২০০ টাকায় ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র—এতিম মেয়ের বিয়েতে ‘মানবতার সদাই ঘর’-এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে চলছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের ‘মানবতার সদাই ঘর’। ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম সরকারের পরিচালনায় সংগঠনটির উদ্যোগে এবার এতিম মেয়ের বিয়েতে মাত্র ২০০ টাকা মূল্যে প্রায় ৪০ হাজার টাকা বাজারমূল্যের আসবাবপত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দামোদরপুর ইউনিয়নের দুটি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে এ সহযোগিতা দেওয়া হয়। এর মধ্যে এতিম মেয়ের বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ অপর একটি পরিবারকেও সহযোগিতা করা হয়। প্রতিটি পরিবার মাত্র ২০০ টাকা প্রদান করে এসব সামগ্রী গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
‘মানবতার সদাই ঘর’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারমূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা হলেও অসহায় পরিবারের কথা বিবেচনা করে নাম মাত্র মূল্যে এসব আসবাবপত্র দেওয়া হয়েছে। তারা মনে করেন অর্থের অভাবে যেন কোনো অসচ্ছল পরিবারের মেয়ের বিয়ের আয়োজন থেমে না যায়।
আব্দুর রহিম সরকারের পরিচালনায় ‘মানবতার সদাই ঘর’ শুধু বিয়ের সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।
রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য কান্তনগর বাজারে ‘মানবতার সদাই ঘর’ থেকে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির উদ্যোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রতি কেজি আলু মাত্র ২ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ টাকা, লবণ ১৫ টাকা, চাল ৩০ টাকা, মুড়ি ২০ টাকা এবং এক হালি ডিম ২৫ টাকায় দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অসহায় ও বিধবা মানুষের খাদ্যসহায়তা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীর জন্য খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এর আগে আব্দুর রহিম সরকারের অর্থায়নে বিভিন্ন সড়কের পাশে দুই শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন।
‘মানবতার সদাই ঘর’-এর কার্যক্রম পরিচালনায় আব্দুর রহিম সরকারের সঙ্গে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ভলান্টিয়ার বিনামূল্যে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে। অসহায় মানুষের তথ্য সংগ্রহ, তাদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তারা কাজ করছেন।
স্থানীয়রা জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আব্দুর রহিম সরকারের এমন উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে দরিদ্র, বিধবা, এতিম ও অসহায় মানুষের জন্য নামমাত্র মূল্যে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ার উদ্যোগটি ব্যতিক্রমী বলে মনে করছেন তারা।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
২০০ টাকায় ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র—এতিম মেয়ের বিয়েতে ‘মানবতার সদাই ঘর’-এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে চলছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের ‘মানবতার সদাই ঘর’। ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম সরকারের পরিচালনায় সংগঠনটির উদ্যোগে এবার এতিম মেয়ের বিয়েতে মাত্র ২০০ টাকা মূল্যে প্রায় ৪০ হাজার টাকা বাজারমূল্যের আসবাবপত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দামোদরপুর ইউনিয়নের দুটি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে এ সহযোগিতা দেওয়া হয়। এর মধ্যে এতিম মেয়ের বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ অপর একটি পরিবারকেও সহযোগিতা করা হয়। প্রতিটি পরিবার মাত্র ২০০ টাকা প্রদান করে এসব সামগ্রী গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
‘মানবতার সদাই ঘর’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারমূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা হলেও অসহায় পরিবারের কথা বিবেচনা করে নাম মাত্র মূল্যে এসব আসবাবপত্র দেওয়া হয়েছে। তারা মনে করেন অর্থের অভাবে যেন কোনো অসচ্ছল পরিবারের মেয়ের বিয়ের আয়োজন থেমে না যায়।
আব্দুর রহিম সরকারের পরিচালনায় ‘মানবতার সদাই ঘর’ শুধু বিয়ের সহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই।
রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য কান্তনগর বাজারে ‘মানবতার সদাই ঘর’ থেকে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির উদ্যোগ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রতি কেজি আলু মাত্র ২ টাকা, পেঁয়াজ ৩০ টাকা, লবণ ১৫ টাকা, চাল ৩০ টাকা, মুড়ি ২০ টাকা এবং এক হালি ডিম ২৫ টাকায় দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া অসহায় ও বিধবা মানুষের খাদ্যসহায়তা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীর জন্য খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এর আগে আব্দুর রহিম সরকারের অর্থায়নে বিভিন্ন সড়কের পাশে দুই শতাধিক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন।
‘মানবতার সদাই ঘর’-এর কার্যক্রম পরিচালনায় আব্দুর রহিম সরকারের সঙ্গে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ভলান্টিয়ার বিনামূল্যে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সহযোগিতা করছেন বলে জানা গেছে। অসহায় মানুষের তথ্য সংগ্রহ, তাদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে তারা কাজ করছেন।
স্থানীয়রা জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আব্দুর রহিম সরকারের এমন উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে দরিদ্র, বিধবা, এতিম ও অসহায় মানুষের জন্য নামমাত্র মূল্যে প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ার উদ্যোগটি ব্যতিক্রমী বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন