠানের দপ্তরী ও সহ শিক্ষক শিক্ষিকাদের আরো দিন নির্দেশনা মূলক পরামর্শ দেয়ার জোর দাবী জানান।

আপনার মতামত লিখুন