ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা প্রশাসন

পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা প্রশাসন

পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা প্রশাসন

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি  সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড়, ২৩ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, আবেদনপত্রে খাদিজার বাবার নাম আব্দুল ওহাব উল্লেখ ছিল। পরে এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে আবেদনপত্রের তথ্যের সঙ্গে মিল পাওয়ায় তিনি ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার সুপারিশ করেন। তবে ২০২৬ সালে অপর চার বোন অভিযোগ করেন, খাদিজা তাদের পালিত বোন। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় বলেন, “খাদিজা যে পালিত, সেটার প্রমাণ কীভাবে করবে? ওরাই তো আবেদন করেছিল। ওয়ারিশ সনদের বিষয়ে সব দায়িত্ব মেম্বারের। মেম্বার সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পরই সনদ দেওয়া হয়েছে।

বৈধ ওয়ারিশদের এখনো ওয়ারিশ সনদ না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চেয়ারম্যান বলেন, একটি ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়েছে। বাকি চার বোন নতুন করে আবেদন করেছেন। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সদস্যকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগ, তদন্তে উপজেলা প্রশাসন

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি  সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড়, ২৩ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় পালিত বোনকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার অভিযোগে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, আবেদনপত্রে খাদিজার বাবার নাম আব্দুল ওহাব উল্লেখ ছিল। পরে এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে আবেদনপত্রের তথ্যের সঙ্গে মিল পাওয়ায় তিনি ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার সুপারিশ করেন। তবে ২০২৬ সালে অপর চার বোন অভিযোগ করেন, খাদিজা তাদের পালিত বোন। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়টি সরেজমিন তদন্তের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় বলেন, “খাদিজা যে পালিত, সেটার প্রমাণ কীভাবে করবে? ওরাই তো আবেদন করেছিল। ওয়ারিশ সনদের বিষয়ে সব দায়িত্ব মেম্বারের। মেম্বার সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পরই সনদ দেওয়া হয়েছে।

বৈধ ওয়ারিশদের এখনো ওয়ারিশ সনদ না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চেয়ারম্যান বলেন, একটি ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়েছে। বাকি চার বোন নতুন করে আবেদন করেছেন। বিষয়টি সরেজমিন তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সদস্যকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ