সুখ-দুঃখের সারথী মাসুম খান: মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে তৃণমূলের ক্ষোভ
মোঃ শরিফ,ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম। তিনি কেবল উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষই নন,বরং এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের এক বিশ্বস্ত সারথী। দুর্যোগ-দুর্বিপাক কিংবা সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সবসময় বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত। আর এ কারণেই স্থানীয় জনমানুষের মুখে মুখে আজ একটিই কথা—"সাধারণ মানুষের পাশে থাকার আরেক নাম মাসুম খান।
ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও নিষ্কলঙ্ক ভাবমূর্তি মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম ইসলামপুরের একটি অত্যন্ত সুপরিচিত,সম্মানিত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাঁর পরিবার দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে এলাকায় বসবাস করে আসছে এবং জনকল্যাণে অবদান রাখছে।
পারিবারিক এই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করেই মাসুম খান তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এক নিষ্কলঙ্ক ভাবমূর্তি বজায় রেখেছেন। এমনকি তাঁর ভাই মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েও ক্ষমতার অপব্যবহার বা কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি জড়াননি।
এলাকাবাসীর মতে,মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম একজন আপাদমস্তক মানবিক মানুষ। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো,অর্থাভাবে চিকিৎসা বা পড়াশোনা বন্ধ হওয়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক কার্যক্রমে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। করোনাকালীন দুর্যোগ কিংবা বন্যার মতো প্রাকৃতিক সংকটে তিনি নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়ে গরিব ও মেহনতি মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। ফলে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এক জনদরদী নেতা হিসেবে পরিচিত।
তৃণমূলের আস্থা ও নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখের সাথে রাজনীতির প্রাণপুরুষ মাসুম খান দলের প্রতিটি স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,মহিলা লীগ,কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান,মাসুম খান কেবল একজন নেতাই নন তিনি কর্মীদের অভিভাবক। যেকোনো রাজনৈতিক সংকট বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কর্মীরা তাঁর কাছে গিয়ে কখনো খালি হাতে ফেরেননি। সবার সঙ্গে তাঁর অমায়িক ব্যবহার এবং বিপদে পাশে থাকার মানসিকতা তাঁকে রাজনৈতিক মহলে এক তুমুল জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্য,পদ-পদবি বাণিজ্য ও আর্থিক অনিয়মের মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। তবে তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ এই অপপ্রচারকে সম্পূর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এই বিষয়ে মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম বলেন,"আমার ছাত্র জীবন হিংসা প্রতি হিংসা করেনি ও রাজনৈতিক দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমি এবং আমার পরিবার সুনামের সাথে রাজনীতি ও জনসেবা করে আসছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। একটি মহল আমার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই ষড়যন্ত্র করছে। আমি যেকোনো ধরনের নিরপেক্ষ তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কারণ সত্যের জয় নিশ্চিত।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ আল-আমীন,রফিকুল ইসলাম ,শরিফ উদ্দিন ও মোতাহার,নুর হোসেন জানান,মাসুম খানের মতো একজন পরোপকারী ও মানবিক নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দুঃখজনক। তাঁরা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মাসুম খান সবসময়ই জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তবে যেহেতু একটি অভিযোগ উঠেছে,তাই তাঁরাও চান একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক এবং এই অপপ্রচারের পেছনের কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচিত হোক।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
সুখ-দুঃখের সারথী মাসুম খান: মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে তৃণমূলের ক্ষোভ
মোঃ শরিফ,ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম। তিনি কেবল উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষই নন,বরং এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের এক বিশ্বস্ত সারথী। দুর্যোগ-দুর্বিপাক কিংবা সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সবসময় বাড়িয়ে দিয়েছেন সহযোগিতার হাত। আর এ কারণেই স্থানীয় জনমানুষের মুখে মুখে আজ একটিই কথা—"সাধারণ মানুষের পাশে থাকার আরেক নাম মাসুম খান।
ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও নিষ্কলঙ্ক ভাবমূর্তি মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম ইসলামপুরের একটি অত্যন্ত সুপরিচিত,সম্মানিত রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাঁর পরিবার দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত সুনামের সাথে এলাকায় বসবাস করে আসছে এবং জনকল্যাণে অবদান রাখছে।
পারিবারিক এই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করেই মাসুম খান তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এক নিষ্কলঙ্ক ভাবমূর্তি বজায় রেখেছেন। এমনকি তাঁর ভাই মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েও ক্ষমতার অপব্যবহার বা কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি জড়াননি।
এলাকাবাসীর মতে,মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম একজন আপাদমস্তক মানবিক মানুষ। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো,অর্থাভাবে চিকিৎসা বা পড়াশোনা বন্ধ হওয়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক-মানবিক কার্যক্রমে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। করোনাকালীন দুর্যোগ কিংবা বন্যার মতো প্রাকৃতিক সংকটে তিনি নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিয়ে গরিব ও মেহনতি মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। ফলে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি এক জনদরদী নেতা হিসেবে পরিচিত।
তৃণমূলের আস্থা ও নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখের সাথে রাজনীতির প্রাণপুরুষ মাসুম খান দলের প্রতিটি স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,মহিলা লীগ,কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের একাধিক শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান,মাসুম খান কেবল একজন নেতাই নন তিনি কর্মীদের অভিভাবক। যেকোনো রাজনৈতিক সংকট বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কর্মীরা তাঁর কাছে গিয়ে কখনো খালি হাতে ফেরেননি। সবার সঙ্গে তাঁর অমায়িক ব্যবহার এবং বিপদে পাশে থাকার মানসিকতা তাঁকে রাজনৈতিক মহলে এক তুমুল জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
সম্প্রতি একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিয়োগ বাণিজ্য,পদ-পদবি বাণিজ্য ও আর্থিক অনিয়মের মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। তবে তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ এই অপপ্রচারকে সম্পূর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এই বিষয়ে মোর্শেদুর রহমান খান মাসুম বলেন,"আমার ছাত্র জীবন হিংসা প্রতি হিংসা করেনি ও রাজনৈতিক দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমি এবং আমার পরিবার সুনামের সাথে রাজনীতি ও জনসেবা করে আসছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। একটি মহল আমার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই ষড়যন্ত্র করছে। আমি যেকোনো ধরনের নিরপেক্ষ তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কারণ সত্যের জয় নিশ্চিত।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ আল-আমীন,রফিকুল ইসলাম ,শরিফ উদ্দিন ও মোতাহার,নুর হোসেন জানান,মাসুম খানের মতো একজন পরোপকারী ও মানবিক নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দুঃখজনক। তাঁরা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মাসুম খান সবসময়ই জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তবে যেহেতু একটি অভিযোগ উঠেছে,তাই তাঁরাও চান একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক এবং এই অপপ্রচারের পেছনের কুশীলবদের মুখোশ উন্মোচিত হোক।

আপনার মতামত লিখুন