তেঁতুলিয়ায় বাবার স্মরণে সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারীর গাছের চারা বিতরন
খাদেমুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক পঞ্চগড়! পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রয়াত হুসেন আলী বাবার স্মৃতিকে ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৬৫০ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারীর মালিক সাইফুল ইসলাম। প্রকৃতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তেঁতুলিয়া উপজেলার ছোট দলুয়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে
সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারির উদ্যোগে এ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নার্সারিটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হোসেন আলীর স্মরণে তার ছেলে এ উদ্যোগ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন। সম্মানীত বিশেষ অতিথি তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সীমান্ত কুমার বসাক।
সভায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শালবাহান ছোট দলুয়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. সুলতানা পারভীন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি গাছের চারা রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রয়াত বাবার স্মৃতিকে শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ না করে তার নামে পরিবেশের জন্য কিছু করার চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে তাদের নিজ বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় বৃক্ষ রোপণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন কার্যক্রম সমাজের অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে। বিশেষ করে বাবাকে স্মরণ করার এমন উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার বাবাও মরহুম প্রকৃতি পাগল হোসেন আলী প্রতিবছর গাছের চারা বিতরণ করতেন মানুষের মাঝে, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের মাঝে এই গাছের চারা দিয়ে আসছি, আমি যতদিন বেঁচে আছি চেস্টা করবো এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তেঁতুলিয়ায় বাবার স্মরণে সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারীর গাছের চারা বিতরন
খাদেমুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক পঞ্চগড়! পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রয়াত হুসেন আলী বাবার স্মৃতিকে ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ৬৫০ টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছেন সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারীর মালিক সাইফুল ইসলাম। প্রকৃতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তেঁতুলিয়া উপজেলার ছোট দলুয়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে
সাইফুল প্রযুক্তি নার্সারির উদ্যোগে এ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নার্সারিটির প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হোসেন আলীর স্মরণে তার ছেলে এ উদ্যোগ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবরিনা আফরিন। সম্মানীত বিশেষ অতিথি তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সীমান্ত কুমার বসাক।
সভায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শালবাহান ছোট দলুয়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. সুলতানা পারভীন।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি গাছের চারা রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রয়াত বাবার স্মৃতিকে শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ না করে তার নামে পরিবেশের জন্য কিছু করার চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে তাদের নিজ বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় বৃক্ষ রোপণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যায় সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
তারা আরও বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন কার্যক্রম সমাজের অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে। বিশেষ করে বাবাকে স্মরণ করার এমন উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার বাবাও মরহুম প্রকৃতি পাগল হোসেন আলী প্রতিবছর গাছের চারা বিতরণ করতেন মানুষের মাঝে, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে আমি প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের মাঝে এই গাছের চারা দিয়ে আসছি, আমি যতদিন বেঁচে আছি চেস্টা করবো এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার।

আপনার মতামত লিখুন