স্বচ্ছতার নজির: খাল খননের অব্যয়িত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সালথার ইউএনও
মো: শাহীন হাওলাদার স্টাফ রিপোর্টার:- বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন। দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খনন নিয়ে নানা অভিযোগ ও অসন্তোষের খবর পাওয়া গেলেও ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এখানে বিএনপিসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ খাল খনন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
খাল খনন প্রকল্পের সব ব্যয় নির্বাহের পর অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের তিনটি খালের মোট ৪.৫৩৫ কিলোমিটার পুনঃখননের জন্য ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম খননকাজ পরিদর্শন করে এর প্রশংসা করেন।
প্রায় তিন মাস ধরে চলা খননকাজ শেষে শ্রমিকসহ সকল ব্যয় পরিশোধের পর অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।
খাল খনন কর্মসূচির পিআইসি কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, “ইউএনও স্যার অত্যন্ত সৎ ও ভালো মনের মানুষ। খাল খননের পুরো সময় তিনি নিয়মিত কাজ তদারকি করেছেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। শ্রমিকসহ সকলের বিল যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। আমাদের উপজেলার কাজ অন্য অনেক উপজেলার চেয়ে ভালো হয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকেই সালথার উন্নয়নের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। স্যার যদি আরও কয়েক বছর এখানে কাজ করার সুযোগ পান, তাহলে সালথা একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, “উন্নয়ন কাজের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। আমি যেখানে কাজ করি, প্রতিটি কাজকেই নিজের কাজ মনে করে করি। খাল খনন প্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ ছিল, তবে আমরা সরকারি অর্থের সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। কাজ শেষে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই সুশাসনের অন্যতম ভিত্তি।”

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
স্বচ্ছতার নজির: খাল খননের অব্যয়িত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সালথার ইউএনও
মো: শাহীন হাওলাদার স্টাফ রিপোর্টার:- বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন। দেশের বিভিন্ন স্থানে খাল খনন নিয়ে নানা অভিযোগ ও অসন্তোষের খবর পাওয়া গেলেও ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। এখানে বিএনপিসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ খাল খনন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
খাল খনন প্রকল্পের সব ব্যয় নির্বাহের পর অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের তিনটি খালের মোট ৪.৫৩৫ কিলোমিটার পুনঃখননের জন্য ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম খননকাজ পরিদর্শন করে এর প্রশংসা করেন।
প্রায় তিন মাস ধরে চলা খননকাজ শেষে শ্রমিকসহ সকল ব্যয় পরিশোধের পর অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।
খাল খনন কর্মসূচির পিআইসি কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, “ইউএনও স্যার অত্যন্ত সৎ ও ভালো মনের মানুষ। খাল খননের পুরো সময় তিনি নিয়মিত কাজ তদারকি করেছেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। শ্রমিকসহ সকলের বিল যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। আমাদের উপজেলার কাজ অন্য অনেক উপজেলার চেয়ে ভালো হয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকেই সালথার উন্নয়নের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। স্যার যদি আরও কয়েক বছর এখানে কাজ করার সুযোগ পান, তাহলে সালথা একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, “উন্নয়ন কাজের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততা নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। আমি যেখানে কাজ করি, প্রতিটি কাজকেই নিজের কাজ মনে করে করি। খাল খনন প্রকল্পে পর্যাপ্ত বরাদ্দ ছিল, তবে আমরা সরকারি অর্থের সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। কাজ শেষে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই সুশাসনের অন্যতম ভিত্তি।”

আপনার মতামত লিখুন