দীর্ঘ ৩ বছরের খরা কাটিয়ে পটুয়াখালীতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘থিয়েটারওয়ালা’
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:- পটুয়াখালীতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘থিয়েটারওয়ালা’। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় নাট্য সংগঠন ‘আগুন মুখা’-র পরিবেশনায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব মরহুম ডাক্তার ফজলুল করিম-এর স্মরণে এই নাটকটি প্রদর্শিত হয়।
দীর্ঘ ৩ বছর পর কোনো নাটক মঞ্চস্থ হওয়ায় স্থানীয় নাট্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনস্ক দর্শকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রদর্শনী শুরুর আগেই পুরো মিলনায়তন দর্শক কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।
নাটকটি রচনা করেছেন স্বপ্নীল দাস এবং নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ আশরাফ অপূর্ব (অনীম)। প্রযোজনাটি সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার কাজী মো. কামরুজ্জামান।
নাটকটির গল্পে থিয়েটার অঙ্গন ও মঞ্চের ভেতরের বাস্তব রূপ, শিল্পীদের জীবনসংগ্রাম এবং আলো-ছায়ার পেছনের নানা গল্প তুলে ধরা হয়েছে। থিয়েটার আলোর অন্তরালে শিল্পীদের ত্যাগ ও নাটক বাঁচিয়ে রাখার যে অদম্য লড়াই, তা-ই দর্শককে ভিন্ন এক অনুভূতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
নাটকটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন— মাকসুদ উন নবী, গতিয়া সেন প্রীতি, আসিফ আহমেদ, ফারহানা জামান যোথি, তূর্য, মুশফিক, যোমি, জান্নাত, হাবিবাত, আরাফাত, আসিফ, সৌরভ, জোবায়েদ, মো. মশিউর রহমান মিথুন, সানিয়া মেহেরিনসহ একঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল অভিনয়শিল্পী।
এছাড়া রূপসজ্জায় মো. জোবায়ের রহমান, আলোক পরিকল্পনায় মো. জোবায়ের রহমান ও পোশাক নিয়ন্ত্রণে মুশফিক, জান্নাত ও মিথুন দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘদিন পর এ ধরনের মানসম্মত নাটকের মঞ্চায়ন স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশকে নতুন করে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। নিয়মিত এমন নাট্য চর্চা বজায় থাকলে পটুয়াখালীর থিয়েটার অঙ্গন আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ ৩ বছরের খরা কাটিয়ে পটুয়াখালীতে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘থিয়েটারওয়ালা’
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:- পটুয়াখালীতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘থিয়েটারওয়ালা’। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় নাট্য সংগঠন ‘আগুন মুখা’-র পরিবেশনায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব মরহুম ডাক্তার ফজলুল করিম-এর স্মরণে এই নাটকটি প্রদর্শিত হয়।
দীর্ঘ ৩ বছর পর কোনো নাটক মঞ্চস্থ হওয়ায় স্থানীয় নাট্যপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনস্ক দর্শকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রদর্শনী শুরুর আগেই পুরো মিলনায়তন দর্শক কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।
নাটকটি রচনা করেছেন স্বপ্নীল দাস এবং নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ আশরাফ অপূর্ব (অনীম)। প্রযোজনাটি সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার কাজী মো. কামরুজ্জামান।
নাটকটির গল্পে থিয়েটার অঙ্গন ও মঞ্চের ভেতরের বাস্তব রূপ, শিল্পীদের জীবনসংগ্রাম এবং আলো-ছায়ার পেছনের নানা গল্প তুলে ধরা হয়েছে। থিয়েটার আলোর অন্তরালে শিল্পীদের ত্যাগ ও নাটক বাঁচিয়ে রাখার যে অদম্য লড়াই, তা-ই দর্শককে ভিন্ন এক অনুভূতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
নাটকটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন— মাকসুদ উন নবী, গতিয়া সেন প্রীতি, আসিফ আহমেদ, ফারহানা জামান যোথি, তূর্য, মুশফিক, যোমি, জান্নাত, হাবিবাত, আরাফাত, আসিফ, সৌরভ, জোবায়েদ, মো. মশিউর রহমান মিথুন, সানিয়া মেহেরিনসহ একঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল অভিনয়শিল্পী।
এছাড়া রূপসজ্জায় মো. জোবায়ের রহমান, আলোক পরিকল্পনায় মো. জোবায়ের রহমান ও পোশাক নিয়ন্ত্রণে মুশফিক, জান্নাত ও মিথুন দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘদিন পর এ ধরনের মানসম্মত নাটকের মঞ্চায়ন স্থানীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশকে নতুন করে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। নিয়মিত এমন নাট্য চর্চা বজায় থাকলে পটুয়াখালীর থিয়েটার অঙ্গন আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন