ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

​বেড়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ৩ মাদকসেবী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা

​বেড়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ৩ মাদকসেবী আটক, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা

নবীনগরে মানষিক হতাশা ও একাকিত্বে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

নবীনগরে মানষিক হতাশা ও একাকিত্বে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে আলোচনা সভা,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে আলোচনা সভা,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

পীরগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের কেশ লেস উদ্বোধন।

পীরগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের কেশ লেস উদ্বোধন।

কওমী মাদ্রাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণে আপাতত কোনো উদ্যোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

কওমী মাদ্রাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণে আপাতত কোনো উদ্যোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

খানসামায় কৃষকদের মাঝে রোপা আমনের চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ

খানসামায় কৃষকদের মাঝে রোপা আমনের চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ

নীলফামারীতে শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন প্রতিবাদ সভা

নীলফামারীতে শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন প্রতিবাদ সভা

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মোঃ খাত্তাব হোসেন

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মোঃ খাত্তাব হোসেন

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর ইজারার টাকা ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। আহত আবদুল মতিন (৪৮) বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত আবদুল মতিন উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে এবং হামিরকুৎসা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। রাজশাহীর বাগমারা  উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদপাড়া গ্রামের ওসমান আলী ও তাঁর ভাতিজা আবদুল মতিনের মধ্যে একটি পুকুরের ইজারার অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে হামিরকুৎসা বাজারে আবদুল মতিনের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওসমান আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল খলিলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

এরপর  আবদুল মতিনকে প্রধান আসামি করে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও আবদুল মতিন পালিয়ে যান। স্বজনদের দাবি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাত ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে ফিরলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরতে বাড়িতে আসে। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে উদপাড়া এলাকায় তাকে ধরে ফেলা হয়।

আহতের স্বজনদের অভিযোগ, এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আহত ব্যবসায়ীর শ্যালক লিটন হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় তার ভগ্নিপতি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল খলিল বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন, তবে গুলি বা হামলার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর ইজারার টাকা ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। আহত আবদুল মতিন (৪৮) বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত আবদুল মতিন উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে এবং হামিরকুৎসা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। রাজশাহীর বাগমারা  উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদপাড়া গ্রামের ওসমান আলী ও তাঁর ভাতিজা আবদুল মতিনের মধ্যে একটি পুকুরের ইজারার অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে হামিরকুৎসা বাজারে আবদুল মতিনের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওসমান আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল খলিলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

এরপর  আবদুল মতিনকে প্রধান আসামি করে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও আবদুল মতিন পালিয়ে যান। স্বজনদের দাবি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাত ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে ফিরলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরতে বাড়িতে আসে। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে উদপাড়া এলাকায় তাকে ধরে ফেলা হয়।

আহতের স্বজনদের অভিযোগ, এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আহত ব্যবসায়ীর শ্যালক লিটন হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় তার ভগ্নিপতি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল খলিল বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন, তবে গুলি বা হামলার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ