ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পীরগাছায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

পীরগাছায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগের প্রতিবাদ চেয়ারম্যানের

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগের প্রতিবাদ চেয়ারম্যানের

ইসলামপুরে চরাঞ্চলের মানুষের ভরসা শেখ ওয়াদুদ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে প্যানেল চেয়ারম্যান

ইসলামপুরে চরাঞ্চলের মানুষের ভরসা শেখ ওয়াদুদ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে প্যানেল চেয়ারম্যান

ডিজেলের দাম বাড়িয়েও সরকারের ৭০ টাকা লোকসান-উত্তরায় বিএনপির সমাবেশে রিজভী

ডিজেলের দাম বাড়িয়েও সরকারের ৭০ টাকা লোকসান-উত্তরায় বিএনপির সমাবেশে রিজভী

আটোয়ারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, উপজেলায় প্রথম হলো বার আউলিয়া মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসা

আটোয়ারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, উপজেলায় প্রথম হলো বার আউলিয়া মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসা

আট বছর পর স্বজনের কাছে ফিরলেন জসিম, সন্ধান মিলল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়

আট বছর পর স্বজনের কাছে ফিরলেন জসিম, সন্ধান মিলল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন

কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন

নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন

নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন

নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন

মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:- ​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে খালের পশ্চিম পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খালের দুই পাশ ও যাতায়াত পথে অন্যান্য অবৈধ ও নির্মাণাধীন দোকান বহাল তবিয়তে থাকলেও শুধু নির্দিষ্ট এক পরিবারের মালিকাধীন দোকানপাট লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নবীনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর বাঙ্গরা বাজারের খালের পশ্চিম পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে খালের পাড়ে ও আশপাশে বিভিন্ন নতুন ও পুরাতন নির্মাণাধীন দোকান দেখা গেলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বুধবার (২২ জুলাই) ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি ও তার পরিবারের মালিকানাধীন দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। অথচ বাজারের অন্যান্য অংশ এবং খালের দুই পাড়ের বাকি অবৈধ দোকানগুলো প্রশাসনের নজরে আসেনি কিংবা সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে যে, এই একপেশে উচ্ছেদ অভিযানটি কি কারো বিশেষ ইন্ধনে পরিচালিত হয়েছে কি না।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধি রবি চেয়ারম্যানের ভাই আবুল বাশার বলেন, ​"বাঙ্গরা বাজারে আগের উচ্ছেদ অভিযানের কারণে অনেক দোকানদার চরম নিরুপায় ও অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। তাদের সেই অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে আমরা পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গার পাশে নিজেদের অর্থে তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। অথচ অন্য সব দোকান রেখে শুধু আমাদের ওপর এই উচ্ছেদ চালানো হলো।

বৃহস্পতিবার (জুলাই ২৩)​সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বাঙ্গরা বাজার খালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট এখনও বহাল রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট একটি পক্ষের ওপর প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। পক্ষপাতদুষ্ট এই অভিযানের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী এবং কেন দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

​শুধু খালের পশ্চিম পাশে অভিযান পরিচালনা করেছেন এর আশেপাশে তো আরো দোকান ছিলো ঐগুলিতে অভিযান পরিচালনা বা উচ্ছেদ করবেন কিনা জানতে চাইলে এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ে এর সাথে যোগাযোগ করেন।তাহলে পশ্চিম পাশে যে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন এগুলিও তো রোডস এন্ড হাইওয়ের জায়গা এগুলিতে কিভাবে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন? জবাবে তিনি জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ের ম্যাজিস্ট্রেটের দরকার ছিল তাই আমি গিয়েছি।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বাজার এলাকায় সকলের জন্য সমান নীতি প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

নবীনগরের বাঙ্গরা বাজারে উচ্ছেদ অভিযান: একপক্ষের স্থাপনা ভাঙার অভিযোগ, নেপথ্যে ইন্ধনের গুঞ্জন

মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:- ​ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে খালের পশ্চিম পাড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। খালের দুই পাশ ও যাতায়াত পথে অন্যান্য অবৈধ ও নির্মাণাধীন দোকান বহাল তবিয়তে থাকলেও শুধু নির্দিষ্ট এক পরিবারের মালিকাধীন দোকানপাট লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নবীনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর বাঙ্গরা বাজারের খালের পশ্চিম পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে খালের পাড়ে ও আশপাশে বিভিন্ন নতুন ও পুরাতন নির্মাণাধীন দোকান দেখা গেলেও সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বুধবার (২২ জুলাই) ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি ও তার পরিবারের মালিকানাধীন দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়। অথচ বাজারের অন্যান্য অংশ এবং খালের দুই পাড়ের বাকি অবৈধ দোকানগুলো প্রশাসনের নজরে আসেনি কিংবা সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে যে, এই একপেশে উচ্ছেদ অভিযানটি কি কারো বিশেষ ইন্ধনে পরিচালিত হয়েছে কি না।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতিনিধি রবি চেয়ারম্যানের ভাই আবুল বাশার বলেন, ​"বাঙ্গরা বাজারে আগের উচ্ছেদ অভিযানের কারণে অনেক দোকানদার চরম নিরুপায় ও অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। তাদের সেই অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে আমরা পরিবারের সবার সাথে আলোচনা করে আমাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গার পাশে নিজেদের অর্থে তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। অথচ অন্য সব দোকান রেখে শুধু আমাদের ওপর এই উচ্ছেদ চালানো হলো।

বৃহস্পতিবার (জুলাই ২৩)​সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বাঙ্গরা বাজার খালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট এখনও বহাল রয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট একটি পক্ষের ওপর প্রশাসনের এমন কঠোর পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। পক্ষপাতদুষ্ট এই অভিযানের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী এবং কেন দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করা হলো, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

​শুধু খালের পশ্চিম পাশে অভিযান পরিচালনা করেছেন এর আশেপাশে তো আরো দোকান ছিলো ঐগুলিতে অভিযান পরিচালনা বা উচ্ছেদ করবেন কিনা জানতে চাইলে এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালেদ বিন মনসুর জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ে এর সাথে যোগাযোগ করেন।তাহলে পশ্চিম পাশে যে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন এগুলিও তো রোডস এন্ড হাইওয়ের জায়গা এগুলিতে কিভাবে উচ্ছেদ অভিযান করেছেন? জবাবে তিনি জানান,রোডস এন্ড হাইওয়ের ম্যাজিস্ট্রেটের দরকার ছিল তাই আমি গিয়েছি।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বাজার এলাকায় সকলের জন্য সমান নীতি প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ