ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

হক কমিটি নোয়াপাড়ার বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

হক কমিটি নোয়াপাড়ার বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

ছাত্রকে মারধর করলো জুয়াড়ি

ছাত্রকে মারধর করলো জুয়াড়ি

গাজীপুরে ফুলবাড়িয়ায় অনুমতিহীন ড্রোনের ব্যবহারে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক, চালক মমিনকে নিয়ে জনমনে ক্ষোভ

গাজীপুরে ফুলবাড়িয়ায় অনুমতিহীন ড্রোনের ব্যবহারে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক, চালক মমিনকে নিয়ে জনমনে ক্ষোভ

পঞ্চগড়ে মাস্টাররোল ও মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের মানববন্ধন, ৫ দফা দাবি

পঞ্চগড়ে মাস্টাররোল ও মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের মানববন্ধন, ৫ দফা দাবি

কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে ব্যপক প্রস্তুতি: অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করলেন দুই প্রতিমন্ত্রী

কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে ব্যপক প্রস্তুতি: অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করলেন দুই প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে ৫০ ফুট উঁচু গাছে আটকে পড়া শ্রমিককে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস

পঞ্চগড়ে ৫০ ফুট উঁচু গাছে আটকে পড়া শ্রমিককে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস

সবুজ কুড়িগ্রাম গড়তে সবাইকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’: জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ

সবুজ কুড়িগ্রাম গড়তে সবাইকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে হবে’: জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ

পীরগাছায় ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মসজিদের উদ্বোধন, প্রথম জুমায় উপচে পড়া ভিড়

পীরগাছায় ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মসজিদের উদ্বোধন, প্রথম জুমায় উপচে পড়া ভিড়

নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার: পরিবেশের জন্য হুমকি, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার: পরিবেশের জন্য হুমকি, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার: পরিবেশের জন্য হুমকি, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী প্রতিনিধি:- নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে বড় বড় গাছগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে। গাছের কাণ্ডে নির্বিচারে পেরেক ঠুকে টানানো হয়েছে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন, যা পরিবেশ ও গাছের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, গাছে পেরেক ঠোকা একটি গুরুতর পরিবেশগত ক্ষতি। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, কাণ্ডে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং সেই ক্ষত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ও রোগজীবাণু প্রবেশ করে গাছকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এটি গাছের মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছের কাণ্ডে বারবার আঘাত লাগলে তার পানি ও পুষ্টি পরিবহন ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে, হাসপাতাল চত্বরে এমন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের জন্যও একটি নেতিবাচক বার্তা বহন করে। যেখানে পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা, সেখানে উল্টো গাছ ধ্বংসের মতো কার্যক্রম চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জেলা প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং হাসপাতাল প্রশাসনের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও এ বিষয়ে নজরদারির অভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, গাছের ক্ষতি করা বা পরিবেশের ক্ষতি সাধন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জরিমানা বা অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, দ্রুত এসব ব্যানার অপসারণ করে গাছগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন এভাবে গাছে পেরেক ঠুকে প্রচারণা চালাতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় এখনই পদক্ষেপ না নিলে, এই অবহেলার ফল ভোগ করতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার: পরিবেশের জন্য হুমকি, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে গাছে পেরেক ঠুকে ব্যানার: পরিবেশের জন্য হুমকি, প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী প্রতিনিধি:- নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল চত্বরে বড় বড় গাছগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে। গাছের কাণ্ডে নির্বিচারে পেরেক ঠুকে টানানো হয়েছে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন, যা পরিবেশ ও গাছের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, গাছে পেরেক ঠোকা একটি গুরুতর পরিবেশগত ক্ষতি। এতে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, কাণ্ডে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং সেই ক্ষত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক ও রোগজীবাণু প্রবেশ করে গাছকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এটি গাছের মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, গাছের কাণ্ডে বারবার আঘাত লাগলে তার পানি ও পুষ্টি পরিবহন ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে, হাসপাতাল চত্বরে এমন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের জন্যও একটি নেতিবাচক বার্তা বহন করে। যেখানে পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা, সেখানে উল্টো গাছ ধ্বংসের মতো কার্যক্রম চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখের সামনেই এসব কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। জেলা প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং হাসপাতাল প্রশাসনের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও এ বিষয়ে নজরদারির অভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, গাছের ক্ষতি করা বা পরিবেশের ক্ষতি সাধন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জরিমানা বা অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, দ্রুত এসব ব্যানার অপসারণ করে গাছগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া হোক এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন এভাবে গাছে পেরেক ঠুকে প্রচারণা চালাতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় এখনই পদক্ষেপ না নিলে, এই অবহেলার ফল ভোগ করতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ