কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় পাস করতে পারেনি একজন শিক্ষার্থীও!
মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:- ১১/০৮/২০২৬ ইং মঙ্গলবার চুুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক কর্মচারী আছেন ২১ জন। অথচ এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।
মাদ্রাসার শিক্ষকদের চরম গাফিলতির কারণেই এমন ফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিগত বছর ধরেই প্রতিষ্ঠানটিতে ধারাবাহিক ফল বিপর্যয় চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২১ জন শিক্ষক কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এ বছর মাদ্রাসাটি থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তবে তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। সবাই ফেল করায় মাদ্রাসার পাসের হার শূন্য।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। ফলে শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরীক্ষার ফলাফলেও ধস নামছে।
গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়ালেখা করান না এবং নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না, শুধু বেতন তোলেন। ফলে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই মাদ্রাসায় ভর্তি করান না। বিগত ১০ বছর ধরেই এখানে শিক্ষার্থী সংকট এবং ফল খারাপ হচ্ছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় পাস করতে পারেনি একজন শিক্ষার্থীও!
মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:- ১১/০৮/২০২৬ ইং মঙ্গলবার চুুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক কর্মচারী আছেন ২১ জন। অথচ এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।
মাদ্রাসার শিক্ষকদের চরম গাফিলতির কারণেই এমন ফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিগত বছর ধরেই প্রতিষ্ঠানটিতে ধারাবাহিক ফল বিপর্যয় চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২১ জন শিক্ষক কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এ বছর মাদ্রাসাটি থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তবে তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। সবাই ফেল করায় মাদ্রাসার পাসের হার শূন্য।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। ফলে শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরীক্ষার ফলাফলেও ধস নামছে।
গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়ালেখা করান না এবং নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না, শুধু বেতন তোলেন। ফলে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই মাদ্রাসায় ভর্তি করান না। বিগত ১০ বছর ধরেই এখানে শিক্ষার্থী সংকট এবং ফল খারাপ হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন