ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

মোল্লাহাটে জমি নিয়ে বিরোধ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুজনকে মারধরের অভিযোগ

মোল্লাহাটে জমি নিয়ে বিরোধ, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুজনকে মারধরের অভিযোগ

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় : প্রধানমন্ত্রীর

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় : প্রধানমন্ত্রীর

চট্টগ্রামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ পালিত-

চট্টগ্রামে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ পালিত-

কুড়িগ্রামে জেলা পরিবার পরিকল্পনার  উপপরিচালকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কুড়িগ্রামে জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

পটিয়ার রাজনীতিতে শিষ্টাচার সহনশীলতা শ্রদ্ধাবোধ ও নিজ দলের প্রধানকে অনুসরণ করা জরুরী

পটিয়ার রাজনীতিতে শিষ্টাচার সহনশীলতা শ্রদ্ধাবোধ ও নিজ দলের প্রধানকে অনুসরণ করা জরুরী

গাইবান্ধায় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ: মাদক সম্রাট পুটুসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

গাইবান্ধায় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ: মাদক সম্রাট পুটুসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পল্টনে ২৮ অক্টোবর ট্রাজেডির দুই দশক পূর্তি: পীরগাছায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

পল্টনে ২৮ অক্টোবর ট্রাজেডির দুই দশক পূর্তি: পীরগাছায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ,পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম

সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ,পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম

কারারক্ষী রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কারারক্ষী  রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কারারক্ষী  রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

মো: গোলাম কিবরিয়া ​রাজশাহী জেলা  প্রতিনিধি:- রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে "সিআইডি রাসেল" নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।

​কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।

​ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।

​এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

​আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


কারারক্ষী রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কারারক্ষী  রাসেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

মো: গোলাম কিবরিয়া ​রাজশাহী জেলা  প্রতিনিধি:- রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের জিম্মি করে টাকা দাবি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র সহকারী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কারারক্ষীর নাম রাসেল (ব্যাচ নং-১৮৭২), যিনি বন্দীদের কাছে "সিআইডি রাসেল" নামে পরিচিত। টাকা না দিলে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারধর করা এবং অতিরিক্ত খাটুনির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী বন্দী ও তাদের স্বজনরা।

​কারাগারের মূল প্রতিপাদ্য “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে ভুক্তভোগীদের বর্ণনায়। গোপনে পরিবারের কাছে ফোন করে আকুতি জানিয়ে একাধিক কারাবন্দী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত রাসেল সামান্যতম কথা কাটাকাটিতেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। দাবি করা টাকা দিলে তার আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও টাকা না পেলেই শুরু হয় নির্যাতন।

​ভুক্তভোগী এক বন্দীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের স্বজনরা ভেতরে বিন্দুমাত্র নিরাপদ নয়। ওই কারারক্ষী নিয়মিত টাকা চায়। টাকা না পাঠালে খাবার বন্ধ করে দেওয়া, মারপিট করা আর কঠিন কাজের ভয় দেখানো হয়। বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে।

​এই ঘটনার পর থেকে কারাগারের সাধারণ বন্দীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যায্য এই জুলুম থেকে বাঁচতে অনেকে পরিবারকে চাপ দিয়ে টাকা আনিয়ে অভিযুক্ত কারারক্ষীকে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

​আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, কারাগার সংস্কার আইন অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী কারারক্ষীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বলেন, “কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নির্যাতন বা অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে বা তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ