পীরগাছায় রেকর্ডীয় জমি মাদ্রাসার দাবি: বাড়ি নির্মাণে বাধার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
রংপুরের পীরগাছায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিকে মাদ্রাসার সম্পত্তি দাবি করে ঘরবাড়ি নির্মাণে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নেকমামুদ বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মানিক মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মানিক মিয়া জানান, উপজেলার রহমতচর এলাকায় রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার পাশেই তাদের পৈতৃক বসতবাড়ি। সম্প্রতি ওই জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করলে মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেনসহ কয়েকজন এতে বাধা দেন। মানিক মিয়ার দাবি, তার বাবা মতিয়ার রহমান রেকর্ড ও রেজিস্ট্রি দলিলমূলে ওই মৌজার ২২৬১ নম্বর দাগে ২২ শতক জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটির এসএ ও আরএস রেকর্ডও তাদের নামেই রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মূলত ২২৬২ নম্বর দাগে জমি ক্রয় করলেও কৌশলে তাদের ভোগদখলীয় ২২৬১ নম্বর দাগের জমি দাবি করে বিরোধ সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে মাদ্রাসা সুপার আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় আবেদন করে তাদের হয়রানি করছেন বলেও জানান তিনি। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারটি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেন জানান, তিনি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেছেন এবং এতে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। তার দাবি, ১৯৯৩ সালের দলিলসূত্রে মাদ্রাসা ২২ শতক জমি ক্রয় করে এবং জমিটির নামজারি (খারিজ) মাদ্রাসার নামেই রয়েছে। তবে আরএস জরিপের সময় প্রতিপক্ষ কৌশলে জমিটি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে মাদ্রাসার সম্পত্তি উদ্ধারে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন মাত্র।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পীরগাছায় রেকর্ডীয় জমি মাদ্রাসার দাবি: বাড়ি নির্মাণে বাধার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
রংপুরের পীরগাছায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিকে মাদ্রাসার সম্পত্তি দাবি করে ঘরবাড়ি নির্মাণে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার নেকমামুদ বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মানিক মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মানিক মিয়া জানান, উপজেলার রহমতচর এলাকায় রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার পাশেই তাদের পৈতৃক বসতবাড়ি। সম্প্রতি ওই জায়গায় পাকা বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করলে মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেনসহ কয়েকজন এতে বাধা দেন। মানিক মিয়ার দাবি, তার বাবা মতিয়ার রহমান রেকর্ড ও রেজিস্ট্রি দলিলমূলে ওই মৌজার ২২৬১ নম্বর দাগে ২২ শতক জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমিটির এসএ ও আরএস রেকর্ডও তাদের নামেই রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মূলত ২২৬২ নম্বর দাগে জমি ক্রয় করলেও কৌশলে তাদের ভোগদখলীয় ২২৬১ নম্বর দাগের জমি দাবি করে বিরোধ সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে মাদ্রাসা সুপার আদালতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় আবেদন করে তাদের হয়রানি করছেন বলেও জানান তিনি। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারটি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রহমতচর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আফজাল হোসেন জানান, তিনি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেছেন এবং এতে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। তার দাবি, ১৯৯৩ সালের দলিলসূত্রে মাদ্রাসা ২২ শতক জমি ক্রয় করে এবং জমিটির নামজারি (খারিজ) মাদ্রাসার নামেই রয়েছে। তবে আরএস জরিপের সময় প্রতিপক্ষ কৌশলে জমিটি নিজেদের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে মাদ্রাসার সম্পত্তি উদ্ধারে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন মাত্র।

আপনার মতামত লিখুন