বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও স্কোপ সহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জসিম খাঁ গ্রেপ্তার।
জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নিষিদ্ধ এসকাফ সিরাপসহ মো. জসিম (৩৫) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মিরাসানি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯, সিপিসি-১ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)-এর একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তারকৃত মো. জসিম বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মিরাসানি গ্রামের মো. শিরু খাঁ ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে মিরাসানি এলাকার একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জসিম পালানোর চেষ্টা করলে সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার তল্লাশি করে ১০টি জিপার প্যাকেটে রক্ষিত ১,৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি শপিং ব্যাগ থেকে ৩ বোতল নিষিদ্ধ এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জসিম স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে আনা মাদক সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জসিম মিরাসানি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। বাড়ির সামনে দোকান দিয়ে নিজের স্ত্রী ও শালাকে দিয়ে দিনদুপু্রে প্রকাশ্যেই ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ বিক্রি করাত সে। স্থানীয়রা জানান, জসিমের তৈরি এই ‘মাদকের স্পট’ ও তার ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ তটস্থ থাকত। প্রতিবাদ করতে গেলে চরম বিপদের আশঙ্কায় কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জসিমের এই অপরাধ সাম্রাজ্য পরিচালনায় পেছনের কারিগর হিসেবে কয়েকজন অসাধু পুলিশ সদস্য ও বিজয়নগরের স্বনামধন্য এক সাংবাদিকের পরোক্ষ মদদ রয়েছে। তাদের ছত্রছায়ায় সে এতদিন নির্বিঘ্নে মাদকের সাম্রাজ্য চালিয়ে আসছিল।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেপ্তারকৃত জসিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর তাকে বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও স্কোপ সহ চিহ্নিত মাদক কারবারি জসিম খাঁ গ্রেপ্তার।
জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও নিষিদ্ধ এসকাফ সিরাপসহ মো. জসিম (৩৫) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মিরাসানি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯, সিপিসি-১ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)-এর একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তারকৃত মো. জসিম বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মিরাসানি গ্রামের মো. শিরু খাঁ ছেলে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে মিরাসানি এলাকার একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে জসিম পালানোর চেষ্টা করলে সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার তল্লাশি করে ১০টি জিপার প্যাকেটে রক্ষিত ১,৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি শপিং ব্যাগ থেকে ৩ বোতল নিষিদ্ধ এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জসিম স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে আনা মাদক সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জসিম মিরাসানি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। বাড়ির সামনে দোকান দিয়ে নিজের স্ত্রী ও শালাকে দিয়ে দিনদুপু্রে প্রকাশ্যেই ইয়াবা ও এসকাফ সিরাপ বিক্রি করাত সে। স্থানীয়রা জানান, জসিমের তৈরি এই ‘মাদকের স্পট’ ও তার ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ তটস্থ থাকত। প্রতিবাদ করতে গেলে চরম বিপদের আশঙ্কায় কেউ মুখ খোলার সাহস পেত না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জসিমের এই অপরাধ সাম্রাজ্য পরিচালনায় পেছনের কারিগর হিসেবে কয়েকজন অসাধু পুলিশ সদস্য ও বিজয়নগরের স্বনামধন্য এক সাংবাদিকের পরোক্ষ মদদ রয়েছে। তাদের ছত্রছায়ায় সে এতদিন নির্বিঘ্নে মাদকের সাম্রাজ্য চালিয়ে আসছিল।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেপ্তারকৃত জসিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর তাকে বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন