১১ দলীয় ঐক্যের কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা খেলাফত মজলিসের, শুরার সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, ১১ দলীয় ঐক্যের কার্যক্রম থেকে দলটি এখন থেকে বিরত থাকবে। দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা ছিল এবং নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় সেই ঐক্যের কার্যকারিতা শেষ হয়েছে।
এ বিষয়ে খেলাফত মজলিসের নেতা ফুজায়েল আহমদ নাজমুল এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় ঐক্য গঠিত হয়েছিল। ঐক্যে থাকা বা না থাকা নিয়ে দলটিকে একাধিকবার কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক করতে হয়েছে। সে সময় আসন সমঝোতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকলেও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরা সদস্যরা ঐক্যে থাকার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
তিনি জানান, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যেহেতু নির্বাচনী সমঝোতার উদ্দেশ্য শেষ হয়েছে, তাই এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নতুন বা বৃহত্তর ঐক্য গঠনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
ফুজায়েল আহমদ নাজমুল আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য গঠনের সিদ্ধান্ত যেমন সময়োপযোগী ছিল, তেমনি বর্তমান বাস্তবতায় সেই ঐক্য থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তও সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, খেলাফত মজলিস কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক দল নয়; বরং দলের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই গ্রহণ করা হয়।
তিনি বলেন, দলটি সবসময় সময়, প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতা বিবেচনা করে দেশ, জাতি এবং সংগঠনের বৃহত্তর কল্যাণকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্যের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
তার ভাষায়, "সময়ের সঠিক সিদ্ধান্তই খেলাফত মজলিসের অন্যতম শক্তি।"

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
১১ দলীয় ঐক্যের কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা খেলাফত মজলিসের, শুরার সিদ্ধান্তে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, ১১ দলীয় ঐক্যের কার্যক্রম থেকে দলটি এখন থেকে বিরত থাকবে। দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জানানো হয়, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা ছিল এবং নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় সেই ঐক্যের কার্যকারিতা শেষ হয়েছে।
এ বিষয়ে খেলাফত মজলিসের নেতা ফুজায়েল আহমদ নাজমুল এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় ঐক্য গঠিত হয়েছিল। ঐক্যে থাকা বা না থাকা নিয়ে দলটিকে একাধিকবার কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক করতে হয়েছে। সে সময় আসন সমঝোতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য থাকলেও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুরা সদস্যরা ঐক্যে থাকার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
তিনি জানান, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যেহেতু নির্বাচনী সমঝোতার উদ্দেশ্য শেষ হয়েছে, তাই এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের সব কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে দেশ, জাতি ও ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নতুন বা বৃহত্তর ঐক্য গঠনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
ফুজায়েল আহমদ নাজমুল আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য গঠনের সিদ্ধান্ত যেমন সময়োপযোগী ছিল, তেমনি বর্তমান বাস্তবতায় সেই ঐক্য থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্তও সময়ের সঠিক সিদ্ধান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, খেলাফত মজলিস কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক দল নয়; বরং দলের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই গ্রহণ করা হয়।
তিনি বলেন, দলটি সবসময় সময়, প্রেক্ষাপট ও বাস্তবতা বিবেচনা করে দেশ, জাতি এবং সংগঠনের বৃহত্তর কল্যাণকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্যের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
তার ভাষায়, "সময়ের সঠিক সিদ্ধান্তই খেলাফত মজলিসের অন্যতম শক্তি।"

আপনার মতামত লিখুন