ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

মদনে এসএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

মদনে এসএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

মোঃ শাহজালাল সুমন: তুরাগ-ঢাকা:-ঢাকার তুরাগের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ সালে অনুষ্টিত এসএসসি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। জিপিএ-৫ (এ+) অর্জন  সহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশ।

 ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানজুড়ে নেমে আসে আনন্দের আবহ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ঢাকডোল পিটিয়ে  একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে ছিল গর্ব ও আনন্দের ছাপ। এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু তাহের খান এবং অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষা। 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আবু তাহের খান আবুল বলেন,এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। এ বছর সারাদেশে তুলনামূলকভাবে পাসের হার কম হলেও আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো ফলাফল করেছে। এ অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। আমি সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

 অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষাবলেন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সেখানে জিপিএ ৫ সহ ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি এবং যাদের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এ এম স্কুল এন্ড কলেজ তাদের পাশে রয়েছে কারণ একটি রেজাল্ট কখনোই একজন শিক্ষার্থীর সারা জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেনা। আজ যারা খারাপ করেছে এখান থেকে তারা আবার শুরু করবে তাদের ভুলগুলো সংশোধন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

 জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ইশরাক মোরশেদ ইরাম খান বলেন, এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং সঠিক দিকনির্দেশনার কারণেই আমরা ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। এ সাফল্যের জন্য আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে নিয়মিত শ্রেণিপাঠদান, কঠোর অধ্যবসায়, পাঠদান কার্যক্রমের নিবিড় তদারকি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

 অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস ও বিশেষ তদারকির ব্যবস্থাও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরাও এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও অধ্যক্ষের যথাযথ দিকনির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মনিটরিং, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টাই এ বছরের প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সাফল্য এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

তুরাগের এ এম স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসিতে সাফল্যের উচ্ছ্বাস

মোঃ শাহজালাল সুমন: তুরাগ-ঢাকা:-ঢাকার তুরাগের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ সালে অনুষ্টিত এসএসসি পরীক্ষায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। জিপিএ-৫ (এ+) অর্জন  সহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ শতাংশ।

 ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানজুড়ে নেমে আসে আনন্দের আবহ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ঢাকডোল পিটিয়ে  একে অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে ছিল গর্ব ও আনন্দের ছাপ। এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু তাহের খান এবং অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষা। 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আবু তাহের খান আবুল বলেন,এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। এ বছর সারাদেশে তুলনামূলকভাবে পাসের হার কম হলেও আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো ফলাফল করেছে। এ অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। আমি সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

 অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানা ঊষাবলেন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে সেখানে জিপিএ ৫ সহ ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি এবং যাদের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এ এম স্কুল এন্ড কলেজ তাদের পাশে রয়েছে কারণ একটি রেজাল্ট কখনোই একজন শিক্ষার্থীর সারা জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেনা। আজ যারা খারাপ করেছে এখান থেকে তারা আবার শুরু করবে তাদের ভুলগুলো সংশোধন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

 জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ইশরাক মোরশেদ ইরাম খান বলেন, এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম, নিয়মিত পাঠদান এবং সঠিক দিকনির্দেশনার কারণেই আমরা ভালো ফলাফল করতে পেরেছি। এ সাফল্যের জন্য আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের পেছনে নিয়মিত শ্রেণিপাঠদান, কঠোর অধ্যবসায়, পাঠদান কার্যক্রমের নিবিড় তদারকি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

 অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস ও বিশেষ তদারকির ব্যবস্থাও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরাও এ সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও অধ্যক্ষের যথাযথ দিকনির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মনিটরিং, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টাই এ বছরের প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সাফল্য এ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ