আদমপুরে প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার আদমপুর গ্রামে এক প্রবাসীর পরিবারের বসতবাড়ির পেছনের জমি জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও তা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আদমপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসীর বৃদ্ধ পিতা ধন মিয়ার বসতঘরের পেছনের প্রায় ৩ শতক জমি প্রায় দেড় বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ শেখ রবিউল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সে সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মৌখিকভাবে একটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়।
শর্ত অনুযায়ী, পাঁচ বছরের মধ্যে ধন মিয়া নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে জমিটি রাখতে চাইলে মোহাম্মদ শেখ রবিউল ইসলাম তা ফেরত দেবেন। অন্যথায় ধন মিয়ার দায়িত্ব ও সম্মতিতে অন্য ব্যক্তির কাছে জমিটি বিক্রি করা যাবে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই সমঝোতার সাক্ষী ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ইমাম হোসেন ও আব্দুল করিম।
তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে জমির মূল ক্রেতা বিদেশে অবস্থানকালে আব্দুল রহমান নামে এক ব্যক্তি কোনো নিবন্ধিত দলিল ছাড়াই জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি লোকজন নিয়ে এসে ধন মিয়ার পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, বাড়ির আশপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন এবং বর্তমানে সেখানে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হেকিম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে পূর্বের শর্ত বহাল রেখে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় যে, ধন মিয়া নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে জমি রাখতে চাইলে তা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় তার সম্মতি ছাড়া অন্য কারও কাছে জমিটি বিক্রি করা যাবে না। তবে সালিশের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল রহমানের পক্ষের লোকজনের দাবি, তারা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমিটি ক্রয় করেছেন এবং জমির বৈধ মালিক তারাই। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিতে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তাদের জানা মতে আব্দুল রহমানের নামে জমিটির কোনো নিবন্ধিত দলিল নেই। তারপরও তিনি সেখানে ঘর নির্মাণ করছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
আদমপুরে প্রবাসীর জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার আদমপুর গ্রামে এক প্রবাসীর পরিবারের বসতবাড়ির পেছনের জমি জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও তা উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আদমপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসীর বৃদ্ধ পিতা ধন মিয়ার বসতঘরের পেছনের প্রায় ৩ শতক জমি প্রায় দেড় বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ শেখ রবিউল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সে সময় স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মৌখিকভাবে একটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়।
শর্ত অনুযায়ী, পাঁচ বছরের মধ্যে ধন মিয়া নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে জমিটি রাখতে চাইলে মোহাম্মদ শেখ রবিউল ইসলাম তা ফেরত দেবেন। অন্যথায় ধন মিয়ার দায়িত্ব ও সম্মতিতে অন্য ব্যক্তির কাছে জমিটি বিক্রি করা যাবে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই সমঝোতার সাক্ষী ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ইমাম হোসেন ও আব্দুল করিম।
তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে জমির মূল ক্রেতা বিদেশে অবস্থানকালে আব্দুল রহমান নামে এক ব্যক্তি কোনো নিবন্ধিত দলিল ছাড়াই জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি লোকজন নিয়ে এসে ধন মিয়ার পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, বাড়ির আশপাশের বেড়া ভাঙচুর করেন এবং বর্তমানে সেখানে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হেকিম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে পূর্বের শর্ত বহাল রেখে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয় যে, ধন মিয়া নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে জমি রাখতে চাইলে তা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় তার সম্মতি ছাড়া অন্য কারও কাছে জমিটি বিক্রি করা যাবে না। তবে সালিশের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল রহমানের পক্ষের লোকজনের দাবি, তারা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমিটি ক্রয় করেছেন এবং জমির বৈধ মালিক তারাই। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দিতে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, তাদের জানা মতে আব্দুল রহমানের নামে জমিটির কোনো নিবন্ধিত দলিল নেই। তারপরও তিনি সেখানে ঘর নির্মাণ করছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন