আসন্ন ধামগড় ইউপি নির্বাচনে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী?
নিজস্ব প্রতিবেদক :- আসন্ন বন্দর উপজেলা ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়া এবং রাজনৈতিক লবিংয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার হাফ ডজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে লোকমুখে শোরগোল শোনা যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি থেকে কে হচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী? তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন ধামগড় ইউপি বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও তারেক জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি গাজ্বী আমির হামজা, ধামগড় ইউপি সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও ৫নং ওয়ার্ড থেকে বিপুল ভোটে তিন তিন বারের নির্বাচিত মেম্বার হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি নেতা মোমেন ভূইয়া, ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহিদ খন্দকার, বন্দর উপজেলা সাবেক যুগ্ম আহবায়ক যুবদল আহবায়ক গোলবক্স ভূইয়া রাসেল ও সাবেক ছাত্রদল সহ-সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিন সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লা।
এবারে অর্ধডজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি থেকে নির্বাচনের ঘোষনা দিলেও ভোটের মাঠে তিন জনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তাদের মধ্যে গাজ্বী আমির হামজা, হাবিবু রহমান হাবিব মেম্বার ও বিএনপি নেতা মোমেন ভূইয়া। হাবিব মেম্বার শুরু থেকেই জনগনের বিপদ আপদে সার্বক্ষনিক তদারকি করলেও নতুন প্রার্থী মোমেন ভূইয়া বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, মসজিদ মন্দির ও কবরস্থানের উন্নয়নে হাত বাড়িয়ে দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া মোমেন ভূইয়া আড়াই হাজার উপজেলার এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ এর খালাতো ভাই হওয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে তার অবস্থান ভালো। তবে জনগেনর নিকট নতুন মুখ হওয়ায় মোমেন ভূইয়ার মাঠ পর্যায়ে ভোটারের মন জয় করতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। অন্যদিকে গাজ্বী আমির হামজা-ই একমাত্র ব্যক্তি যিনি (বন্দর-সদর) আসনের সাংসদ কালাম পরিবারের একনিষ্ঠ কর্মী। সুখে দুখে মামলায় জর্জরিত হয়ে তাদের পথেই হেটেছেন।
নগদ টাকার গন্ধে অনেক নেতা-কর্মীই মডেল মাসুদের নিকট মাথা নত করলেও গাজ্বী আমির হামজা কালাম পরিবারকে আঁকড়িয়ে ধরে রেখেছেন। সাংসদ কালাম পুত্রের মিছিল মিটিংয়ে ডাক পেয়ে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। তাকে কালাম পরিবারের রাজনীতি করতে গিয়ে জাঙ্গাল বাস-স্টেশন এলাকায় অবস্থিত সংসারের একমাত্র আয়ের উৎস কনফেকশনারী ব্যবসার দোকানটি পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছে।
ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকারও কিন্তু বসে নেই। তিনিও শুরু থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঘোষনা দিয়ে মাঠ ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন।
অন্যদিকে দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েই নিরব। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা থাকায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করবে কিনা সন্ধিহান।
বিএনপির আরেক সিনিয়র প্রার্থী গোলবক্স ভূইয়া রাসেল। তিনিও ধামগড় ইউনিয়ন থেকে নির্বাচন করবেন বলে লোক মুখে শোনা যায়। তবে তার নির্বাচনের লক্ষ্য ভিন্ন। গোলবক্স ভূইয়া রাসেলের লক্ষ্য হলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর জাতীয় পার্টির নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ও মাসুম আহম্মেদ চেয়ারম্যান যদি নির্বাচন না করেন তবেই তিনি ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে গোলবক্সকে নিয়ে জনগনের মাঝে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
তবে ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় গাজ্বী আমির হামজা ও মোমেন ভূইয়ার সর্বত্র বিচরন লক্ষ্য করা যায়। তারা দু'জনেই ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।
ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তারা ভোটারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
গণসংযোগকালে গাজ্বী আমির হামজা বলেন, “ধামগড় ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই। পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে মোমেন ভূইয়া বলেন, “জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
সম্ভাব্য অন্যান্য প্রার্থীরা বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি আধুনিক, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত ধামগড় ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে তারা ধামগড় ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
বর্তমানে তারা ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থীরা স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাঁদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত মতামত শুনছেন। তাদের মধ্যো বিএনপি'র দলের হাইকমান্ড যাকে সমর্থন দিবেন তার পক্ষে সকলে কাজ করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। যিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন অগ্রাধিকারভিত্তিক জনসমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন ধামগড় ইউনিয়নের জনগন আশাবাদী।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসন্ন ধামগড় ইউপি নির্বাচনে কে হচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী?
নিজস্ব প্রতিবেদক :- আসন্ন বন্দর উপজেলা ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়া এবং রাজনৈতিক লবিংয়ে চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার হাফ ডজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে লোকমুখে শোরগোল শোনা যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি থেকে কে হচ্ছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী? তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন ধামগড় ইউপি বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও তারেক জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি গাজ্বী আমির হামজা, ধামগড় ইউপি সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও ৫নং ওয়ার্ড থেকে বিপুল ভোটে তিন তিন বারের নির্বাচিত মেম্বার হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি নেতা মোমেন ভূইয়া, ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জাহিদ খন্দকার, বন্দর উপজেলা সাবেক যুগ্ম আহবায়ক যুবদল আহবায়ক গোলবক্স ভূইয়া রাসেল ও সাবেক ছাত্রদল সহ-সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিন সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লা।
এবারে অর্ধডজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিএনপি থেকে নির্বাচনের ঘোষনা দিলেও ভোটের মাঠে তিন জনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তাদের মধ্যে গাজ্বী আমির হামজা, হাবিবু রহমান হাবিব মেম্বার ও বিএনপি নেতা মোমেন ভূইয়া। হাবিব মেম্বার শুরু থেকেই জনগনের বিপদ আপদে সার্বক্ষনিক তদারকি করলেও নতুন প্রার্থী মোমেন ভূইয়া বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, মসজিদ মন্দির ও কবরস্থানের উন্নয়নে হাত বাড়িয়ে দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া মোমেন ভূইয়া আড়াই হাজার উপজেলার এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ এর খালাতো ভাই হওয়ায় কেন্দ্রীয়ভাবে তার অবস্থান ভালো। তবে জনগেনর নিকট নতুন মুখ হওয়ায় মোমেন ভূইয়ার মাঠ পর্যায়ে ভোটারের মন জয় করতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। অন্যদিকে গাজ্বী আমির হামজা-ই একমাত্র ব্যক্তি যিনি (বন্দর-সদর) আসনের সাংসদ কালাম পরিবারের একনিষ্ঠ কর্মী। সুখে দুখে মামলায় জর্জরিত হয়ে তাদের পথেই হেটেছেন।
নগদ টাকার গন্ধে অনেক নেতা-কর্মীই মডেল মাসুদের নিকট মাথা নত করলেও গাজ্বী আমির হামজা কালাম পরিবারকে আঁকড়িয়ে ধরে রেখেছেন। সাংসদ কালাম পুত্রের মিছিল মিটিংয়ে ডাক পেয়ে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। তাকে কালাম পরিবারের রাজনীতি করতে গিয়ে জাঙ্গাল বাস-স্টেশন এলাকায় অবস্থিত সংসারের একমাত্র আয়ের উৎস কনফেকশনারী ব্যবসার দোকানটি পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছে।
ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহিদ খন্দকারও কিন্তু বসে নেই। তিনিও শুরু থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঘোষনা দিয়ে মাঠ ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন।
অন্যদিকে দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার সাংবাদিক নুরুজ্জামান মোল্লা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েই নিরব। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা থাকায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করবে কিনা সন্ধিহান।
বিএনপির আরেক সিনিয়র প্রার্থী গোলবক্স ভূইয়া রাসেল। তিনিও ধামগড় ইউনিয়ন থেকে নির্বাচন করবেন বলে লোক মুখে শোনা যায়। তবে তার নির্বাচনের লক্ষ্য ভিন্ন। গোলবক্স ভূইয়া রাসেলের লক্ষ্য হলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর জাতীয় পার্টির নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ও মাসুম আহম্মেদ চেয়ারম্যান যদি নির্বাচন না করেন তবেই তিনি ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এ বিষয়ে গোলবক্সকে নিয়ে জনগনের মাঝে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
তবে ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় গাজ্বী আমির হামজা ও মোমেন ভূইয়ার সর্বত্র বিচরন লক্ষ্য করা যায়। তারা দু'জনেই ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।
ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তারা ভোটারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।
গণসংযোগকালে গাজ্বী আমির হামজা বলেন, “ধামগড় ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই। পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে মোমেন ভূইয়া বলেন, “জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
সম্ভাব্য অন্যান্য প্রার্থীরা বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি আধুনিক, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত ধামগড় ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে তারা ধামগড় ইউনিয়নবাসীর দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
বর্তমানে তারা ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থীরা স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাঁদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত মতামত শুনছেন। তাদের মধ্যো বিএনপি'র দলের হাইকমান্ড যাকে সমর্থন দিবেন তার পক্ষে সকলে কাজ করে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। যিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন অগ্রাধিকারভিত্তিক জনসমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন ধামগড় ইউনিয়নের জনগন আশাবাদী।

আপনার মতামত লিখুন