ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ায় আর্জেন্টিনার হারে যুবকের আত্মহত্যা, অবুঝ দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন।

কুষ্টিয়ায় আর্জেন্টিনার হারে যুবকের আত্মহত্যা, অবুঝ দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এডিট করা ভুয়া ছবি প্রচার, সমালোচনার মুখে ছাত্রদল নেতা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এডিট করা ভুয়া ছবি প্রচার, সমালোচনার মুখে ছাত্রদল নেতা।

ত্রিমোহনী বাজারে গভীর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৩, লাখ টাকা জরিমানা

ত্রিমোহনী বাজারে গভীর রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৩, লাখ টাকা জরিমানা

​স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধের প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে মামলার হুমকি, সাংবাদিকদের ক্ষোভ

​স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধের প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে মামলার হুমকি, সাংবাদিকদের ক্ষোভ

সাভারে শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

সাভারে শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে প্রবাসীর বাড়িতে গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: গৃহকর্তা আহত, আটক ২

ধামরাইয়ে প্রবাসীর বাড়িতে গ্রিল কেটে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: গৃহকর্তা আহত, আটক ২

প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের

প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ইয়াবা গডফাদার, আবারও আলোচনায় সরোয়ারের

একটি সড়কের জন্য থমকে আছে হাজারো মানুষের জীবনযাত্রা নরসিংপুর-রগারপাড় বালিউরা সড়ক পিচ উঠে জেগেছে গর্ত, বৃষ্টি হলেই মরণফাঁদ'

একটি সড়কের জন্য থমকে আছে হাজারো মানুষের জীবনযাত্রা নরসিংপুর-রগারপাড় বালিউরা সড়ক পিচ উঠে জেগেছে গর্ত, বৃষ্টি হলেই মরণফাঁদ'

কয়রায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের ভবন ধসে পাঠদানে অনিশ্চয়তা

কয়রায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের ভবন ধসে পাঠদানে অনিশ্চয়তা

কয়রায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের ভবন ধসে পাঠদানে অনিশ্চয়তা

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনার কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ উপকূলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার ভবনটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদ ও পিলারে বড় বড় ফাটল, খসে পড়ছিল পলেস্তারা, বেরিয়ে এসেছিল রড। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পড়ত পানি। পাশের একতলা ভবনে কলেজ শাখার ক্লাস হয়।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার জানান, 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলের দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই সময় শিক্ষার্থী-শিক্ষক কেউ ভবনে ছিলেন না। এতে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হওয়ায় ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে সেখানে পাঠদান চলতে থাকে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, 

মাধ্যমিকে তাদের ২৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, শিক্ষক ১৯ জন এবং ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন। স্কুল শাখার ভবন ধসে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ভোগান্তি হবে।কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। 

ভবন ধসে পড়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর আবার দরপত্র সম্পন্ন হয়েছে।প্রকল্পটি মূলত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়েছে। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে আবারও টেন্ডার সম্পন্ন করা হয়েছে।

খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় মিস্ত্রী জানান, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যাবে। পাশাপাশি পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে।ধনঞ্জয় বলেন, তবে এখনো কার্যাদেশ জারি হয়নি। কার্যাদেশ জারি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণকাজ শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


কয়রায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের ভবন ধসে পাঠদানে অনিশ্চয়তা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

কয়রায় শিক্ষপ্রতিষ্ঠানের ভবন ধসে পাঠদানে অনিশ্চয়তা

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনার কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ উপকূলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার ভবনটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। ছাদ ও পিলারে বড় বড় ফাটল, খসে পড়ছিল পলেস্তারা, বেরিয়ে এসেছিল রড। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পড়ত পানি। পাশের একতলা ভবনে কলেজ শাখার ক্লাস হয়।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার জানান, 

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলের দিকে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই সময় শিক্ষার্থী-শিক্ষক কেউ ভবনে ছিলেন না। এতে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে দুইতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হয়। আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হওয়ায় ভবনটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে সেখানে পাঠদান চলতে থাকে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, 

মাধ্যমিকে তাদের ২৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, শিক্ষক ১৯ জন এবং ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন। স্কুল শাখার ভবন ধসে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ভোগান্তি হবে।কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। 

ভবন ধসে পড়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে।খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর আবার দরপত্র সম্পন্ন হয়েছে।প্রকল্পটি মূলত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়েছে। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে আবারও টেন্ডার সম্পন্ন করা হয়েছে।

খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় মিস্ত্রী জানান, কয়রার গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা একাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যাবে। পাশাপাশি পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে।ধনঞ্জয় বলেন, তবে এখনো কার্যাদেশ জারি হয়নি। কার্যাদেশ জারি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণকাজ শুরু হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ